চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত ৮

AI-classifiedconfidence 98%

Why this classification

This incident is classified as political violence because a clash between members of the BNP and Jamaat occurred in Fajilkhan'r Hat, Karnaphuli, Chattogram, triggered by a political argument. The conflict resulted in eight injuries, though the specific perpetrator and victim sides were not recorded. The report is corroborated by three sources.

Reported by:Prothom AloJugantorDhaka PostCorroborated · 3 sources
20/02/26•Fajilkhan'r Hat, Karnaphuli

Killed

0

Injured

8

Summary

২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার ফাজিলখাঁর হাট এলাকায় রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে তর্কের জেরে বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আটজন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং তদন্ত শুরু করেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

98% · severity 4

Parties involved

BNPJamaat

Tags

Party ClashElection Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 8

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Dhaka Post · 22/02/26open original ↗

কর্ণফুলীতে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ : ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা

রাজনীতি চট্টগ্রাম কর্ণফুলীতে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ : ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা নিজস্ব প্রতিবেদক ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২০:৫২ অ+ অ- চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে জামায়াত–বিএনপির সংঘর্ষের ঘটনায় হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেছেন এক যুবদল নেতা। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ ১০–১৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাতে কর্ণফুলি উপজেলা থানায় উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. সাহেদুল আলম টিটু এ মামলা করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বড়উঠান ফাজিল খার হাট এলাকায় বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ থেকে ১০ জন আহত হন। আহতদের কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ ভর্তি করা হয়েছে। বিএনপির দাবি, সংঘর্ষে উপজেলা যুবদলের সদস্য সাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মনজুর, যুবদল নেতা মো. ইমন, বড়উঠান ইউনিয়ন শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ফারুকসহ অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। আরও কয়েকজন বিভিন্ন স্থানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম মেম্বার জানান, তাদের অন্তত চারজন নেতাকর্মী চট্টগ্রাম মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন। যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাহেদুল ইসলাম শামীম দাবি করেন, ভোটের দিনের বিরোধ থেকেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। মামলার এজাহারে টিটু উল্লেখ করেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি দৌলতপুর দীঘির পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটের দিন জামায়াতের নেতাকর্মীরা হিন্দু ভোটারদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিএনপি নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সেই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার রাতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মামলায় আলমগীর (৩৪), মামুন (১৯), বাহাদুর খান (৫০), মুন্না (২২), আবরার (২২), সালাউদ্দিন (৩০), ফয়সাল (২০), এনাম (৩২), জাকারিয়া (২৬) ও তানভির (২৪)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী দাবি করেছে, তাদের কর্মী মো. এনাম, মামুন, আলমগীর, জাকারিয়া ও সালাউদ্দিন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে এনামের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এছাড়া আবরার, জোবাঈর, দিদার, সেলিম, মোরশেদ, ফয়সাল মহিউদ্দিন ও তামিমসহ আরও কয়েকজন আহত হলেও তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কর্ণফুলী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মনির আবছার চৌধুরী ও সেক্রেটারি নুর উদ্দিন জাহাঙ্গীর এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেন, শুক্রবার স্থানীয় বিএনপির লোকজন জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালায়। পরে বিষয়টি মীমাংসার লক্ষ্যে ফাজিল খার হাট বাজারে গেলে যুবদল নেতা টিটুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুনরায় হামলা করা হয়। পাশাপাশি জামায়াত নেতাকর্মীদের ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানে ভাঙচুরের অভিযোগও তোলা হয়। কর্ণফুলি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম জানান, বড়উঠানে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর মামলার আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে। আরএমএন/জেডএস

Source 2: Jugantor · 21/02/26open original ↗

চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার পর একে অপরকে দুষছেন দুদলের নেতারা। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ফাজিল খাঁর হাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা যুবদলের সদস্য শাহেদুল আলম টিটু, বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য মঞ্জুর আলম, ছাত্রদল নেতা ইমনসহ ৮ জন আহত হন বলে জানিয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে জামায়াত নেতা আলমগীর, এনাম ও মামুনসহ ৮ থেকে ১০ আহত হন বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়। জামায়াতকে অভিযুক্ত করে দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য এসএম ফারুক হোসেন জানান, নির্বাচনের দিন হিন্দুপাড়ার ভোটার নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনার রেশ ধরে স্থানীয় যুবদল ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী দৌলতপুর জামে মসজিদে নামাজ পড়তে গেলে জামায়াতের যুব সংগঠনের সেক্রেটারির নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয়। এদিকে জামায়াতের কর্ণফুলী শাখার আমির মনির আবছার চৌধুরী বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে স্থানীয় বিএনপি ও মাদক ব্যবসায়ী কর্তৃক জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে দফায় দফায় হামলা করা হয়। পরে বিষয়টি সমাধানের জন্য জামায়াতের নেতাকর্মীরা ফাজিলখার হাটবাজারে এলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা টিটুর নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করা হয় এবং বেশ কয়েকটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা করা হয়। কর্ণফুলী থানার ওসি শাহীনুর আলম বলেন, এ ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। ঘটনাস্থলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। এখন ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Source 3: Prothom Alo · 21/02/26open original ↗

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীতে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, আহত ৮

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বড়উঠান ইউনিয়নের ফাজিলখাঁর হাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে সালাহউদ্দিন নামে স্থানীয় এক জামায়াতকর্মীর দোকানে চা খেতে যান বড়উঠান ইউনিয়ন কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মনজুর, যুবদলের কর্মী মো. ইমন ও মোহাম্মদ ফারুক। সেখানে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে আলাপের এক পর্যায়ে দোকানি সালাহউদ্দিনের সঙ্গে তাঁদের কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। খবর পেয়ে সেখানে বিএনপি ও জামায়াতের স্থানীয় নেতা-কর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আহত ব্যক্তিরা হলেন শাহেদুল আলম, মো. ইমন, মো. মনজুর ও মোহাম্মদ ফারুক, মোহাম্মদ এনাম, সাজ্জাদ হোসেন, মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন ও মোহাম্মদ আবির। তাঁদের মধ্যে চারজন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং বাকিরা জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতিতে যুক্ত। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে শাহেদুল আলমকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনার পর উপজেলার পিএবি সড়কের ফাজিলখাঁর হাটে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মিছিল করেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর কর্ণফুলী উপজেলা যুব বিভাগের সেক্রেটারি মো. আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচনের আগে মাদকদ্রব্যসহ বিএনপির একজনকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই ঘটনার পর থেকে আমাদের নেতা-কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমাদের চার নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।’ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘মূলত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে জামায়াতের লোকজন হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন। এতে আমাদের চারজন আহত হয়েছেন।’ জানতে চাইলে কর্ণফুলী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. জামাল উদ্দীন চৌধুরী বলেন, ‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীবিএনপিচট্টগ্রামঅপরাধসংঘর্ষচট্টগ্রাম বিভাগকর্ণফুলী