দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে ধর্ষণ, ২ জনের লাশ উদ্ধার

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This is a single, specific incident in Pabna within the last few days, in which a 65-year-old woman was killed and her 15-year-old granddaughter was raped and then killed. Two bodies were recovered by police on 28 February 2026, so this is a confirmed violent crime with fatalities.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
28/02/26•ভবানীপুর উত্তরপাড়া, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন

Killed

2

Injured

0

Summary

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়ায় ২৭ ফেব্রুয়ারি দিবাগত মধ্যরাতে সুফিয়া খাতুন (৬৫)-কে হত্যা করে তাঁর নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)-কে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ধারণা করা হচ্ছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে পুলিশ দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে এবং ময়নাতদন্ত ও তদন্ত চলছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 9

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Sufiya Khatun (65), victim, grandmotherJamila Akter (15), victim, granddaughterSohel Rana, relative who spoke to the pressMominuzzaman, OC of Ishwardi Thana PolicePronob Kumar, Additional Superintendent of Police, Ishwardi Circle

Tags

RapeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 28/02/26open original ↗

মধ্যরাতে দাদিকে হত্যা, নাতনির মরদেহ পাওয়া যায় সরিষা ক্ষেতে

মধ্যরাতে দাদিকে হত্যা, নাতনির মরদেহ পাওয়া যায় সরিষা ক্ষেতে নিহতদের স্বজনদের আহাজারি (ছবি-সেলিম সরদার) পাবনা অফিস ও ঈশ্বরদী প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১২:১৮ | আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৩:০৬ পাবনার ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়ায় মধ্যরাতে বাড়িতে ঢুকে সুফিয়া খাতুন (৬৫) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে ওই বাড়ি থেকে বৃদ্ধার নাতনি জামিলা আক্তারকে (১৫) তুলে নেওয়া হয়। পরে তার মরদেহ পাওয়া যায় বাড়ির কাছে সরিষা ক্ষেতে। তাকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় এ ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মমিনুজ্জামান। নিহতরা ভবানীপুর উত্তরপাড়ার জয়নাল খাঁ’র মা ও মেয়ে। জয়নাল খাঁ ঢাকায় থাকেন। জামিলা আক্তার উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে পড়েন। ওই মাদ্রাসাতেই থাকতেন। মাদ্রাসা ছুটি হওয়ায় বাড়িতে আসে জামিলা আক্তার। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। জামিলা ও সুফিয়া খাতুনকে পৃথক স্থানে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করেছে। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মরদেহ দুটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর ঘটনা সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নার আওয়াজ শুনে বাড়ির বাইরে বের হন স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে বাড়িতে চলে যান তারা। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। জামিলাকে খোঁজাখুজির একপর্যায়ে বিবস্ত্র অবস্থায় সরিষার ক্ষেতে তার মরদেহ পাওয়া যায়।    পুলিশ ও স্থানীয়দের ধারণা, মধ্যরাতে নাতনিকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়ার সময় বাধা দিলে প্রথমে সুফিয়া খাতুনকে হত্যা করা হয়। নাতনিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সরিষা ক্ষেত্রে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা।  শনিবার সকালে ওই এলাকায় গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মধ্যরাতে ওই বাড়ি থেকে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শোনা যায়। কান্নার শব্দে আশেপাশের প্রতিবেশীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেও কান্না থেমে যাওয়ায় তারা আবার ফিরে যান। পরে সকালে বাড়ির আঙিনায় সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পাওয়া যায়। জামিলাকে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিবস্ত্র অবস্থায় সরিষাক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতদের আত্মীয় সোহেল রানা বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি জামিলাকে এর আগে স্থানীয় কয়েকজন বখাটে পথে ও মাদ্রাসায় গিয়ে উত্ত্যক্ত করতো। মাদ্রাসা ছুটির পর জামিলা বাড়িতে আসে। তার বাবা জয়নাল খাঁ ঢাকায় থাকার সুযোগে শুক্রবার রাতে জামিলাকে অপহরণ ও ধর্ষণ করার উদ্দেশ্যে তাদের বাড়িতে আসে দুর্বৃত্তরা। সে সময় সুফিয়া খাতুন টের পেলে প্রথমে তাকে হত্যা করে বখাটেরা। পরে জামিলাকে জোর করে তুলে নিয়ে বাড়ির কাছে সরিষা ক্ষেতে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়।’ নিহত সুফিয়া খাতুনের মেয়ে তাছলিমা খাতুন ও নাতি সাগর হোসেন রনি বলেন, ‘এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। আমরা এ হত্যার বিচার চাই।’

Source 2: Jugantor · 28/02/26open original ↗

দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে ধর্ষণ, ২ জনের লাশ উদ্ধার

দাদিকে হত্যা করে নাতনিকে ধর্ষণ, ২ জনের লাশ উদ্ধার Advertisement ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৫ পিএম পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিতে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ছবিঃ যুগান্তর পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে দাদিতে হত্যা করে নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ পরবর্তী হত্যার ঘটনা ঘটেছে। পৃথক জায়গা থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে দিবাগত মধ্যরাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ভবানিপুর উত্তরপাড়ার জয়নাল খার মা সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও মেয়ে জামিলা আক্তার (১৫)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানা পুলিশের ওসি মো. মমিনুজ্জামান। জানা গেছে, মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে রাস্তায় বের হন স্থানীয়রা। পরে কান্নার আওয়াজ থেমে গেলে তারা বাড়িতে চলে যান। আজ শনিবার সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। জামিলাকে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বিবস্ত্র অবস্থায় সরিষার ক্ষেতে তার লাশ পাওয়া যায়। ঘটনার সময় মেয়েটির বাবা ঢাকায় আরেক মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ছিলেন। সোহেল রানা নামের এক নিকট আত্মীয় জানান, গতকাল রাতে ওই মেয়েকে ধর্ষণ করতে আসে। কিন্তু দাদি টের পেয়ে যাওয়াতে দাদিকে হত্যা করে। পরে মেয়েকে অপহরণ করে সরিষা ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। কে বা কারা এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জামেলাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ফরেনসিক পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।  ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, এমন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত না হলে সমাজে অপরাধ প্রবণতা আরও বাড়বে। এ বিষয়ে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে এবং প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। দ্বৈত হত্যাকাণ্ডের এই মর্মান্তিক ঘটনা শুধু ভবানীপুর গ্রাম নয়, পুরো অঞ্চলের মানুষকে নাড়া দিয়েছে। নিরপরাধ এক তরুণী ও তার বৃদ্ধ দাদির নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি এখন সবার মুখে মুখে। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।