দাউদকান্দিতে বন্ধ মসজিদের তালা খোলা নিয়ে তাবলিগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
Why this classification
This incident was classified as communal / religious violence in Cumilla. Parties reported: Maulana Jobaer Faction, Maulana Saad Faction. Reported casualties: 0 killed and 10 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
10
Summary
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামে (২৭ এপ্রিল ২০২৬) মারকাজ মসজিদের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে তাবলিগ জামাতের জুবায়ের ও সাদপন্থী সমর্থকদের মধ্যে এক সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরবর্তীতে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
AI analysis
Category
Communal / Religious Violence
Confidence
74% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
‘আমি এখন কীভাবে বাঁচব’—কাস্টমস কর্মকর্তার স্ত্রীর আহাজারি
‘আমি এখন কীভাবে বাঁচব’—কাস্টমস কর্মকর্তার স্ত্রীর আহাজারি গ্রামের বাড়িতে সমাহিত বুলেট বৈরাগী গোপালগঞ্জ ও কুমিল্লা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ এপ্রিল ২০২৬ | ২৩:৫৮ | আপডেট: ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | ০০:৫৭ মাত্র তিন দিন আগে ছিল বিবাহবার্ষিকী, আর সামনে ছিল একমাত্র সন্তানের জন্মদিন। এমন সময়েই নেমে এলো অপ্রত্যাশিত শোক। কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীর অকাল মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছে তার পরিবার। ২০২২ সালের ২৩ এপ্রিল বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার মেয়ে উর্মির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাদের এক বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ছিল সেই শিশুটির জন্মদিন। কিন্তু জন্মদিনের আগেই পরিবারের জীবনে নেমে আসে গভীর অন্ধকার। রোববার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মরদেহবাহী ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সটি কুমিল্লা নগরীর ধর্মসাগর পাড়ের পার্ক রোডে কাস্টমস, এক্সসাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট কার্যালয়ের সামনে নেওয়া হয়। সেখানে সহকর্মীরা প্রিয় সহকর্মীকে শেষবারের মতো দেখতে জড়ো হন। এ সময় বুলেট বৈরাগীর বাবা-মা ও স্ত্রী উর্মী হিরার বুকফাটা কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্বামীর নিথর দেহ দেখতে গিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের কাঁচ ধরে বারবার আহাজারি করছিলেন উর্মী। বিলাপ করতে করতে তিনি বলেন, “ও বুলেট, আমাকে কোথায় রেখে গেলে? আমি এখন কীভাবে বাঁচব? আমার কলিজাকে তো আর দেখতে পাবো না।” তার এই আর্তনাদ উপস্থিত সবার হৃদয় স্পর্শ করে। সহকর্মীরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করলেও শোকের ভার যেন সামলানো যাচ্ছিল না। পরে কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কাস্টমস কমিশনার আবদুল মান্নান সরদারসহ অন্যান্য সহকর্মীরা। তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকেই পুলিশের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে। তিনি আরও বলেন, এই অকাল মৃত্যুতে কাস্টমস বিভাগ গভীরভাবে শোকাহত এবং সবসময় বুলেট বৈরাগীর পরিবারের পাশে থাকবে। রাতে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সিরাজুল মোস্তফা জানান, নিহতের মা নিলিমা বৈরাগী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট একযোগে কাজ করছে এবং র্যাব ইতোমধ্যে কয়েকজনকে আটক করেছে বলে জানা গেছে। পরে রাত ১০টা ৪০ মিনিটে নিজ গ্রামের বাড়িতে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান মেনে বুলেট বৈরাগীকে সমাহিত করা হয়। শেষ বিদায়ে পরিবার, স্বজন ও সহকর্মীদের উপস্থিতিতে এক শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তার চাচা দেবাশীষ বৈরাগী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। - বিষয় : - হত্যা মামলা - কাস্টমস কর্মকর্তা - মৃত্যু
দাউদকান্দিতে ওয়াকফ সম্পতির কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ
