গভীর রাতে মুখোশ পরে ঘরে ঢুকে হামলা, ছররা গুলিতে আহত ৩

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

প্রবন্ধে গুলিবিদ্ধ, ছুরি চালনা, লুটপাট এবং পাঁচ লাখ টাকা দাবির সঙ্গে সন্ত্রাসী দলের আক্রমণ বর্ণিত হয়েছে, তাই এটি একটি সাম্প্রতিক হিংসাত্মক ঘটনা।

Reported by:Prothom AloDhaka PostCorroborated · 2 sources
08/10/26•Lusar Baper Tila (Jamir Ali Talukdar House)

Killed

0

Injured

5

Summary

রাতের দিকে চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়ার সরফভাটা ইউনিয়নের লুসার বাপের টিলা এলাকায় সন্ত্রাসীরা গুলিবিদ্ধ ও ছুরি চালিয়ে তিনজনকে আহত করে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে লুটপাট করে। গুলিবিদ্ধ তিনজন এবং দুই শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

মো. গোলাপমো. আসিফমো. মুহাম্মদ সৈয়দমো. হালিমা বেগমমো. হিলাল উদ্দিনবেলায়েত হোসেন

Affected infrastructure

Residential house

Tags

Extremist ViolenceRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 5

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 11/10/26open original ↗

বিয়ের এক বছরের মধ্যে সন্দেহের জেরে স্ত্রীকে হত্যা : স্বামীর স্বীকারোক্তি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চন্দনা রানী শীল হত্যা মামলায় তার স্বামী শিমুল শীল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্ত্রীর সঙ্গে অন্য এক তরুণের সম্পর্ক রয়েছে, এমন সন্দেহ থেকে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে চন্দনা রানী শীল হত্যা মামলায় তার স্বামী শিমুল শীলসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১০ অক্টোবর) চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেনের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন শিমুল। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নজরুল ইসলাম ও ইলিয়াস হোসেন নামের আরও দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর দায়ের করা হত্যা মামলায় শিমুল শীল ও তার ভাই পীযূষ শীলকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে শিমুল হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং নজরুল ও ইলিয়াসের নাম জানান। পরে অভিযান চালিয়ে ভাটিয়ারী ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার চারজনকে গতকাল আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, শিমুল ও তার ভাই পীযূষ কুমিরা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ডাম্পিং স্টেশনে প্রহরীর কাজ করেন। অন্যদিকে নজরুল সিএনজিচালিত অটোরিকশার চালক এবং ইলিয়াস মিনিবাসের চালক। বিদ্যালয়ের পেছনে মিলেছিল মরদেহ গত শুক্রবার সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের টেরিয়াইল এলাকায় টেরিয়াইল উচ্চবিদ্যালয়ের পেছন থেকে চন্দনা রানী শীলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার হাত বাঁধা ছিল। চন্দনা উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পশ্চিম সৈয়দপুর এলাকার তেজেন্দ্র দাশের মেয়ে। ঘটনার পর শুক্রবার বিকেলে টেরিয়াইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিমুল শীলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে একই এলাকা থেকে তার ভাই পীযূষ শীলকেও গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নজরুল ও ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। সন্দেহ ও বিরোধের জেরে হত্যা পুলিশ ও চন্দনার পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, প্রায় এক বছর আগে শিমুল শীলের সঙ্গে চন্দনার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে তারা বিয়ে করেন। তবে বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে চন্দনাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। ঘটনার আগের দিনও নির্যাতনের শিকার হয়ে চন্দনা বাবার বাড়িতে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা। পরে তার স্বামী তাকে আবার ডেকে নিয়ে যান। এর এক দিন পর পরিবারের সদস্যরা চন্দনার মৃত্যুর খবর পান। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, নজরুলের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যাতায়াতের সূত্রে চন্দনার সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল। এ নিয়ে শিমুলের মনে সন্দেহ তৈরি হয় এবং স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। জবানবন্দিতে যা বলেছেন শিমুল পুলিশ জানায়, আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে শিমুল বলেছেন, তার স্ত্রী চন্দনা রানীর সঙ্গে নজরুলের সম্পর্ক রয়েছে বলে তিনি সন্দেহ করতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। ঘটনার দিন রাতে তিনি এ বিষয়ে চন্দনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ওই সময় নজরুলও সেখানে ছিলেন। একপর্যায়ে চন্দনা মামলা করার হুমকি দিলে শিমুল, নজরুল ও নজরুলের বন্ধু ইলিয়াস মিলে তাকে হত্যা করেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন শিমুল। পুলিশের দাবি, সন্দেহ ও এ নিয়ে সৃষ্ট বিরোধের জেরেই চন্দনাকে হত্যা করা হয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে আরও যাচাই করা হবে। এমআর/আরএফ

