তরুণীদের আটকে পর্নোগ্রাফি তৈরি, স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৫

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as gender-based violence in Noakhali. Parties reported: পর্নোগ্রাফি ও নির্যাতন চক্র, পুলিশ. Reported by 2 sources.

Reported by:SamakalProthom AloCorroborated · 2 sources
06/08/26•কিসমত করিমপুর, চৌমুহনী, বেগমগঞ্জ

Killed

0

Injured

0

Summary

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তরুণীদের জিম্মি করে পর্নোগ্রাফি তৈরি ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২০২৬ সালের ৬ আগস্ট রাতে ৯৯৯-এ কল পেয়ে অভিযান চালিয়ে চার তরুণীকে উদ্ধার করা হয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

89% · severity 4

Parties involved

পর্নোগ্রাফি ও নির্যাতন চক্রপুলিশ

Tags

Sexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 06/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 07/08/26open original ↗

তরুণীদের আটকে পর্নোগ্রাফি তৈরি, স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৫

সারাদেশ তরুণীদের আটকে পর্নোগ্রাফি তৈরি, স্বামী-স্ত্রীসহ আটক ৫ × গ্রেপ্তার ৫ অভিযুক্ত। ছবি: সংগৃহীত নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬ | ২৩:১৯ | আপডেট: ০৭ আগস্ট ২০২৬ | ২৩:১৯ - অ + নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার কিসমত করিমপুর এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে অভিযান চালিয়ে স্বামী-স্ত্রী, তাদের দুই ছেলে এবং আরও একজনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে তরুণীদের দিয়ে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসা ও পর্নোগ্রাফি ভিডিও তৈরি করার অভিযোগ রয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন জেলার চার তরুণীকে উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার বিকেলে আসামিদের নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল আদালতে সোপর্দ করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন, মো. সালাউদ্দিন বিপ্লব, তার স্ত্রী পারভিন আক্তার, দুই ছেলে ফাহাদ হাসান ও আরাফাত ইয়াসিন ফাহিম এবং আব্দুর রহিম। তাদের বাড়ি কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলায় হলেও দীর্ঘদিন ধরে তারা নোয়াখালীতে ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান শুক্রবার সন্ধ্যায় এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে উদ্ধার হওয়া তরুণীদের একজন কৌশলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে সাহায্য চান। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ভিডিও ধারণের ক্যামেরা, ছয়টি মোবাইল ফোন, একটি চাবুক, ছুরি, কাঁচি এবং নগদ ১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া এক তরুণী বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, এক বান্ধবীর মাধ্যমে সালাউদ্দিন বিপ্লবের সঙ্গে পরিচয়ের পর পার্লারে চাকরির আশ্বাসে গত ২ আগস্ট চৌমুহনীতে আসেন। পরে তাকে একটি বাসায় নিয়ে আটকে রাখা হয়, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক যৌন কাজ ও পর্নোগ্রাফিক ভিডিও ধারণ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব ভিডিও অনলাইনের একটি অ্যাপের মাধ্যমে সম্প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা হতো। বাসায় থাকা অন্য কয়েকজন তরুণীকেও দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়েছিল। প্রতিবাদ করলে তাদের শারীরিক নির্যাতন করা হতো। বেগমগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান বলেন, এক তরুণী কৌশল করে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে তাদেরকে উদ্ধারের আকুতি জানানো হয়। ওই তরুণীর ফোন পেয়ে বৃহস্পতিবার অভিযান চালিয়ে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের সন্তানসহ ৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে উদ্ধার হওয়া এক তরুণীর দায়ের করা মামলায় আটকদের শুক্রবার বিকালে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে প্রেরণ করা হয়। উদ্ধারকৃত তরুণীদের আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিষয় : নোয়াখালী পর্নোগ্রাফি আরও পড়ুন সিন্ডিকেট করে কৃষকদের ক্ষতি করলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী বরিশালে ফিতা কেটে বাঁশের সাঁকো উদ্বোধন করলেন বিএনপি নেতা ব্যবসা মন্দা, আশুলিয়ায় ছুটির মধ্যেই ৫৬৫ শ্রমিক ছাঁটাই কিশোরগঞ্জে বাস চাপায় অটোরিকশাচালক নিহত সর্বশেষ তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর আবার গ্রেপ্তা‌র কাজের চেয়েও বেশি ক্লান্ত করে যানজট, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের হোয়াইট হাউস বলরুম প্রকল্পে আদালতের স্থগিতাদেশ সীমান্ত হত্যা ও মোদিবিরোধী আন্দোলনের স্মৃতি না থাকায় নাহিদের ক্ষোভ সিন্ডিকেট করে কৃষকদের ক্ষতি করলে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: আইনমন্ত্রী চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার আরও পড়ুন ×

