দক্ষিণখানে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, মালপত্র লুট
Why this classification
This is a recorded violent crime resulting in a fatality and property theft, meeting the criteria for violent incident tracking.
Killed
1
Injured
0
Summary
রাজধানীর দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকায় সারা রোকসানা পিনু (৪২) নামের এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় ঘর থেকে মালপত্রও লুট করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
দক্ষিণখানে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, মালপত্র লুট
দক্ষিণখানে গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা, মালপত্র লুট সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬ | ০৩:২৫ রাজধানীর দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ এলাকার বাসায় এক গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় বাসার মালপত্রও লুট করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ফায়দাবাদ এলাকার জামতলা গলির একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম সারা রোকসানা পিনু (৪২)। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ জানান, পিনুর এক মেয়ে। মেয়েকে নিয়ে ওই বাসায় স্বামী সোহেল রানার সঙ্গে থাকতেন তিনি। গতকাল বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পিনুর মেয়ে স্কুল থেকে ফিরে জানালার গ্রিল কাটা দেখতে পায়। ঘরে ঢুকে মাকে বিছানায় মুখের ওপর বালিশ দেওয়া অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। ডাকাডাকিতে সাড়া না পেয়ে সে স্কুলে গিয়ে প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি জানায়। পরে তাঁর বাবাকে জানালে তিনি পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বাসায় গৃহবধূর মরদেহ বিছানায় পড়ে ছিল। বাসার মালপত্র লুটের আলামতও পাওয়া গেছে। মির্জা তারেক আহমেদ বেগ বলেন, গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। লুটপাটের উদ্দেশ্যে ঘরে ঢুকে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। হত্যায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।
বাড্ডায় শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা, বাবা আটক
রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন বড় বেড়াইদ পশ্চিম ঋষিপাড়া এলাকায় শ্বাসরোধে মো. হাবিবুল্লাহ (৩) নামে এক শিশুকে হত্যা করেছেন শিশুটির বাবা। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. শাহীন মিয়াকে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে জুলহাস মিয়ার বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জামাল হোসেন জানান, ওই বাসায় রিকশাচালক শাহীন মিয়া তার স্ত্রী শিল্পী খাতুন ও দুই ছেলে সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময় বড় ছেলে বাসায় ছিল না এবং শিশুটির মা ওষুধ কিনতে বাইরে গিয়েছিলেন। তিনি আরও জানান, কিছুক্ষণ পর বাসায় ফিরে শিল্পী খাতুন রুমের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। ডাকাডাকি করেও দরজা না খোলায় বাড়িওয়ালা ও স্থানীয়দের সহায়তায় চাপ প্রয়োগ করা হলে শাহীন দরজা খুলে দেন। এ সময় তিনি নিজেই স্বীকার করেন যে, ঘরের ভেতরে তার ছেলেকে তিনি হত্যা করেছেন। পরে সবাই ঘরে ঢুকে বিছানার ওপর শিশুটিকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান এবং শাহীনকে আটক করে রাখেন। পরে খবর পেয়ে রাত ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত শাহীনকে থানায় নিয়ে যায়। এসআই জামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শাহীন তার ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পরিবার ও প্রতিবেশীদের কাছ থেকে জানা গেছে, শিশুটির বাবা মাদকাসক্ত ছিলেন এবং মাদকের টাকার জন্য স্ত্রীকে চাপ দিতেন। এ নিয়ে প্রায়ই দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। তবে কী কারণে তিনি নিজের সন্তানকে হত্যা করেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট কোনো তথ্য জানা যায়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এসএএ/জেডএস
পাওনা টাকার কথা বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩
পাওনা টাকার কথা বলে ডেকে নিয়ে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার ৩ Advertisement কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ১২:০৫ পিএম প্রতীকী ছবি ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে পাওনা টাকার কথা বলে এক গৃহবধূকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ভুক্তভোগীর স্বামী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার এক ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতাররা হলেন— মো. লিটন (৪০), ইউসুফ হোসেন ফারুক (৫৭) ও মো. ইয়াসিন (২২)। তারা সবাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সেন্টার গলি এলাকার একটি ভাড়া বাসায় স্বামীর সঙ্গে বসবাস করেন। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তিনি পূর্ব পরিচিত নাদিমের কাছ থেকে পাঁচ হাজার টাকা ধার নেন। ওই টাকার জামিনদার ছিলেন অভিযুক্ত লিটন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাওনা টাকার বিষয়ে কথা বলার জন্য লিটন, ফারুক ও ইয়াসিন ওই গৃহবধূকে বাসা থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে যান। পরে তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যান। সেখানে প্রথমে লিটন ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। পরে তার সহযোগী অন্য দুইজনও পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে আরও কয়েকজন পাহারায় ছিলেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর স্বামী বলেন, ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেন অভিযুক্তরা। পরে রাত ৯টার দিকে আমার স্ত্রীকে বাসার সামনে পৌঁছে দিয়ে যান। বাসায় ফিরে পুরো ঘটনা আমাকে জানায় আমার স্ত্রী। আমি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি সাইফুল আলম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলা নেওয়া হয়েছে। এক ঘণ্টার মধ্যেই তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।
