সাভারে ফ্ল্যাট থেকে নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী ছাত্রদল নেতা নিখোঁজ

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

A 21-year-old woman was found dead on Monday (8 June 2026) and police believe her husband strangled her during a family quarrel, which is a murder. The accused is a newly formed Chhatra Dal leader and is on the run, so the case is a real, recent killing that qualifies as violence.

Reported by:Prothom AloJugantorCorroborated · 2 sources
08/06/26•ছায়াবীথি মহল্লা, সাভার

Killed

1

Injured

0

Summary

ঢাকার সাভারের ছায়াবীথি মহল্লার একটি ফ্ল্যাট থেকে সোমবার (৮ জুন ২০২৬) রিয়া মণি (২১) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে তাঁর স্বামী ও সাভার পৌর ছাত্রদলের নেতা রনি চৌধুরীকে শ্বাসরোধে হত্যার সন্দেহ করছে, যিনি পলাতক রয়েছেন এবং ছাত্রদল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

92% · severity 8

Other actors

রনি চৌধুরী (অভিযুক্ত স্বামী, সাভার পৌর ছাত্রদলের সদ্য গঠিত কমিটির নেতা)রিয়া মণি (২১, নিহত)সাদ্দাম হোসেন (নিহতের মামা, মামলাদাতা)নূর মোহাম্মদ, পরিদর্শক (তদন্ত), সাভার মডেল থানামাহফুজ ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল

Tags

Domestic ViolenceMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 16/03/26open original ↗

জাবি ছাত্রী শারমীন হত্যার অভিযোগে স্বামীকে ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

জাবি ছাত্রী শারমীন হত্যার অভিযোগে স্বামীকে ৫ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, ঢাকা উত্তর প্রকাশ: ১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:০১ পিএম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্রী শারমীন জাহান খাদিজা। ছবি: সংগৃহীত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্রী শারমীন জাহান খাদিজা (২৫) হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তার স্বামী ফাহিম আল হাসানকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠিয়েছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন। তিনি বলেন, ফাহিম কারাগারে, রিমান্ড শুনানি হবে আগামী ২৪ মার্চ। এর আগে, রোববার (১৫ মার্চ) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকার কাসেম আলীর বাসা থেকে ওই ছাত্রীর নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে দ্রুত সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে শারমীনের চাচা মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহত শারমীন জাহান চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার তেতৈয়া গ্রামের শাহজাহান মোল্লার মেয়ে। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের (২০২১-২২) শিক্ষাবর্ষের ৫১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম রোকেয়া হলের আবাসিক ছাত্রী ছিলেন। তার স্বামী ফাহিম আল হাসান কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার খুইরুল গ্রামের মো. হানিফ সরকারের ছেলে। আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন বলেন, ঘটনার পরপরই নিহত শারমীন জাহানের স্বামী ফাহিম আল হাসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছিল। পরে রোববার দিনগত রাতে শারমীনের চাচা মনিরুল ইসলামের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আজ সকালে পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, নিহত শারমীন জাহান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তার স্বামী ফাহিম আল হাসান ঢাকা কলেজের অর্থনীতি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। প্রেমের সম্পর্কের পর শারমীন ও ফাহিম গত বছরের ২৪ জুন বিয়ে করে বিষয়টি পরিবারকে জানান। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তারা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইসলামনগর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। বিয়ের কিছুদিন পর থেকে শারমীন ও ফাহিমের মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে কলহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি শারমীন পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছিলেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ১৫ মার্চ বিকাল পৌনে পাঁচটার দিকে ফাহিম মুঠোফোনে শারমীনের চাচা মনিরুল ইসলামকে শারমীন গুরুতর অসুস্থ জানিয়ে তাকে বাসায় আসতে বলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মনিরুল শারমীনকে খাটের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর আশপাশের লোকজনের সহায়তায় শারমীনকে সাভারের বেসরকারি এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সুরতহালের তথ্য জানিয়ে এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শারমীনের কপালের ডান পাশে, মাথার উপরে গভীর কাটা রক্তাক্ত জখম দেখতে পান। শারমীন জাহানের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান। ঘটনাটিকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড উল্লেখ করে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, জাকসুসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন। গতকাল রাত পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে উপাচার্যের শোকবার্তা জানানো হয়। বিবৃতিতে উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, শারমীন জাহানের খুনের ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। এতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার গভীরভাবে শোকাহত হয়েছে। ঘটনা দ্রুত তদন্ত করে অপরাধীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি। এছাড়াও হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু), ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) ও জাতীয় ছাত্রশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীরা। জাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) আব্দুর রশিদ জিতু ও সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, শারমীনের মাথায় গভীর আঘাতের চিহ্ন এবং রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকা, সেই সঙ্গে বাসা থেকে ল্যাপটপ ও ফোন নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি প্রাথমিকভাবে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দেয়। একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর এমন অস্বাভাবিক ও নৃশংস মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

Source 2: Prothom Alo · 09/06/26open original ↗

সাভারে ফ্ল্যাট থেকে নারীর লাশ উদ্ধার, স্বামী ছাত্রদল নেতা নিখোঁজ

ঢাকার সাভারে সদ্য গঠিত পৌর ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। নিহত রিয়া মণির (২১) মা–বাবা বিদেশে থাকেন। বিয়ের আগে তিনি সাভারের সোবহানবাগ এলাকায় মামা সাদ্দাম হোসেনের বাসায় থাকতেন। গতকাল সোমবার দুপুরে সাভারের ছায়াবীথি মহল্লার একটি আবাসিক ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাট থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা-পুলিশ। অভিযুক্ত রনি চৌধুরী (২২) কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানা এলাকার ফকিরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি পরিবার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সাভারের পৌর এলাকা ছায়াবীথি মহল্লায় বসবাস করছেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। নিহত ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের এক পর্যায়ে রিয়া মণিকে বিয়ে করেন রনি চৌধুরী। এরপর তাঁরা ছায়াবীথি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে রিয়া মণির মামা সাদ্দাম হোসেন জানতে পারেন রিয়া মণি মারা গেছেন। পরে তিনি ওই বাসায় গিয়ে দরজা বাইরে থেকে তালা দেওয়া অবস্থায় দেখতে পান। তিনি রিয়া মণির স্বামী রনি চৌধুরীকে আশপাশে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি বিষয়টি সাভার মডেল থানা-পুলিশকে জানান। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দরজার তালা ভেঙে খাটের ওপর থেকে রিয়া মণির মরদেহ উদ্ধার করে। সাভার পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হিমেল খান প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতেই ঘটনাটি জানার পর বিষয়টি নিশ্চিত হতে তাৎক্ষণিকভাবে কমিটির কয়েকজন সদস্যকে রনি চৌধুরীর বাসায় পাঠানো হয়। খোঁজ নিয়ে তাঁরা জানতে পেরেছেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টি পারিবারিক হলেও কোনো ধরনের অন্যায়কে ছাত্রদল প্রশ্রয় দেবে না। তাই দলীয় পদক্ষেপ হিসেবে ইতিমধ্যে তাঁকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’ সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ প্রথম আলোকে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় রনি চৌধুরীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনকে আসামি করে নিহত ব্যক্তির মামা সাদ্দাম হোসেন গতকাল দিবাগত রাতে মামলা করেছেন। রনি চৌধুরীকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।