তেঁতুলিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ
Why this classification
A group of named residents tied an elderly freedom fighter with rope, beat him with bamboo sticks, and threatened to kill him with machetes, daos, and axes, and he was hospitalised after police rescued him. The incident happened on Tuesday, 5 May 2026, within the 14-day window, and is a concrete physical attack in Bangladesh.
Killed
0
Injured
1
Summary
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৮৫ বছর বয়সী বীর মুক্তিযোদ্ধা বেলায়েত হোসেনকে পারিবারিক বিরোধের জেরে রশি দিয়ে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় এবং বটি, দা ও কুড়াল দিয়ে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
তেঁতুলিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ
তেঁতুলিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধাকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ ছবি: সমকাল তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) সংবাদদাতা প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬ | ২১:৫০ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় বেলায়েত হোসেন (৮৫) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ছেলে মিজানুর রহমান বুধবার সন্ধ্যায় তেঁতুলিয়া মডেল থানায় অভিযোগ করেছেন। নির্যাতনের শিকার বেলায়েত হোসেন তিরনইহাট ইউনিয়নের ডেমগছ এলাকার বাসিন্দা। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, মিজানুর রহমানের সঙ্গে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। এর জেরে মঙ্গলবার সকালে বেলায়েত হোসেন তার নাতনি মালিহাকে দেখতে ডেমগছ এলাকায় যান। সেখানে গেলে আইনুল হক (৫৫), মো. রবি (২৫), মো. ভুট্টু (৫৫) ও মাজেদা বেগমসহ কয়েকজন তাকে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে বাড়ির আঙিনায় ফেলে রাখেন এবং বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। মিজানুর রহমান বলেন, নির্যাতনের একপর্যায়ে তারা ঘর থেকে বটি, ধারালো দা ও কুড়াল বের করে এনে আমার বাবাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন। স্থানীয় প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত থানায় যাই। পরে পুলিশ বাবাকে উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। তিনি আরও বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় অভিযোগ করেছি। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে মো. জাকারিয়া (৪৫) ও মো. আবু বক্কর সিদ্দিকসহ (৫৩) কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লাইসুর রহমান বলে, অভিযোগটি আমলে নেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তেঁতুলিয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা স্বামী গ্রেফতার
তেঁতুলিয়ায় স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যা স্বামী গ্রেফতার Advertisement পঞ্চগড় প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ তেঁতুলিয়ায় পারিবারিক কলহের জের ধরে রোববার রাতে গৃহবধূ আরজিনা খাতুনকে (২৬) পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার পরপরই স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী মনির হোসেনকে (২৬) গ্রেফতার করেছে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশ। মঙ্গলবার আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালত মনিরকে কারাগারে পাঠান। এর আগে সোমবার নিহতের বাবা জালালউদ্দীন আহম্মদ বাদী হয়ে তেঁতুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ জানায়, প্রায় তিন বছর আগে তেঁতুলিয়ার রনচন্ডির কৃষক জালালউদ্দীন আহম্মদের ছোট মেয়ে আরজিনা খাতুনের সঙ্গে পারিবারিক সম্মতিতে মনির হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বনিবনা হচ্ছিল না। প্রতিনিয়তই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত এবং আরজিনা খাতুনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করত স্বামী মনির। রোববার গৃহবধূকে মারধর করলে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরিবারের লোকজন তাকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থার অবনতি ঘটলে ওই দিন রাতেই রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। তেঁতুলিয়া থানার ওসি লাইছুর রহমান বলেন, পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত স্বামী মনিরকে গ্রেফতার করেছে। গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
