রাজশাহীতে টেন্ডার বাক্স ছিনতাই, যুবদলের দুই নেতাকে শোকজ
Why this classification
A Jubo Dal leader forcibly snatched a tender box from the Rajshahi Development Authority building in front of police on 5 May 2026, after BNP and Swechchhasebak Dal activists demanded that earlier bids be cancelled. This is a concrete, recent physical act of force linked to a political faction. No one was reported injured, so the severity is low.
Killed
0
Injured
0
Summary
৫ মে ২০২৬ সকালে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) ভবনে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের দাবির মুখে এক যুবদল নেতা পুলিশের সামনেই টেন্ডার বাক্স ছিনিয়ে নেন। এ ঘটনায় ১৮ নম্বর ওয়ার্ড (দক্ষিণ) যুবদলের আহ্বায়ক মো. ধলু ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
80% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
রাজশাহীতে টেন্ডার বাক্স ছিনতাই, যুবদলের দুই নেতাকে শোকজ
রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (আরডিএ) ভবনে পুলিশের সামনেই টেন্ডার বাক্স ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় যুবদলের দুই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে মহানগর যুবদল। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে আরডিএ ভবনে টেন্ডার বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনাটি ঘটে। আরডিএ সূত্রে জানা যায়, কয়েকটি শৌচাগার, দুটি পুরোনো বিলবোর্ড, আরডিএ পার্কের ২৭টি গাছ, ঢাকা লিয়াজো অফিসের পাঁচটি সোলার প্যানেল, ১৪টি ব্যাটারি ও লিফটের ভাঙা যন্ত্রাংশসহ কিছু পুরোনো সামগ্রী বিক্রির জন্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। গত ২৭ এপ্রিল থেকে দরপত্র গ্রহণ শুরু হয় এবং মঙ্গলবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দাখিলের শেষ সময় ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা দরপত্র জমা দিতে এসে দাবি তোলেন- আগে জমা পড়া দরপত্র বাতিল করে শুধু তাদের দরপত্র গ্রহণ করতে হবে। আরডিএ কর্মকর্তারা বোঝানোর চেষ্টা করলেও ১৮ নম্বর ওয়ার্ড (দক্ষিণ) যুবদলের আহ্বায়ক মো. ধলু পুলিশের সামনে থেকেই টেন্ডার বাক্স নিয়ে অফিসের করিডরে চলে যান। পরে বাক্সটি পুলিশকে ফেরত দেওয়া হয়। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, বাক্স ছিনতাইয়ের সময় পুলিশ নির্বিকার দাঁড়িয়ে ছিল। ঘটনাস্থলে ১৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনকে দেখা যায়। বাক্স ফেরত পাওয়ার পর দুপুর আড়াইটায় খুলে চারটি গ্রুপে মোট নয়টি দরপত্র পাওয়া যায়। মাত্র আড়াই লাখ টাকার এই সামগ্রী কিনতে প্রায় ৪৫০ জন শিডিউল কিনেছিলেন। আরডিএর সহকারী প্রকৌশলী কাজী আসাদুজ্জামান বলেন, পুলিশের সামনেই দরপত্র বাক্স ছিনতাই হয়েছে। বাক্স থেকে অন্য দরপত্র বের করে দেখা হয়েছে, সেগুলো পরে বাক্সে ঢোকানো হয়েছে কিনা জানি না। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শাহমখদুম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বলেন, তারা ভুল বুঝে বাক্স নিয়ে গিয়েছিল এবং পরে ফেরত দিয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শোকজ পাওয়া দুই নেতা হলেন- ১৮ নম্বর ওয়ার্ড (দক্ষিণ) যুবদলের আহ্বায়ক মো. ধলু ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল ইসলাম। তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রবির কাছে সশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। ব্যাখ্যা না দিলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে জানানো হয়েছে। মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম জনি জানান, ব্যাখ্যা শোনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শাহিনুল আশিক/আরএআর
পুলিশের সামনেই টেন্ডার বাক্স ছিনতাই
