স্ত্রীকে দিয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ, ১৩ বছরের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা
Why this classification
This is a specific, recent incident in Charfasson, Bhola, where a 55-year-old neighbour raped a 13-year-old girl, who became pregnant. Villagers then detained him at his house and severely beat him before handing him to police, which is a physical attack that qualifies as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
ভোলার চরফ্যাশনে প্রতিবেশী রফিক (৫৫) চার মাস আগে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেন, যাতে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। ঘটনা জানাজানি হলে শনিবার রাতে গ্রামবাসী রফিককে তার বাড়ি থেকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণ, অভিযুক্তের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন ভুক্তভোগী
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় রাতের আঁধারে বসতঘরে ঢুকে তিন সন্তানের এক জননীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী ইমাম সর্দার (৩৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এসময় নিজেকে রক্ষা করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গ কেটে দিয়েছেন ভুক্তভোগী নারী। বিষয়টি জানাননির পর ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে চরফ্যাশন উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করেছে পুলিশ। শনিবার (৩০ মে) ভোরে চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর কলমি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তারকৃত ইমাম সর্দার ওই একই গ্রামের বাসিন্দা মজিদ সর্দারের ছেলে এবং তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রেশিয়ান বলেও জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে স্থানীয় থানায় ইমাম সর্দারকে প্রধান আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারী প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতেও নিজেদের ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। এই ফাঁকে আসামি ইমাম সর্দার কৌশলে ওই নারীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের একপর্যায়ে ওই নারী নিজের আত্মরক্ষার্থে তার হাতের কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ইমাম সর্দারের গোপনাঙ্গে আঘাত করলে অভিযুক্ত তাৎক্ষণিক দৌড়ে পালিয়ে যান। পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ অভিযান চালিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর আহত ইমাম সর্দারকে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায় পুলিশ। এছাড়া ইমাম সর্দার ভুক্তভোগী নারীর পরিবারের পূর্বপরিচিত এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন বলেও জানা যায়। এবিষয়ে দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আহসান কবির ঢাকা পোস্টকে বলেন, ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। আমরা অভিযান চালিয়ে আসামি ইমাম সর্দারকে গ্রেপ্তার করে চিকিৎসার জন্য চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করিয়েছি। পুলিশ পাহাড়ায় তার চিকিৎসা চলছে। ভুক্তভোগী নারী নিজেকে রক্ষা করতে তার হাতের কাছে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গে আঘাত করেন। তিনি আরও বলেন,ভুক্তভোগী নারীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ মামলার পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি। মো.খাইরুল ইসলাম/এসএইচএ
স্ত্রীকে দিয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ, ১৩ বছরের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা
স্ত্রীকে দিয়ে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ, ১৩ বছরের কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা Advertisement চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৬:১৬ পিএম প্রতীকী ছবি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় স্ত্রীকে দিয়ে বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন ১৩ বছরের এক কিশোরীকে। এতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে ওই কিশোরী। এ ঘটনায় অভিযুক্ত রফিক নামে একজনকে তার বাড়িতে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন জনতা। ভিকটিম কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে অভিযুক্ত রফিক মিয়াকে আসামি করে চরফ্যাশন থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর তাকে গ্রেফতার করে রোববার সকালে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্ত রফিক ওই গ্রামের মৃত আলম মেকারের ছেলে। কিশোরী জানায়, তার বাবা একজন হোটেল কর্মচারী। চরফ্যাশন পৌরসভায় ভাড়াবাসায় পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। অভিযুক্ত মোহাম্মদ রফিক (৫৫) তাদের প্রতিবেশী। চার মাস আগে রফিক কৌশলে তাকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। ঘরে ঢুকলে তাকে প্রথম দফায় জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে তাকে একটি ওষুধ খাইয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন এবং কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয় দেখান। ভয়ে সে বিষয়টি নিয়ে চুপ থাকেন। এরপর দিন দিন রফিকের লালসার শিকারে পরিণত হয় সে। প্রায় সময়ই তার স্ত্রীকে দিয়ে কিশোরীকে ডেকে নিয়ে যেতেন। স্ত্রী তার স্বামীর হাতে তুলে দিতেন তাকে। চার মাস পর বিষয়টি মা আঁচ করতে পেয়ে কিশোরীর কাছে জানতে চান। কিশোরী তার মাকে পুরো ঘটনাটি জানায়। মা পুরো ঘটনাটি জেনে মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিষয়টি গোপন রেখে মেয়েকে গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত নেন। শনিবার রাতে এক নার্সের মাধ্যমে গর্ভপাত ঘটানো হয়। পরে মেয়ের অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়লে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। এ সময় গ্রামবাসী রফিককে তার বাড়ি থেকে আটক করে গণধোলাই শেষে পুলিশে সোপর্দ করেন। কিশোরীর খালা জানান, প্রথমে বিষয়টি আমাদের নজরে আসেনি। মেয়ের শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন দেখে তাকে ডাক্তার দেখানো হয়। পরে বিস্তারিত জানতে পারি। অভিযুক্ত রফিক পুলিশ হেফাজতে থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। মেয়েটি চরফ্যাশন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এলাকাবাসী রফিকের সঠিক বিচার দাবি করছেন। চরফ্যাশন থানার ওসি মাহামুদ আল ফরিদ ভুঁইয়া জানান, ভিকটিম কিশোরী চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদলতে সোপর্দ করেছে।
