রাউজানে পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও গাড়িতে আগুন
Why this classification
This is classified as political violence because local political party representatives explicitly accused their political rivals of carrying out the arson attack on the vehicle as part of an ongoing political conflict.
Killed
0
Injured
0
Summary
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালের গভীর রাতে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার কুণ্ডেশ্বরী এলাকায় পার্ক করে রাখা একটি পিকআপ গাড়িতে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীরা সাম্প্রদায়িক সম্পৃতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই নাশকতার সাথে জড়িত।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
রাউজানে পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও গাড়িতে আগুন
রাউজানে পাঁচ দিনের ব্যবধানে আবারও গাড়িতে আগুন রাউজানের কুণ্ডেশ্বরী এলাকায় পুড়িয়ে দেওয়া পিকআপ সমকাল রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৮:০৬ | প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের রাউজানে পাঁচ দিনের ব্যবধানে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পুড়েছে আরও একটি পিকআপ। চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের পাশে কুণ্ডেশ্বরী এলাকায় পার্ক করা অবস্থায় পিকআপটিতে আগুন দেওয়ার ঘটনাটি ঘটে। গত শুক্রবার গভীর রাতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মীরা এ আগুন দিয়েছে বলে দাবি করেছে উপজেলা বিএনপি। জানা যায়, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কের পাশে গাড়ির মালিক টিটু দাশের বাড়ি। তিনি রাঙামাটি থেকে কাঁচামালের ভাড়া নিয়ে রাউজান আসেন। মালপত্র নামিয়ে প্রতিদিনের মতো বাড়ির সামনে পিকআপটি পার্ক করেন। গভীর রাতে কে বা কারা গাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে পিকআপটি পুড়ে যায়। এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে এই ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার পশ্চিমে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডে সড়কের পাশে পার্ক করে রাখা একটি ড্রামট্রাকে আগুন দেওয়া হয়। পাঁচ দিনের ব্যবধানে একই সড়কের পাশে দুটি গাড়িতে আগুন দেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে পিকআপে আগুন দেওয়ার খবর পেয়ে রাউজানের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর নির্দেশে স্থানীয় নেতারা ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। তারা গাড়ির মালিক টিটু দাশের সঙ্গে দেখা করেন এবং সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তা ছাড়া তাৎক্ষণিক বিএনপির নেতারা পাঁচ হাজার টাকা দেন। গাড়ির মালিক টিটু দাশ বলেন, তিনি গাড়ি পার্ক করে রাতে ঘুমাতে যান। রাত ২টার দিকে তাঁকে ফোন করে জানানো হয়, গাড়িতে আগুন লেগেছে। তিনি তাৎক্ষণিক গিয়ে দেখেন গাড়ি আগুনে জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে রাত পৌনে ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। গাড়ি পুড়ে গিয়ে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাঁর। উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি সাবের সুলতান কাজল বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা সামনে রেখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ অগ্নিসন্ত্রাস করছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে নাশকতা করছে দলটি। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন মীর্জা ও সদস্য সচিব মাসুদ পারভেজ রুবেলও গাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আওয়ামী লীগের লোকজন জড়িত বলে দাবি করেন। - বিষয় : - গাড়িতে আগুন
চট্টগ্রামে হ্যান্ডকাফসহ ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় নারী নির্যাতন মামলার এক ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে পুলিশি হেফাজত থেকে হ্যান্ডকাফসহ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বারশত ইউনিয়নের কালীবাড়ি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পরদিন বুধবার (২৯ জুলাই) বিষয়টি জানাজানি হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তারের উদ্দ্যেশ্যে আনোয়ারা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শাহ আলম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে উপজেলার বারশত কালীবাড়ি বাজারে যান। সেখানে বাজার করতে আসা মোহাম্মদ লোকমানকে (৪৮) আটক করেন তারা। লোকমান উপজেলার বারশত ইউনিয়নের গুন্দ্বীপ গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে। তিনি উপজেলা বিএনপির সদস্য। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, লোকমানকে আটকের পর স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে হট্টগোলের মধ্যে হাতে হ্যান্ডকাফ পরা অবস্থায় লোকমানকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় গ্রাম পুলিশ সদস্য মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, লোকমানকে পুলিশ আটক করেছিলেন। পরে সেখান থেকে তাকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করা হয়েছে বলে শুনেছি। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, পুলিশের সঙ্গে হট্টগোল সৃষ্টি করে লোকমানকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় কয়েকজন ব্যক্তি জড়িত ছিলেন। তাদের মধ্যে জুম্মা খান, জাহাঙ্গীর খান, আলী হোসেন, মো. আবু তৈয়ব, মো. শাহজাহান ও মুনছুরের নাম উল্লেখ করেন তারা। এ ছাড়া গোবাদিয়া, পশ্চিমচাল ও বারশত এলাকার আরও কয়েকজন ব্যক্তি এ ঘটনায় সহযোগিতা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, পুলিশের একটি দল সেখানে গিয়েছিল। কিন্তু আসামিকে হাতেনাতে ধরা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি যেভাবে প্রচার করা হচ্ছে, সেভাবে ঘটেনি। তিনি একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এনটি
চট্টগ্রামে মোবাইল নিয়ে বিরোধে যুবক খুন
চট্টগ্রামে মোবাইল নিয়ে বিরোধে যুবক খুন Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামে মোবাইলসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ সাকিব নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চান্দগাঁওয়ে এ ঘটনা ঘটে। সাকিব চান্দগাঁওয়ের মোহরা এলাকার মৌলানা ছৈয়দুল হক বাড়ির মো. নাজিম উদ্দিনের ছেলে। শুক্রবার চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় থানায় এখনো মামলা হয়নি। তবে ঘাতকদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুরুল আলম আশেক জানান, ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় সাকিব নামে একজনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাকিবের সঙ্গে মোবাইলসংক্রান্ত বিষয়ে তার পূর্ব পরিচিত অপর একটি গ্রুপের মধ্যে বিরোধ ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে সাবিককে ছুরিকাঘাত করে অপর ব্যক্তি পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা সাকিবকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়।
