চট্টগ্রাম বন্দরে জেটি সরকারকে ঘুষি, চেকারের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি
Why this classification
ঘটনাটি একটি নির্দিষ্ট শারীরিক আক্রমণ, যেখানে চেকার জুয়েল জেটি সরকার আতিকুর রহমানকে ঘুষি মেরে আহত করেছেন। এটি সহিংসতার সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে এবং সাম্প্রতিক (আজকের) ঘটনা। তাই এটিকে সহিংস ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
1
Summary
চট্টগ্রাম বন্দরের ৮ নম্বর ইয়ার্ডে গাড়ির পাস নিয়ে তর্কের জেরে চেকার জুয়েল এক জেটি সরকারকে ঘুষি মারেন, এতে মো. আতিকুর রহমান আহত হন। ঘটনার পর বন্দর কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Port Checker
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jetty Sarker
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে জুলাই-আগস্টের হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে জুলাই-আগস্টের হত্যা মামলার আসামির মৃত্যু ফাইল ছবি। চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬ | ১৯:৩০ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে জুলাই-আগস্টের হত্যা চেষ্টা মামলায় কারাবন্দি দেবাশীষ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন। সোমবার কারাগারে মৃত্যুর পর মঙ্গলবার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। দেবাশীষ নগরীর সদরঘাট এলাকার সুধাংশু বিকাশ চৌধুরীর ছেলে। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারাগারের ভেতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন বলে জানিয়েছে। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. ইকবাল হোসেন বলেন, নিহত কারাবন্দির হঠাৎ করে মধ্যে বুকে ব্যথা ওঠে। তাকে ওয়ার্ড থেকে কারা হাসপাতালে আনতে আনতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে হৃদরোগে মারা গেছেন বলে মেডিকেল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কারা সূত্র জানায়, গত ২৭ এপ্রিল সদরঘাট থানার ১১০ কবি নজরুল ইসলাম রোডের পি কে সেন কম্পাউন্ডের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে সদরঘাট থানা পুলিশ। পরে সদরঘাট থানার জুলাই-আগস্টের হত্যা চেষ্টা (মামলা নম্বর-১৯) মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে তোলা হয়। সেই মামলায় তাকে কারাগারে পাঠায় আদালত। গ্রেপ্তারের ২১ দিন পর গত সোমবার মারা গেলেন তিনি। কারাগারের ভেতর নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন দেবাশীষ চৌধুরীর পরিবার। তার মামাতো ভাই অনুরুপ চৌধুরী বলেন, হৃদরোগে যদি মারা যায় তাহলে মৃতের পিঠে আঘাতের চিহ্ন কেন এলো। কারাগারের ভেতর নির্যাতনের শিকার না হলে তার শরীরে কোনো দাগ থাকার কথা নয়। শরীরে দাগ দেখে তাকে নির্যাতন করে মেরে ফেলেছে বলে আমরা সন্দেহ করছি। পরিবারের দাবি, রাজনীতির সঙ্গে দেবাশীষ চৌধুরীর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে জুলাই-আগস্টের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করানো হয় বলে অভিযোগ তাদের। - বিষয় : - চট্টগ্রাম - জুলাই গণ-অভ্যুত্থান - কারাবন্দি - মৃত্যু
চট্টগ্রাম বন্দরে জেটি সরকারকে ঘুষি, চেকারের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি
চট্টগ্রাম বন্দরের ৮ নম্বর ইয়ার্ডে গাড়ির পাস নিয়ে তর্কের জেরে এক জেটি সরকারকে ঘুষি মারার অভিযোগ উঠেছে বন্দরের এক চেকারের বিরুদ্ধে। এতে মো. আতিকুর রহমান (৪৫) নামে ওই জেটি সরকার আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। আহত মো. আতিকুর রহমান সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স টক ট্রেডের জেটি সরকার। ঘটনার পর তাকে প্রথমে চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে আতিকুর রহমান বন্দরের ৮ নম্বর ইয়ার্ডে যান। সেখানে বন্দরের নিম্নমান বহিঃসহকারী (জেআরওএ) বা চেকার জুয়েলের সঙ্গে গাড়ির পাস নিয়ে তার তর্ক-বিতর্ক হয়। তিনি বলেন, একপর্যায়ে চেকার জুয়েল দে আতিকুর রহমানকে ঘুষি মারেন। এতে তার চোখের নিচে জখম হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ কেফায়েত হামিম বলেন, ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজার মুহাম্মদ আনিস উদ্দিন আহাম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি দুপক্ষের সঙ্গে মীমাংসা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বন্দর কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। তবে কী কারণে জেটি সরকার ও চেকারের মধ্যে গাড়ির পাস নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত এবং হামলার ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এনামুল হক নাবিদ/এএমকে
চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে দুই আসামি গ্রেফতার
পৃথক হত্যা মামলা চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে দুই আসামি গ্রেফতার Advertisement চট্টগ্রাম ও রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামে প্লাস্টিক ফ্যাক্টরির হেলপার আকাশ দাশ হত্যা মামলার পলাতক আসামি নাজমুল হককে গ্রেফতার করেছে র্যাব। শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নাজমুল কুড়িগ্রাম সদর থানার পাঠানপাড়া এলাকার হাকিম মাঝির ছেলে। র্যাবের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে। র্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর পাহাড়তলী থানাধীন বিটাক এসটেক প্লাস্টিক ফ্যাক্টরি এলাকায় স্থানীয় সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে আকাশ দাশকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে রাজশাহীতে গোলাম মোস্তফা হত্যা মামলার আসামি উকিলকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। শনিবার ভোর ৫টার দিকে চারঘাট উপজেলার ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-৫, রাজশাহীর মিডিয়া উইং দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গ্রেফতার উকিল মহানগরীর খোঁজাপুর এলাকার নহির উদ্দিনের ছেলে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ১৪ ফেব্রুয়ারি মহানগরীর ডাসমারি এলাকার বাসিন্দা দিনমজুর গোলাম মোস্তফা এশার নামাজ পড়তে মসজিদে যাচ্ছিলেন। এ সময় পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে মতিহার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
