ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a valid, recent incident: on the morning of 4 April 2026, supporters of two prospective union chairman candidates fought in Chhatak, Sunamganj, leaving at least 20 people injured and some shops vandalised. It is a physical clash tied to an election rivalry, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorSingle source
04/04/26•কাইল্যাচর গ্রাম, চরমহল্লা ইউনিয়ন, ছাতক

Killed

0

Injured

20

Summary

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের কাইল্যাচর গ্রামে ৪ এপ্রিল ২০২৬ সকালে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমিন ও নজমুল হক নসিবের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যাতে অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষের সময় কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং পুলিশ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

JamaatLocals

Victim side

JamaatLocals

Other actors

আল আমিন (সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী, জামায়াতে ইসলামী নেতা)নজমুল হক নসিব (সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী, আল ইসলাহ নেতা)নুরুল আমিন ও আব্দুস শহিদ পক্ষের লোকজনছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান তালুকদার

Affected infrastructure

দোকানপাট

Tags

Election ViolenceParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 20

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Jamaat, Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat, Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 04/04/26open original ↗

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, আহত ২০ Advertisement ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০৭ পিএম ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ। ছবি: যুগান্তর সুনামগঞ্জের ছাতকে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমিন ও নজমুল হক নসিবের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের কাইল্যাচর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র জানায়, চরমহল্লা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জামায়াতে ইসলামী নেতা আল আমিন এবং ফুলতলী সংগঠন আল ইসলাহ নেতা নজমুল হক নসিবের মধ্যে পূর্ব থেকেই রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। সম্প্রতি ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনার জের ধরে গত শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উভয়পক্ষের সমর্থকরা কটূক্তিমূলক মন্তব্য ও পোস্ট দিতে শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রাতে দুপক্ষের সমর্থকদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং একে অপরকে মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। একপর্যায়ে নুরুল আমিন ও আব্দুস শহিদ পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এতে লাহিন মিয়া (২০), নুরুল আমিন (৩৫), আব্দুস সোবহান (৫৫), সুফিয়ান (২০), নাছির উদ্দিন (৩৮), সালা উদ্দিন (৩৫), আকছার আলী (২২), এমাদ উদ্দিন (২৫), জয়ন উদ্দিন, আব্দুল আজিজসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৯ জনকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকিদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ সময় কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের দাবি, ভিজিএফের চালের কার্ড নিয়েই মূলত বিরোধের সূত্রপাত হয়েছিল। পরে তা ফেসবুকে পালটাপালটি পোস্ট ও গালাগালের মাধ্যমে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং তা পরবর্তীতে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ বিষয়ে নজমুল হক নসিব বলেন, ভিজিএফের কার্ডের সুবিধাভোগী হওয়াকে কেন্দ্র করে আল আমিন সমর্থকরা আমাকে বিদ্রুপ করে ও ফেসবুকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে আল আমিনের দাবি, ভিজিএফের চাল নিয়ে অভিযোগ সঠিক নয় বরং আমাকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ভাষায় গালাগাল ও হুমকি দেওয়া হয় এবং আমার সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ছাতক থানার ওসি মিজানুর রহমান তালুকদার বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।