ড্যাবের অন্তর্দ্বন্দ্ব: বরিশালে স্বাস্থ্য পরিচালককে মব করে বের করে দেওয়া

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A faction of the BNP-supported Doctors Association of Bangladesh (DAB) mobbed and forcibly removed the Divisional Health Director from his office due to political disputes.

Reported by:JugantorSingle source
08/07/26•Divisional Health Director's Office, Barishal

Killed

0

Injured

0

Summary

২০২৬ সালের ৮ জুলাই বরিশালের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মনিরুজ্জামানকে ড্যাবের একটি গ্রুপ মব করে তার দপ্তর থেকে বের করে দেয়। এই ঘটনাটি ড্যাবের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল ও মতপার্থক্যের কারণে ঘটেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 3

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

Dr. Nazrul Islam SelimDr. MoniruzzamanDr. Aziz RahimDr. Mizanur Rahman

Affected infrastructure

Divisional Health Director's office gate

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 10/07/26open original ↗

ড্যাবের গ্রুপিংয়ে অশান্ত বরিশালের স্বাস্থ্য বিভাগ

মব করে পরিচালকের কাজে বাধা ড্যাবের গ্রুপিংয়ে অশান্ত বরিশালের স্বাস্থ্য বিভাগ Advertisement বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ড্যাব’র অন্তর্দ্বন্দ্ব-কোন্দলে অশান্ত হয়ে উঠেছে বরিশালের স্বাস্থ্য বিভাগ। সম্প্রতি এখানে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক পদে নিয়োগ পাওয়া ডা. মনিরুজ্জামানকে মব করে তার দপ্তর থেকে বের করে দিয়েছে ড্যাবের একটি গ্রুপ। অপরদিকে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন সংগঠনটির অন্যান্য নেতারা। বিষয়টি নিয়ে পরিচালকের দপ্তরে চলছে অচলাবস্থা। বুধবার মনিরুজ্জামানকে বের করে দেওয়ার পর বৃহস্পতিবার পুনরায় তালা দেওয়া হয় তার দপ্তরের প্রধান গেটে। এতে আটকা পড়েন পরিচালক দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরে অবশ্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধে খুলে দেওয়া হয় তালা। ড্যাবের এক গ্রুপ চাইছে বাতিল হোক মনিরুজ্জামানের এই নিয়োগ। অপর গ্রুপের বক্তব্য, কারো ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার জেরে নিয়োগ বাতিল হলে আন্দোলনে নামবেন তারা। শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক উপপরিচালক ডা. মনিরুজ্জামানকে গত ৫ জুলাই বরিশালের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ৬ জুলাই ওই পদে যোগ দেন তিনি। বুধবার শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (শেবাচিম) কিছু চিকিৎসক-শিক্ষার্থী নিয়ে পরিচালকের দপ্তরে যান শেবাচিম শাখা ড্যাবের সভাপতি সম্প্রতি অবসরে যাওয়া ডা. নজরুল ইসলাম সেলিম। পরিচালকের কক্ষে ঢুকে লোকজন দিয়ে মব করে ডা. মনিরুজ্জামানকে তার চেয়ার থেকে টেনে তোলেন তিনি। এরপর বাধ্য করেন দপ্তর থেকে বেরিয়ে যেতে। এ সময় সেখানে উপস্থিত ড্যাবের শেবাচিম শাখার সাবেক সভাপতি ডা. আজিজ রহিম এবং সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় সদস্য সচিব জেলা ড্যাবের সাবেক সহসভাপতি ডা. মিজানুর রহমানসহ অন্যরা সেলিমকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে শোনেননি তিনি। পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন সেলিমসহ তার সহযোগীরা। বৃহস্পতিবার সকালে আবারো পরিচালকের দপ্তরে যান সেলিমের সহযোগীরা। পরিচালকের কক্ষে তাদের লাগানো তালা খোলা দেখে উত্তেজিত হন তারা। দ্বিতীয় দফায় মব করে তালা ঝোলানো হয় দপ্তরের প্রধান গেটে। কয়েক ঘণ্টা তালাবদ্ধ থাকার পর অবশ্য খুলে দেওয়া হয়। আন্দোলন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ডা. সেলিম যুগান্তরকে বলেন, শেবাচিমের উপপরিচালক পদে থাকাকালে জুলাই আন্দোলনবিরোধী শান্তি মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন মনিরুজ্জামান। ফ্যাসিস্ট আমলে স্বাচিপের অনেক কর্মসূচিতেও যোগ দিতে দেখা গেছে তাকে। আগস্ট বিপ্লবে তিনি জনগণের পক্ষে ছিলেন না। তাই এই নিয়োগ আমরা মানি না। বরিশাল জেলা ড্যাবের সভাপতি ডা. কবিরুজ্জামান বলেন, বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ড্যাবের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলাপ করে নেওয়া উচিত হলেও তা মানা হচ্ছে না। শেবাচিম শাখা ড্যাবের সাবেক সভাপতি ডা. আজিজ রহিম বলেন, কেন্দ্রীয় ড্যাবের আজীবন সদস্য ডা. মনিরুজ্জামান। ১২ ফেব্রুয়ারির আগে কেন্দ্র থেকে ড্যাবের যে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হয়েছিল তাতেও ছিলেন তিনি। নির্বাচনি প্রচার প্রচারণাও একসঙ্গে করেছেন সেলিম আর মনিরুজ্জামান। হঠাৎ কেন এই বিভক্তি বুঝতে পারছি না। ব্যক্তিগত জেলাসির কারণে এটা হচ্ছে। সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় সদস্য সচিব ডা. মিজানুর রহমান বলেন, মব সৃষ্টি আর জোর করে চেয়ার থেকে উঠিয়ে দেওয়ার বিষয়টি দুঃখজনক। ডা. মনিরুজ্জামান শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ও পরে সহসভাপতি ছিলেন। ডা. মনিরুজ্জামান বলেন, শেবাচিমে উপপরিচালক পদে থাকাবস্থায় সরকারি নির্দেশ পালন ছাড়া আর কিছুই করিনি। সরকারি চাকরি করা অবস্থায় সরকারের নির্দেশ মানতে হয় এটাই নিয়ম। শান্তি সমাবেশের যে কথা বলা হচ্ছে তাতে যোগ দিতে তৎকালীন পরিচালক বাধ্য করেছিলেন। এর বাইরে আওয়ামী লীগের কোনো কর্মসূচিতে গিয়েছি তার কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে না।