মুখে স্কচটেপ শ্বাসরোধে বৃদ্ধার মৃত্যু
Why this classification
This is a specific, recent incident in Uttara, Dhaka, where robbers killed an elderly woman by tying her up and sealing her mouth with tape. Because it involved a murder during a robbery, it counts as violence. Police have detained a tenant for questioning, and the cause of death is still awaiting a post-mortem report.
Killed
1
Injured
0
Summary
রাজধানীর উত্তরায় সোমবার (২ মার্চ ২০২৬) রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে তারাবির নামাজের সময় দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে ডাকাতির সময় বৃদ্ধা রেজিনা মমতাজকে হাত বেঁধে ও মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। ঘটনায় বাড়ির এক ভাড়াটিয়াকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মুখে স্কচটেপ শ্বাসরোধে বৃদ্ধার মৃত্যু
উত্তরায় তারাবির সময় ডাকাতি মুখে স্কচটেপ শ্বাসরোধে বৃদ্ধার মৃত্যু Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর উত্তরায় তারাবির নামাজের সময় বাসায় ঢুকে ডাকাতিকালে বৃদ্ধা রেজিনা মমতাজকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ বলছে, মুখে স্কচটেপ ও কাপড় গোঁজা অবস্থায় ওই বৃদ্ধাকে পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে শ্বাসরোধে মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় বাড়ির এক ভাড়াটিয়াকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সোমবার রাত ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ১৫ নম্বর সেক্টরের ই ব্লকের ৪ নম্বর সড়কের বাড়িটিতে এ ঘটনা ঘটে। তুরাগ থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, নিহতের স্বামী শাহ আলম তারাবির নামাজ পড়তে গেলে দুর্বৃত্তরা সুযোগ নেয়। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে-ঘটনার আগে চারতলার ভাড়াটিয়া নূরে আলম নিচে নেমে দারোয়ানকে লন্ড্রিতে কাপড় দেওয়ার কথা বলে বাইরে পাঠান। ওই সময় এক ব্যক্তি বাইরে থেকে এসে তার সঙ্গে ভবনে প্রবেশ করেন। দুজনের মুখে মাস্ক ছিল। দারোয়ানের স্ত্রী বিষয়টি সন্দেহজনক মনে করে স্বামীকে জানান। তারা তিনতলার দরজার সামনে গিয়ে ভেতর থেকে সাড়া না পেয়ে বাড়ির মালিককে (শাহ আলম) মসজিদ থেকে ডেকে আনেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে রেজিনা মমতাজকে হাত বাঁধা ও মুখে স্কচটেপ প্যাঁচানো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পুরো বাসা তছনছ ছিল। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তুরাগ থানা পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে। জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু না বললেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনার পেছনে কারা জড়িত এবং এটি নিছক ডাকাতি নাকি পূর্বপরিকল্পিত অপরাধ-তা শিগগিরই স্পষ্ট হবে।