Source 2: Prothom Alo · 10/10/26open original ↗

গভীর রাতে মুখোশ পরে ঘরে ঢুকে হামলা, ছররা গুলিতে আহত ৩

চট্টগ্রাম জেলার মানচিত্র চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের কোপে একই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া মারধরে আহত হয়েছে ওই পরিবারের দুটি শিশু। গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার সরফভাটা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের লুসার বাপের টিলা এলাকার জামির আলী তালুকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। তবে গতকাল শুক্রবার রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বিষয়টি জানাজানি হয়। পুলিশ জানায়, মুখোশ পরে এসে সন্ত্রাসীরা ঘরটিতে হামলা চালায়। ছররা গুলি ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত তিনজন হলেন মো. গোলাপ (৪৫), তাঁর ছেলে মো. আসিফ (১৪) ও বড় ভাই মোহাম্মদ সৈয়দ (৫৫)। তাঁদের মধ্যে দুজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। মারধর করা হয়েছে মো. গোলাপের তিন বছর বয়সী শিশুসন্তান মোহাম্মদ এবং পাঁচ বছর বয়সী মুহাম্মদ রাকিবকেও। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানায়, মুখোশ পরে এলেও হামলাকারীরা এলাকার চিহ্নিত একটি সন্ত্রাসী দলের সদস্য। তারা গভীর রাতে সশস্ত্র অবস্থায় ঘরে ঢুকে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে। তবে টাকা না পেয়ে ঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে। এ সময় ঘরের তিন সদস্যকে ছররা গুলিতে আহত করে সন্ত্রাসীরা। একই সঙ্গে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুঁপিয়েও ওই তিনজনকে আহত করা হয়। পরে ঘরে থাকা বেশ কিছু নগদ টাকা, মুঠোফোন এবং স্বর্ণালংকার লুট করে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। আহত মো. গোলাপের স্ত্রী হালিমা বেগম বলেন, তাঁর স্বামীর ডানহাতে ছররা গুলি লেগেছে। এর মধ্যেই ওই হাতে চায়নিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। তাঁর ছেলে আসিফেরও বাঁ হাতের কবজিতে জখম করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, সন্ত্রাসীদের ভয়ে হামলার ঘটনাটি সকালে পুলিশকে জানায়নি পরিবারটি। পরে বাসিন্দাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে অবস্থান করায় আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত কেউ মামলা করতে পারেনি। আরও পড়ুন চট্টগ্রামে সরফভাটায় চলে ‘সন্ত্রাসীদের শাসন’ ১৩ আগস্ট ২০২৬ রাঙ্গুনিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) বেলায়েত হোসেন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, কী কারণে এই হামলার ঘটনা, তা স্পষ্ট নয়। ভুক্তভোগী পরিবারকে মামলা করতে বলা হয়েছে। তবে চিকিৎসার কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁরা থানায় আসতে পারেননি। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হিলাল উদ্দিন বলেন, তিনজনকে ছররা গুলির পাশাপাশি কুপিয়ে জখম করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা হয়নি। জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলাচট্টগ্রামঅপরাধচট্টগ্রাম বিভাগগুলি