জমির বিরোধে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
Why this classification
ঘটনাটি জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হয়েছে, যেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই। দুই পক্ষই স্থানীয় বাসিন্দা, তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয়, বরং অপরাধমূলক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত।
Killed
0
Injured
12
Summary
মুন্সীগঞ্জ সদরের মিজিকান্দি গ্রামে জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে বোরহান মিজি ও সরাফত আলী সরকার পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে ককটেল বিস্ফোরণ ও বন্দুকের ব্যবহার হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র উদ্ধার করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 12
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
জমির বিরোধে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ
জমির বিরোধে সংঘর্ষ, ককটেল বিস্ফোরণ সংঘর্ষ চলাকালে একনালা বন্দুক হাতে এক ব্যক্তি মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬ | ২২:২৫ মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের সময় হামলা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২জন আহত হয়েছেন। আজ রোববার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তিন দফায় আধারা ইউনিয়নের মিজিকান্দি গ্রামে বোরহান উদ্দিন মিজি ও সরাফত আলী সরকার পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে সরাফত আলী সরকার পক্ষের লোকজন অস্ত্রের মহড়া ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটালে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং একাধিক ককটেল, একনালা বন্দুক ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে। আবারও সংঘর্ষের আশঙ্কা থাকায় ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষে আহতরা হলেন– বোরহান মিজি পক্ষের জাহাঙ্গীর মিজি, শরিফ মিজি, আরিফ মিজি, কবির মিজি, শেফালী বেগম ও পপি বেগম এবং সরাফত আলী সরকার পক্ষের আলমগীর বেপারী, রবিন, দুলাল, সাব্বির বেপারী, আক্তার বেপারী ও দিলা দেওয়ান। তাদের মধ্যে জাহাঙ্গীর, রবিন, দুলালকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। এই ঘটনায় দুইপক্ষই রোববার সন্ধ্যায় সদর থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রামবাসী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বোরহান মিজি পক্ষের সঙ্গে সরাফত আলী সরকার পক্ষের বিরোধ চলে আসছে। রোববার সকালে বোরহান মিজি গং বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণ করছিলেন। এসময় সরাফত পক্ষের লোকজন ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে বোরহান মিজিদের ওপর হামলা চালায়। বোরহান মিজির লোকজন প্রতিরোধ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। সংঘর্ষে আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রুহুল আমীন বলেন, দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ১টার মধ্যে ৫ থেকে ৭ জন আহত ব্যক্তি হাসপাতালে আসেন। তাদের শরীর ও মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বোরহান মিজির ছেলে শরিফ মিজি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের বসতভিটা দখল করতে সরাফত সরকার গং হামলা, মামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। রোববার সকালে নিজেদের জায়গায় ঘর নির্মাণ করছিলেন তারা। তখন সরাফত সরকার পাশের গ্রামের আলমগীর, দিলাদের ভাড়া করে এনে হামলা চালায়। তারা বন্দুক দিয়ে গুলি করে, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। তার ভাই জাহাঙ্গীর মিজিকে কুপিয়ে আহত করে। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে সেখানেও হামলা চালানো হয়। প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আহত হয়েছি সেই খবর শুনে ছোট ভাই রাজীব মিজি ঘটনাস্থলে এলে তাকেও পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। এখন আমরা সরাফত গংদের ভয়ে এলাকায়ও যেতে পারছি না।’ অভিযোগের বিষয়ে সরাফত আলী সরকারের ভাষ্য, কারও ওপর হামলা করেননি তারা। বোরহানরাই তাদের ওপর হামলা করেছেন। তাদের রেকর্ডভুক্ত জমি দখলের চেষ্টা করছিলেন। সকালে জমির গাছপালা কেটে জোর করে দখল করতে গেলে বাধা দেন তারা। তখন বোরহান মিজির লোকজন হামলা চালায়। মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তছলিম উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি ককটেল ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উভয়পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। - বিষয় : - মুন্সীগঞ্জ - সংঘর্ষ - আহত - গুলি - ককটেল বিস্ফোরণ
মুন্সীগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, টেটাবিদ্ধ ৬ জন
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ছয়জন টেটাবিদ্ধ হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার (২২ মে) সকাল পৌনে ১১টা থেকে বেলা প্রায় ১২টা পর্যন্ত উপজেলার বালুচর ইউনিয়নের বালুচর ব্রিজসংলগ্ন চর জসিম উদ্দিন এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শহীদ বাউল ও মো. মোক্তার হোসেন গ্রুপের সঙ্গে সুরুজ্জামান সরকার গ্রুপের দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে। এর জেরে শুক্রবার সকালে উভয়পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও টেটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় শহীদ বাউল, শাকিল সরকারসহ কমপক্ষে ৬ জন টেটাবিদ্ধ হন। খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। স্থানীয়রা জানান, সিরাজদিখানের বালুচর ও লতব্দী ইউনিয়নের চরাঞ্চলে জমিজমা দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রায়ই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে এসব এলাকায় বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল হান্নান বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে ঢাকা পোস্টকে বলেন, এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় কেউ এখনও থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি ব.ম শামীম/এসএইচএ