দাউদকান্দিতে ওয়াকফ সম্পতির কমিটি নিয়ে সংঘর্ষ Advertisement দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দাউদকান্দিতে ওয়াকফ সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ কমিটি নিয়ে ফের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ৯ জন আহত হয়েছে। উপজেলার হুগুলিয়া গ্রামে রোববার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন-রমজান, নাজমুল, সোহাগ, রাকিব, কাউসার, আবদুল্লাহ, রিপন, অজ্ঞাত নারী, রাফি ও সোহেল। আহতের মধ্যে সোহেল ও কাউসারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, হুগুলিয়া গ্রামের হাজী জৈয়নুদ্দিন তার নিজের নামে ওয়াকফ এস্টেট, মসজিদ ও মাদ্রাসার জন্য ১২ কানি (তিন একর) জমি দান করে গেছেন। দানকৃত দলিলে সমাজের ১২ জন মাতবর এবং তাদের মধ্যে একজন পরহেজগার আলেমকে মোতাওয়াল্লি করে কমিটি করার কথা উল্লেখ করেন। মুফতি ফজলুল হক আমিনীকে মোতাওয়াল্লি করা হয়েছিল। ২০১২ সালে তিনি মারা যান। এরপর উনার মেয়ের জামাই শাখাওয়াত পরিচালনা শুরু করেন। এ ঘটনার সম্পর্কে জানতে মুফতি শাখাওয়াত হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
দাউদকান্দিতে বন্ধ মসজিদের তালা খোলা নিয়ে তাবলিগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গতকাল সোমবার বিকেলে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামের মারকাজ মসজিদ–সংলগ্ন এলাকায়ছবি: প্রথম আলো কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় বন্ধ মসজিদের তালা খোলা নিয়ে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার বিকেল উপজেলার পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই গ্রামে মারকাজ মসজিদটি গত ২২ মার্চ থেকে তালাবদ্ধ আছে। এতে মসজিদটিতে নামাজ আদায় বন্ধ হয়ে গেছে। গতকাল বিকেল চারটার দিকে মাওলানা জোবায়েরের সমর্থকেরা (আলেম সমাজ) ব্যানার নিয়ে মসজিদের সামনে এসে সংবাদ সম্মেলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন। তাঁরা মসজিদের তালা খোলার চেষ্টা চালান। এ সময় মাওলানা সাদ কান্ধলভীর সমর্থকেরা তাঁদের বাধা দেন ও সংঘর্ষ হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সম্পর্কে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাছরীন আক্তার বলেন, ৩০ এপ্রিল তাবলিগের বিবদমান দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসা হবে। এর আগে কিছুই বলা যাচ্ছে না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম হুগুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাজী জৈনউদ্দিন ১৯২২ সালের ১৩ অক্টোবর ৩১৫ শতক জমি মসজিদের নামে ওয়াক্ফ করেন। ওই জমিতে স্থানীয় লোকজনের অর্থায়নে ২০১২ সালে মারকাজ মসজিদ নির্মাণ করা হয় এবং ২০১৪ সাল থেকে সেখানে নামাজ আদায় শুরু হয়। মসজিদটিতে একসঙ্গে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন। ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সাদপন্থীরা মসজিদটি পরিচালনা করেন। পরে জুবায়েরপন্থীরা অংশীদারত্ব দাবি করলে উপজেলা প্রশাসন দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে পৃথকভাবে ইবাদতের সিদ্ধান্ত দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে সহিংসতার আশঙ্কায় মসজিদটি তালাবদ্ধ রাখা হয় বলে এক পক্ষ দাবি করেছে। তবে এ বিষয়ে দুই পক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। স্থানীয় সাদপন্থী কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেন, ওয়াক্ফ সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চলছে এবং বহিরাগত ব্যক্তিরা এতে জড়িত। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, সাদপন্থীরা জোরপূর্বক মসজিদ নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছেন এবং প্রশাসনের নির্দেশ ছাড়াই তালা দেওয়া হয়েছে। ওয়াক্ফ জমিতে প্রতিষ্ঠিত দারুস সুন্নাহ আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। হুগুলিয়া গ্রামের এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সাদপন্থীরা জোর করে ওয়াক্ফ জায়গায় মারকাজ মসজিদ নির্মাণ করেছেন। এ নিয়ে জুবায়েরপন্থীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। পরে ধর্ম মন্ত্রণালয় চিঠির মাধ্যমে সাদপন্থীদের মারকাজ মসজিদে প্রবেশ করা নিষেধ করা হয়। কিন্তু এরপরও সাদপন্থীরা বল প্রয়োগের মাধ্যমে এককভাবে মারকাজ মসজিদ ও মাদ্রাসা দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। সাদপন্থীরা মসজিদে তালা দিয়ে প্রচার করছেন প্রশাসনের নির্দেশে এটি করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মসজিদসংঘর্ষদাউদকান্দিচট্টগ্রাম বিভাগকুমিল্লা