Source 2: Prothom Alo · 11/08/26open original ↗

নোয়াখালীতে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ, পরিদর্শকসহ পাঁচজন আহত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ থানাফাইল ছবি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় একটি মামলার তদন্তে গিয়ে পুলিশের একটি দল হামলার শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলায় পুলিশের পরিদর্শকসহ (তদন্ত) পাঁচ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মওদুদ স্কুল রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদ, উপপরিদর্শক (এসআই) আরিফ মহিনউদ্দিন, পুলিশ কনস্টেবল মো. ইছাক, মো. ইউছুফ ও শাহাদাত হোসেন। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বসুরহাট পৌরসভার মওদুদ স্কুল রোড এলাকার দারুল ইহছান মাদ্রাসার চেয়ারম্যান মো. নূরুল আবছার ওই এলাকার সাতজনের নাম উল্লেখ করে চাঁদা দাবি, প্রাণনাশের হুমকি ও ক্ষতিসাধনের একটি অভিযোগ করেন থানায়। আজ বেলা তিনটার দিকে অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে যায় কোম্পানীগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মঞ্জুর আহামেদসহ পুলিশের একটি দল। তদন্তের সময় বিবাদী পক্ষের লোকজনের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডা হয় বলে জানা গেছে। সেখানে যাওয়া পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, বিবাদী পক্ষের লোকজন পুলিশের ওপর অতর্কিতে হামলা চালান। তাঁরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন এবং লাঠি দিয়ে আঘাত করে পুলিশ সদস্যদের জখম করেন। এতে অভিযানে থাকা পুলিশ পরিদর্শক মঞ্জুর আহমেদসহ পাঁচ সদস্যের সবাই কমবেশি আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান। এ ঘটনার পর পুলিশ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সরকারি হাসপাতাল এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা হলেন ছেমনা খাতুন, বিয়াধুনি, মনোয়ারা, আয়েশা, অজি উল্লা, আবু সুফিয়ান ও জাবের। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের স্বজন মো. বাবুল দাবি করেন, পুলিশ বাড়ির নারীদের মারধর করেছে। এরপর নারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে সড়কে থাকা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পুলিশ জানায়, মাদ্রাসার নির্মাণাধীন ভবনের জায়গা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বিবাদী পক্ষ জায়গাটিতে পূর্বপুরুষের সম্পত্তি দাবি করে নোয়াখালীর দায়রা জজ আদালতে মামলা করেছে। অপর দিকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জায়গাটি তাদের মালিকানাধীন দাবি করেছে এবং নির্মাণকাজে বাধা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ করেছে থানায়। পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকিম বলেন, চাঁদাবাজির একটি অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়েছিল পুলিশ। সেখানে বাদী পক্ষ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সিসি ক্যামেরা ভাঙচুরের অভিযোগ করে। তখন ভাঙচুরের বিষয়ে জিজ্ঞেস করতেই অভিযুক্ত ব্যক্তিরা অতর্কিতে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে পরিদর্শকসহ (তদন্ত) পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে হামলাকারীদের মধ্যে নারীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন হামলাঅপরাধনোয়াখালীকোম্পানীগঞ্জচট্টগ্রাম বিভাগ