ঘুস না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে
Why this classification
This article reports a specific attack on 7 April 2026 in which a police sub-inspector in Cox's Bazar's Chakaria kicked and beat a six-month pregnant woman and other family members, injuring at least four people, after a man refused to pay a bribe. The sub-inspector denies demanding a bribe, but the attack is a concrete physical assault within the 14-day window.
Killed
0
Injured
4
Summary
কক্সবাজারের চকরিয়ায় ৭ এপ্রিল জমি বিরোধ চলাকালে মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্রের এসআই ফারুক হোসেন ঘুস না পেয়ে মোহাম্মদ রফিক ও তাঁর পরিবারের নারীদের মারধর করেন, যাতে ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা শিফা জান্নাত গুরুতর আহত হন। অভিযুক্ত এসআই ঘুস চাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 4
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ঘুস না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে
ঘুস না পেয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরের অভিযোগ এসআইয়ের বিরুদ্ধে Advertisement চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪২ এএম ছবি: সংগৃহীত কক্সবাজারের চকরিয়ায় পুলিশের চাহিদা মতো ঘুস না দেওয়ায় বাদীকে তুলে নিয়ে মারধর করে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সাক্ষর আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেনের বিরুদ্ধে। এ সময় অন্তঃসত্ত্বাসহ কমপক্ষে চার নারীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। বুধবার (৮ এপ্রিল) ভুক্তভোগী মোহাম্মদ রফিক (৪৫) এ বিষয়ে প্রতিকার ও বিচার চেয়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিরোধপূর্ণ জমিতে পুলিশের উপস্থিতিতে বিবাদীপক্ষকে ঘর নির্মাণে সহযোগিতা ও জবরদখলে বাধা দেওয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ সময় অন্তঃসত্ত্বা নারীসহ কমপক্ষে চারজন আহত হয়েছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়ার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের মধ্যম চর পাড়ার বাসিন্দা মোহাম্মদ রফিকের সঙ্গে স্থানীয় আবু তাহের গংদের বসতভিটার জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ বিষয়ে একটি মামলা চকরিয়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে বিচারাধীন। গত ৩ এপ্রিল প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টা করলে রফিক পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দেন। তখন এসআই ফারুক হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন এবং রফিকের কাছ থেকে খরচের কথা বলে ৩ হাজার টাকা নেন। বাদীর দাবি, বিষয়টি মিমাংসা করে দেওয়ার কথা বলে এসআই ফারুক ১ লাখ টাকা দাবি করেন। রফিক টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ওই কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষের পক্ষ নেন। গত ৭ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে এসআই ফারুকের উপস্থিতিতে প্রতিপক্ষ জমি দখলের চেষ্টা করলে রফিকের পরিবার বাধা দেয়। এ সময় এসআই ফারুক নিজেই রফিকের ছোট ভাইয়ের বউ ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা শিফা জন্নাতকে পেটে লাথি মেরে গুরুতর আহত করেন। এছাড়াও রফিকের স্ত্রী পিংকি আক্তার ও ছোট বোন শারমিন আকতারকে পিটিয়ে আহত করা হয়। আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন। রফিক জানান, ঘটনার পর তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে বেলা ১১টার দিকে মাতামুহুরী তদন্ত কেন্দ্রের সামনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে কাঠের লাঠি দিয়ে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয়। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে ১০০ টাকার তিনটি খালি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে জোরপূর্বক স্বাক্ষর আদায় করে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আহত শিফা জন্নাত বলেন, আমার ভাসুর রফিককে ধরে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে, এসআই ফারুক আমার তলপেটে সজোরে লাথি দিলে আমি মাটিতে পড়ে যাই। তিনি ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলেও জানান। অভিযুক্ত এসআই ফারুক হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘুস চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, মোহাম্মদ রফিক আদালতে মামলা করলেও, বিরোধীয় জায়গায় প্রতিপক্ষকে কাজ না করার বিষয়ে আদালতের কোনো আদেশ দেখাতে পারেনি। তাই অন্যপক্ষকে বাড়ি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যেতে বলি। ঝামেলা এড়াতে রফিককে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছিল। রাগের মাথায় লাঠি দিয়ে একটি বাড়ি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ হিমেল হাসান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি তবে, ওই সময় আমি অফিসে ছিলাম না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। এ বিষয়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এএনএম সাজিদুর রহমান বলেন, যা বলেছে ঠিক না বেঠিক জানি না। তবে, যে কথা বলেছে তা খুবই খারাপ কথা বলেছে। আমি ওসিকে নির্দেশ দিচ্ছি, সত্যতা নিশ্চিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
