চিকিৎসাসেবার নামে নারীকে ব্ল্যাকমেইল কর্মচারীর
Why this classification
A hospital employee allegedly secretly recorded a woman in sexual acts and used the video to force her into such acts over three years, with threats of public exposure. The accused has admitted wrongdoing, and the victim filed a written complaint on 28 September 2026. This is a single, concrete case of gender-based sexual coercion and threats in Jessore, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
যশোর জেনারেল হাসপাতালের হেল্প ডেস্ক কর্মচারী আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক নারীকে তিন বছর ধরে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী নারী ২৮ সেপ্টেম্বর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, এবং অভিযুক্ত অন্যায় স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চিকিৎসাসেবার নামে নারীকে ব্ল্যাকমেইল কর্মচারীর
যশোর জেনারেল হাসপাতাল চিকিৎসাসেবার নামে নারীকে ব্ল্যাকমেইল কর্মচারীর Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ যশোর জেনারেল হাসপাতাল কর্মচারীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে এক নারীকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। ওই কর্মচারীর নাম আলমগীর হোসেন। সম্প্রতি ওই নারী আলমগীরের বিরুদ্ধে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জানা যায়, চিকিৎসাসেবা নিতে এসে হাসপাতালের হেল্প ডেস্কে কর্মরত আলমগীরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই নারীর। এরপর হাসপাতালে গেলেই আলমগীর তাকে টিকিট কেটে দেওয়া, চিকিৎসকের কাছে নেওয়া ও ওষুধের ব্যবস্থা করে দিতেন। এভাবে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারীর দাবি, একদিন ওষুধের জন্য হাসপাতালে গেলে আলমগীর তাকে জানান, প্রয়োজনীয় ওষুধ তার বাড়িতে রয়েছে। পরে তিনি তার সঙ্গে মোটরসাইকেলে শহরের বারান্দিপাড়ায় আলমগীরের ভাড়া বাসায় যান। সেখানে তাকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয় এবং ওই দৃশ্য গোপনে ভিডিও করা হয়। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে তিন বছর অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়েছে। এভাবেই আলমগীরের ব্ল্যাকমেইলের শিকার হন এক অসহায় নারী। ওই নারী আরও অভিযোগ করেন, শুধু আলমগীরের ভাড়া বাসায় নয়, হাসপাতালের বহির্বিভাগের দন্ত বিভাগে ১১৯ নম্বর কক্ষেও তাকে অনৈতিক কাজে বাধ্য করা হয়। ভিডিওগুলো মুছে ফেলার জন্য বারবার অনুরোধ করলেও কাজ হয়নি। ওই নারী একপর্যায়ে কৌশলে আলমগীরের মোবাইল ফোন থেকেই ঘটনার একটি ভিডিও উদ্ধারে সক্ষম হন। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে আলমগীর ও ওই নারীকে হাত ধরাধরি করে একটি কক্ষে প্রবেশ এবং আলমগীরকে নিজ হাতে একটি স্থানে মোবাইল ফোন সেট করতে দেখা যায়। আলমগীরের পরনে কালো প্যান্ট, সাদা শার্ট এবং ওই নারীর পরনে ছাই রঙের পোশাক দেখা যায়। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর বিভিন্ন মাধ্যমে ভুক্তভোগী নারীকে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করে আলমগীর বলেন, অন্যায় করেছি, আমি লজ্জিত। সবার কাছে মাফ চাচ্ছি। যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হুসাইন শাফায়েত জানিয়েছেন, ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। ওই নারীর বিষয়টিও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কে দোষী, তা তদন্ত না করে বলা সম্ভব নয়। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
