কাফরুলে যুবদল কর্মী গুলিবিদ্ধ, বিএনপি নেতার জড়িতি

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a shooting on 24 July 2026 in Dhaka’s Kafurul area that killed a Jubo League worker and injured two others, with allegations that local BNP leader Sabbir Dewan Jony arranged the attack; therefore it is classified as political violence.

Reported by:SamakalSingle source
24/07/26•Mirpur-13 C Block, near Opex Garments

Killed

1

Injured

2

Summary

২৪ জুলাই কাফরুল, ঢাকা-তে যুবদল কর্মী ইউসুফ বেপারী গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান; দুইজন আহত হয়েছেন। ঘটনায় স্থানীয় বিএনপি নেতা সাব্বির দেওয়ান জনি জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

BNP

Victim side

Awami League

Other actors

হাফিজুল ইসলাম বাবুইউসুফ বেপারীসাব্বির দেওয়ান জনিহাফিজুর রহমান (CNG হাফিজ)নালাম সর্দারমনির হোসেন

Tags

Political AssassinationElection Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 24/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 30/07/26open original ↗

কাফরুলে যুবদলকর্মী হত্যায় বিএনপি নেতা জনি জড়িত, দাবি যুবদল নেতা বাবুর

কাফরুলে যুবদলকর্মী হত্যায় বিএনপি নেতা জনি জড়িত, দাবি যুবদল নেতা বাবুর প্রমাণ হলে আমিই সারেন্ডার করব, বললেন জনি সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা হাফিজুল ইসলাম বাবু সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ১৯:৩৫ | আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৬ | ১৯:৩৬ রাজধানীর কাফরুলে যুবদলকর্মী ইউসুফ বেপারীকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির এক নেতা জড়িত বলে দাবি করেছেন ওই হামলায় বেঁচে যাওয়া যুবদল নেতা হাফিজুল ইসলাম বাবু। তার ভাষ্য, আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হতে চান তিনি। এ কারণে আরেক সম্ভাব্য প্রার্থী কাফরুল থানা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক সাব্বির দেওয়ান জনি তাকে হত্যার ছক কষেন। সেদিন তিনি বেঁচে গেলেও ইউসুফ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান, আহত হন আরও দুজন। তবে এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ হলে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন বলে জানিয়েছেন সাব্বির দেওয়ান জনি। বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন হাফিজ। সেইসঙ্গে দাবি করেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ময়লার টেন্ডার, ফুটপাত দখল ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধে হত্যার যে কথা বলেছে– তা পুরোপুরি ভিত্তিহীন। কাফরুল থানা যুবদলের সদস্যসচিব হাফিজুল ইসলাম বাবু বলেন, ওই এলাকায় আমার বা অন্য কারও ডিশ-ইন্টারনেটের ব্যবসা বা ফুটপাতে চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট নেই। এমনকি সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে এখনও সেখানে ময়লার কোনো টেন্ডারই আহ্বান করা হয়নি। মূল চক্রান্তকারীকে আড়াল করতে তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ডিবির তদন্তে উঠে এসেছে, কাফরুল থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ ওরফে সিএনজি হাফিজের পরিকল্পনায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। তিনি আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে ২৫ লাখ টাকার চুক্তিতে ঢাকার বাইরে থেকে শুটার ভাড়া করেন। তবে মূল পরিকল্পনাকারী হলেন সাব্বির দেওয়ান জনি। তিনি এই অর্থের জোগানদাতা বলে আমার সন্দেহ। এটা প্রমাণের দায়িত্ব রাষ্ট্র ও প্রশাসনের। বাবু দাবি করেন, সিএনজি হাফিজ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী সাব্বির দেওয়ানের ঘনিষ্ঠজন। তাদের দুজনের একসঙ্গে অনেক ছবি আছে। কিলিং মিশন পরিচালনার জন্য স্থানীয় একটি মার্কেটের গ্যারেজ ব্যবহৃত হয়। ওই মার্কেটের সভাপতি সাব্বির দেওয়ান অন্যদের মত না নিয়ে হাফিজকে গ্যারেজটি ভাড়া দেন। ‘সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ হলে আমিই সারেন্ডার করব’ হাফিজুল ইসলাম বাবুর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতা সাব্বির দেওয়ান জনি সমকালকে বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে আসছি, হাফিজও তাই। অবশ্যই তিনি আমার কাছের লোক। তবে তার মানে এই নয় যে, তাঁর কোনো অপরাধের দায়ও আমার। অথবা আমি তাকে দিয়ে এই ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছি। আমি বলব, অন্যায়কারীর শাস্তি হতেই হবে। আর কোনোভাবে যদি এ ঘটনায় আমার সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলে, তাহলে আমিই গিয়ে সারেন্ডার (আত্মসমর্পণ) করব। কিন্তু তার আগে এসব বক্তব্যের মাধ্যমে আমার ও পরিবারের মানহানি করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে তদন্ত ভিন্ন খাতে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এসব বলা হচ্ছে বলে মনে হয় আমার।’ এর আগে গত ২৪ জুলাই রাত সোয়া ১১টার দিকে রাজধানীর কাফরুলের মিরপুর-১৩ নম্বরের সি-ব্লকের ১ নম্বর সড়কে ওপেক্স গার্মেন্টসের দক্ষিণ পাশের সড়কে গুলির ঘটনা ঘটে। যুবদল নেতা হাফিজুল ইসলাম বাবুকে লক্ষ্য করে গুলি চললেও নিহত হন ইউসুফ। আহত হন সবজি বিক্রেতা নালাম সর্দার ও পথচারী মনির হোসেন। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি ও কাফরুল থানা পুলিশ।