স্কুলছাত্রী রিয়া হত্যায় প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

A 14-year-old...

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
02/06/26•পূর্ব রাঘবপুর (হত্যা) ও বলরামপুর, ভাড়ারা ইউনিয়ন, পদ্মা নদী (লাশ ফেলার স্থান)

Killed

1

Injured

0

Summary

পাবনা শহরের স্কুলছাত্রী রিয়া খাতুনকে গলা টিপে হত্যার পর লাশ বস্তাবন্দি করে পদ্মা নদীতে ফেলার অভিযোগে তার কথিত প্রেমিক নাঈমসহ তিনজন গ্রেপ্তার হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে ২০২৬ সালের ২ জুন (মঙ্গলবার) এবং ৩ জুন (বুধবার) লাশ উদ্ধার হয়; পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী আর্থিক লেনদেনের বিরোধ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

রিয়া খাতুন (নিহত স্কুলছাত্রী)মো. নাঈম (কথিত প্রেমিক, গ্রেপ্তার)ইয়াসিন শেখ (গ্রেপ্তার)মো. তুহিন প্রামানিক (গ্রেপ্তার)পুলিশ সুপার মো. ছুফিউল্লাহ

Affected infrastructure

সাদা রঙের প্রাইভেটকার (লাশ গুমে ব্যবহৃত, জব্দ)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 04/06/26open original ↗

স্কুলছাত্রী রিয়া হত্যায় প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩

স্কুলছাত্রী রিয়া হত্যায় প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩ পাবনা অফিস প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬ | ০৮:০২ | প্রিন্ট সংস্করণ পাবনার পদ্মা নদী থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক কিশোরীর লাশের রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহত কিশোরীর কথিত প্রেমিকসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধের জেরে কিশোরীকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ গুম করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত রিয়া খাতুন পাবনা শহরের পূর্ব রাঘবপুর এলাকার মো. আজিজুল প্রামানিকের মেয়ে এবং স্থানীয় মাওলানা কাসিমুদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। গ্রেপ্তাররা হলেন, পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের মো. নাঈম, ইয়াসিন শেখ ও মো. তুহিন প্রামানিক। গতকাল বুধবার দিনভর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় লাশগুমে ব্যবহৃত সাদা রঙের একটি প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে। জানা গেছে, রিয়ার সঙ্গে নাঈমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে রিয়া নাঈমের বাড়িতে যায়। সেখানে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নাঈম তাঁকে গলা টিপে হত্যা করে। ঘটনা ধামাচাপা দিতে দুই সহযোগী ইয়াসিন ও তুহিনকে নিয়ে রিয়ার হাত বেঁধে লাশ বস্তাবন্দি করে। এরপর মঙ্গলবার গভীর রাতে একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকারে করে লাশ নিয়ে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর এলাকার পদ্মা নদীতে ফেলে দেয়। পুলিশ জানায়, লাশ ফেলে ফেরার পথে প্রাইভেটকারটি বিকল হয়ে পড়লে স্থানীয়দের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। ওই সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়। বুধবার সকালে পদ্মার চরে কৃষকেরা কাজ করতে গিয়ে নদীর তীরে একটি নৌকার পাশে ভাসমান বস্তা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হাত বাঁধা এবং গলায় ব্যাগ পেঁচানো অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। প্রথমে পরিচয় নিশ্চিত না হলেও গলায় থাকা রূপার চেইনের সূত্র ধরে স্বজনরা রিয়াকে শনাক্ত করেন। ঘটনার পর পুলিশ সুপার মো. ছুফিউল্লাহর নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), ডিএসবি ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সুপার মো. ছুফিউল্লাহ বলেন, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো কারণ বা অন্য কেউ জড়িত আছে কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ - বিষয় : - গ্রেপ্তার

Source 2: Jugantor · 04/06/26open original ↗

স্কুলছাত্রী রিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে প্রেমিক নাঈম

পাবনায় উদ্ধার বস্তাবন্দি লাশের রহস্য উন্মোচন স্কুলছাত্রী রিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে প্রেমিক নাঈম Advertisement পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় লাশ বহনকারী গাড়ি ঠেলে দিয়েছিলেন স্থানীয়রা। সেই সূত্রে পাবনার পদ্মা থেকে বুধবার সকালে হাত-পা বাঁধা এবং বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার লাশের হত্যারহস্য উদ্ঘাটিত হয়। লাশটি রিয়া খাতুন (১৫) নামের এক কিশোরীর। রিয়া পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের আজিজুল প্রামাণিকের মেয়ে এবং মাওলানা কাসিমুদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং আর্থিক লেনদেনের বিরোধের জেরে প্রেমিক নাঈম তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে বন্ধুদের সহযোগিতায় লাশ বস্তায় ভরে প্রাইভেট কারে করে পদ্মায় ফেলে দেয়। এ হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী নাইমসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। উদ্ধার করা হয়েছে লাশ বহনে ব্যবহৃত গাড়ি। গ্রেফতাররা হলো-পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের মৃত কাশেম প্রামাণিকের ছেলে মো. নাঈম এবং তার দুই সহযোগী একই গ্রামের শফিক শেখের ছেলে ইয়াসিন শেখ এবং শিমুল প্রামাণিকের ছেলে তুহিন প্রামাণিক। জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে রিয়া নাঈমের বাসায় যান। সেখানে উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে নাঈম রিয়াকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ লুকাতে সে তার বন্ধু ইয়াসিন এবং তুহিনকে ডেকে আনে। তারা রিয়ার লাশ বস্তায় ভরে পদ্মায় ফেলতে যায়। তীরে নিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। তখন গাড়ির ভেতরে লাশ থাকা অবস্থাতেই চার যুবককে গাড়ি ঠেলতে দেখে স্থানীয়রা এগিয়ে আসেন। তারা গাড়িটি বলরামপুর মুজিব বাঁধ পর্যন্ত পৌঁছে দেন। তবে যুবকদের আচরণে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। সন্দেহের সূত্রে ঘটনার জট খুলে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় পাবনা পুলিশ সুপার সুফী উল্লাহ নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার সবাই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে।