গোপালপুরে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের
Why this classification
A headteacher is accused of trying to sexually assault a Class 5 student in a empty classroom on Thursday, 30 April 2026, which is a recent, specific incident in Bangladesh. This is classified as a violent sexual crime, and the later school protest is recorded as part of the same event rather than as a separate incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ছোট শাখারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম হান্নানের বিরুদ্ধে ৩০ এপ্রিল ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এরপর রোববার (৩ মে ২০২৬) স্থানীয়রা বিদ্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন এবং অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
80% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
গোপালপুরে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের
গোপালপুরে ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা শিক্ষকের বিদ্যালয় ঘেরাও Advertisement গোপালপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গোপালপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম হান্নানের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়রা বিদ্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন। রোববার সকালে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের ছোট শাখারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ে পিকনিকের আয়োজন করা হয়। ওইদিন বিকালে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক এক ছাত্রীকে কৌশলে নির্জন শ্রেণিকক্ষে নিয়ে অনৈতিক আচরণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি পরিবারকে জানালে ওই ছাত্রীর চাচি কয়েকজনকে নিয়ে সেখানে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা বিদ্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে রেজাউল বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। সহকারী শিক্ষক পারভীন ও মমতাজ দাবি করেন, বিদ্যালয়ের মাঠে স্থানীয়রা নিয়মিত খড় শুকান। প্রধান শিক্ষক এতে বাধা দিলে স্থানীয়রা ওই ঘটনাটি পরিকল্পিতভাবে সাজান। অভিযুক্ত রেজাউলকে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
