মাদক কারবারের অভিযোগ তুলে দু্ই জেলায় ১৩ বাড়িঘরে আগুন

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

সংবাদটি স্পষ্টভাবে দুই জেলায় জনতার দ্বারা ১৩টি বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের বর্ণনা দেয়, যা সহিংস ঘটনা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ। তারিখটি রেফারেন্স তারিখের ১৪ দিনের মধ্যে (২০২৬-০৬-১৯) এবং এটি বাংলাদেশে সংঘটিত হয়েছে।

Reported by:SamakalSingle source
19/06/26•ভাতশালা ইউনিয়নের বয়ড়া গ্রাম, যশোদল ইউনিয়নের মধ্যপাড়া ও সিদ্ধেশ্বরী এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

শেরপুর ও কিশোরগঞ্জে মাদক বিক্রির অভিযোগে জনতা ১৩টি বাড়িতে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছে। শেরপুরে আমিনুল ইসলাম বদরের বাড়িতে আগুন দেওয়া হয় এবং কিশোরগঞ্জে জুমার নামাজের পর ১২টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আমিনুল ইসলাম বদরশরিফাসখিরকফিল উদ্দিনজামিল উদ্দীন খাঁনআসমা বিনতে রফিকসোহেল রানাজোসনা আক্তারনাজমুল ইসলামওবায়দুল্লাহইমতিয়াজ সুলতান রাজনআবুল কালাম ভূঞা

Affected infrastructure

বাড়িঘরদোতলা ভবনবস্তির মতো ঘরবাড়ি

Tags

Vigilante JusticeDrug War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 24/06/26open original ↗

মাদক কারবারের অভিযোগ তুলে দু্ই জেলায় ১৩ বাড়িঘরে আগুন

মাদক কারবারের অভিযোগ তুলে দু্ই জেলায় ১৩ বাড়িঘরে আগুন কিশোরগঞ্জ সদরে এক মাদক কারবারির বাড়িতে শুক্রবার দুপুরে অগ্নিসংযোগ করা হয় -সমকাল শেরপুর ও কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০ জুন ২০২৬ | ০৭:৪৯ | প্রিন্ট সংস্করণ মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলে শেরপুর ও কিশোরগঞ্জের ১৩টি বাড়িঘরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার সকালে শেরপুর সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নে বয়ড়া গ্রামের আমিনুল ইসলাম বদরের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। আতঙ্কে এলাকা ছাড়া পরিবারটি। আগুন নেভাতে গিয়ে বাধার মুখে পড়ে ফিরে যেতে বাধ্য হয়েছেন দমকল কর্মীরা। বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ঘটনাস্থলে কাউকে যেতে দেওয়া হয়নি। জানা গেছে, মধ্যবয়ড়া হাজি বাড়ির সামনে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন আমিনুল ইসলাম বদর (৭০)। তাঁর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এলাকার লোকজন নিষেধ করলেও মাদক ছাড়তে পারেননি। এরই মধ্যে গতকাল শুক্রবার সকালে তাঁর বাড়িঘরে হামলার ঘটনা ঘটে। বদরের স্ত্রী শরিফা ও মেয়ে সখির দাবি, এক মাস ধরে মাদক বিক্রি করেন না বদর। এরপরও তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে কয়েকশ লোক তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। ঘর থেকে তাদের বের করে দিয়ে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করে। একপর্যায়ে গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য করে। ভাতশালা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন বলেন, ‘কিছুই বলতে পারছি না। বললে আমার নামে মামলা হবে। বৃদ্ধ বয়সে জেল খাটতে চাই না।’  শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জামিল উদ্দীন খাঁন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বাধার মুখে পড়েন তারা। পরে আগুন না নিভিয়েই ফিরতে হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিকের ভাষ্য, পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকায় দমকলকর্মী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি।  শেরপুর সদর থানার ওসি সোহেল রানা জানান, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। দ্রুতই ব্যবস্থা নেবেন তারা। একই দিন জুমার নামাজের পর মাদক বিক্রির অভিযোগে ১২টি বাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন কিশোরগঞ্জের মুসল্লি ও এলাকাবাসী। সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের মধ্যপাড়া গ্রাম এবং সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় সেসব ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকলকর্মীরা গেলেও তাদের ফিরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ লোকজন। সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রেললাইনের পাশে বস্তির মতো ঘরবাড়ি কুপিয়ে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মধ্যপাড়ায় গিয়ে দেখা গেছে, জোসনা আক্তারের দোতলা ভবনে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে।  মধ্যপাড়ার বাসিন্দা নাজমুল ইসলামের অভিযোগ, ওবায়দুল্লাহ ও জোসনাসহ এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারিদের বাড়িতে এই হামলা হয়েছে। তারা বিভিন্ন সময়ে কারাগারে গেলেও জামিনে ছাড়া পেয়ে আবারও একই পেশায় জড়িয়ে পড়ে। তাদের জন্য এলাকার তরুণ-যুবকেরা বিপথে যাচ্ছে। এলাকাবাসী মাদকসেবীদের উৎপাতে অতিষ্ঠ। মাদকের টাকার জন্য চুরি-ছিনতাই হয়।  যশোদল ইউপি চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ সুলতান রাজন জানান, জুমার নামাজের পর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এই ঘটনা। তবে কেউ হতাহত হয়নি। খবর পেয়ে অগ্নিনির্বাপক দল গেলেও উত্তেজিত জনতা তাদের ফিরিয়ে দেয়।  কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম ভূঞা জানান, এলাকার সাধারণ মানুষ হামলা করেছে। অন্তত  ১২টি ঘরবাড়ি হামলার শিকার হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।  - বিষয় : - আগুন