শিশু শিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে বেত্রাঘাত, ভিডিও ভাইরাল
Why this classification
The article reports concrete physical abuse and torture of young students by a teacher inside a madrasa, substantiated by viral video evidence showing children being beaten and chained.
Killed
0
Injured
2
Summary
লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভার আলেকজান্ডার মাদরাসায়ে বাবুত তাকওয়া নামক প্রতিষ্ঠানে শিশু শিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে এবং বেত্রাহত করে শারীরিক নির্যাতন চালানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হলেও প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহ নীরব পলাতক রয়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Islami Andolan Bangladesh
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শিশু শিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে বেত্রাঘাত, ভিডিও ভাইরাল
মাদরাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে শারিরীক নির্যাতনের একের পর এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ছে। এমন অমানবিক ঘটনা ঘটে আসছে লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলেকজান্ডার মাদরাসায়ে বাবুত তাকওয়া নামে একটি প্রতিষ্ঠানে। এদিকে ভিডিও ভাইরালের পর থেকে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক ও ইসলামী আন্দোলন রামগতি পৌরসভার সভাপতি হাবিবুল্লাহ নীরবের বিরুদ্ধে নানা সমালোচনাসহ ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠছেন স্থানীয়রা। যেকোনো সময় অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, যে শিক্ষক ঘটনাটি ঘটিয়েছে, তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও প্রতিবেদকের হাতেও এসেছে। এর একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে শিশু শিক্ষার্থী আদনানকে এলোপাথাড়ি চড়-থাপ্পড় দেওয়া হচ্ছে। একপর্যায়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরে স্কেল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতেও দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে এক শিশুকে দেওয়ালের সঙ্গে ধরে মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করার দৃশ্য দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করতে দেখা গেছে। এছাড়া দুটি ছবিতে দেখা যায় দুটি শিশুকে জানালার সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার দৃশ্য। আর এসব ঘটনা অন্য শিক্ষকরা বসে বসে দেখতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসাটিতে পড়ালেখার নামে শিশু শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। কারণে অকারণে শিক্ষার্থীদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখারও অভিযোগ উঠেছে। এসব অমানবিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা। অভিভাবকদের অভিযোগ, শিক্ষকরা শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করছে। ভয়ে তারা বাড়িতে এসে বলতো না। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর শিক্ষকদের নিষ্ঠুরতা সামনে আসে। এ ঘটনায় জড়িত শিক্ষকদের বিচারের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন অভিভাবকরা। অন্যদিকে মাদরাসার সহকারী শিক্ষক আবদুল মতিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি প্রধান শিক্ষকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চেয়েছেন। একজন শিক্ষক এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে দাবি তার। প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহ নীরব বলেন, একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করেছে। আমরা তাকে বহিষ্কার করেছি। আমি এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দীন বলেন, প্রধান শিক্ষক পলাতক আছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিবাবকরা আমার কাছে এসেছিলেন। তবে কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি। প্রসঙ্গত, মাদরাসাটি ২০২৫ সালে রামগতি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা ভাড়া নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় জামাত পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী সেখানে পড়াশোনা করছে। হাসান মাহমুদ শাকিল/এসএইচএ