পুলিশের সামনেই টেন্ডার বাক্স ছিনতাই Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ০৫ মে ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম পুলিশের সামনেই টেন্ডার বাক্স ছিনতাই রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) ব্যবহার অযোগ্য মালামাল নিলামে বিক্রির একটা টেন্ডার বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। টেন্ডারবাজরা পুলিশের সামনে থেকেই টেন্ডার বাক্সটি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। পরে পুলিশ টেন্ডারবাজদের অনুনয় বিনয় করে বাক্সটি ফেরত আনে। মঙ্গলবার সকালের দিকে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে রেষারেষির জের ধরে এ বাক্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে বলে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও আরএমপির শাহমখদুম থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এ ঘটনায় নগরীতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। আরডিএর একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অতীতে কখনো কোনদিন আরডিএ ভবনে টেন্ডার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেনি। এই প্রথম টেন্ডারবাজরা টেন্ডার বাক্স ছিনতাই করে ভবনের বাহিরে নিয়ে গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ এপ্রিল ব্যবহার অযোগ্য মালামাল নিলামের চার গ্রুপের নিলাম বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রকৌশল শাখা। মঙ্গলবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দরপত্র দাখিলের সময়সীমা ছিল। চার গ্রুপের এই নিলাম দরপত্রে ৪৫০টি সিডিউল বিক্রি হয়। সিডিউল জমাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের নেতাকর্মীরা আরডিএ ভবনে ভিড় করেন মঙ্গলবার সকাল থেকেই। এরপর এক গ্রুপ টেন্ডার বাক্স ছিনতাই করে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিএনপির একদল নেতাকর্মী আরডিএ ভবনে প্রবেশ করেন। নিচতলায় রক্ষিত টেন্ডার বাক্সটি তারা উল্টেপাল্টে দেখে। একপর্যায়ে বাক্সটি নিয়ে ভবনের বাহিরে যায়। ঘটনার সময় শাহমখদুম থানার একজন উপ-পরিদর্শকের (এসআই) নেতৃত্বে ৪ জন পুলিশ সদস্য টেন্ডার বাক্স পাহারা দিচ্ছিলেন। টেন্ডার বাক্স তুলে নিয়ে ভবনের বাহিরে গেলেও পুলিশ কাউকে বাধা প্রদান করেনি। অন্যদিকে বিএনপির আরেকদল নেতাকর্মী সকাল পৌনে ১০টার দিকে আরডিএ ভবনে গিয়ে দেখেন টেন্ডার বাক্স নেই। তারা পুলিশদের কাছ থেকে জানতে পারেন টেন্ডার বাক্স ছিনতাই করে ভবনের বাহিরে নিয়ে গেছে তাদেরই দলের নেতাকর্মীরা। এ সময় ভবনের সামনে ও নিচতলায় বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন আরডিএ ভবনে যান। ছিনতাইকারীদের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ করে এক ঘণ্টা পর টেন্ডার বাক্সটি ফেরত আনেন। টেন্ডার বাক্স ছিনতাইকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ ও আরডিএর প্রকৌশল শাখা সূত্রে জানা গেছে। রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সহকারী প্রকৌশলী শেখ কামরুজ্জামান জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে উদ্ধার হওয়া টেন্ডার বাক্সটি খোলা হয়। যাচাই-বাছাইয়ের সময় বেশ কিছু দরপত্রে কাটাকাটির চিহ্ন পাওয়া গেছে। টেন্ডারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পর্যালোচনার পর কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। হাবিবুর রহমান নামের একজন দরপত্র দাখিলকারী অভিযোগে বলেন, ছিনতাইয়ের পর দুর্বৃত্তরা নিজেদের পছন্দের দরপত্র দরদাতাকে সুবিধা দিতে অন্যদের সিডিউল কাটাকাটি করে পুনরায় বাক্সে জমা দিয়েছে। মোট ৪৫০টি শিডিউল বিক্রি হলেও শেষপর্যন্ত জমা পড়েছে মাত্র ২০টি। সাধারণ দরপত্র দাখিলকারীরা পুনরায় টেন্ডার আহ্বানের অনুরোধ করেছেন। ঘটনার বিষয়ে আরএমপির শাহমখদুম থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরস্পরের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে টেন্ডার বাক্সটি তারা নিয়ে গিয়েছিল। পুলিশের অনুরোধে পরে তা ফেরত দিয়েছেন। তবে ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আরডিএ কর্তৃপক্ষ চাইলে মামলা করতে পারেন। তারা মামলা না করলে পুলিশই আইনি পদক্ষেপ নেবে। তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। ফুটেজ দেখে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
