ময়মনসিংহে ১১ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ
Why this classification
A 37-year-old grocer tried to rape an 11-year-old madrasa student on June 18, 2026, pulling and grabbing her on her way home, and she escaped. This is a recent, specific physical assault, so it is classified as violence, though the earlier December 2025 incident is treated only as background.
Killed
0
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে গত ১৮ জুন (বৃহস্পতিবার) মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে মুদিদোকানি আল আমিন (৩৭) আবার ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাকে টানাটানি করা হয় এবং শিশুটি পালিয়ে বাড়ি ফিরে যায়। এর আগে ২০২৫ সালের ১৯ ডিসেম্বর ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে শিশুটির মা ১৯ জুন গফরগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ময়মনসিংহে ১১ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে আল আমিন (৩৭) নামে এক মুদি দোকানির বিরুদ্ধে। মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা চালানো হয়। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকালে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে গফরগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। আল আমিন একই উপজেলার তাইজ উদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় তিনি মুদিদোকানি। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই শিশু স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর মাদ্রাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত আল আমিনের দোকানে ১০০ টাকার নোট ভাঙাতে যান। তখন তিনি খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে একটি পরিত্যক্ত মাদ্রাসার টিনশেডে নিয়ে যান এবং মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন ও ভিডিও ধারণ করেন। ধর্ষণের পর আল আমিন কাউকে কিছু জানালে ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তাকে ছেড়ে দেন। এরপর বিভিন্ন সময় তিনি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকেন। এমতাবস্থায় গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে ফেরার পথে আল আমিন তাকে আবার ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং টানাটানি করেন। এসময় শিশুটি তার হাত থেকে ছিটকে দৌড় দিলে তিনি তাকে ধরার চেষ্টা করেন। পরে ওই মাদ্রাসাছাত্রী দৌড়ে বাড়ি ফিরে মা-বাবার কাছে পুরো ঘটনা জানান। গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলেও তিনি জানান। সাখাওয়াত সুমন/এমটিআই
