হত্যার পরিকল্পনায় সাইফুলের সঙ্গে সখ্য গড়ে শুটার শান্ত
Why this classification
The article reports a recent (Tuesday night, 2026-07-05) shooting in Mirpur where a volunteer leader of the Awami League was injured by gunmen, fulfilling the definition of relevant violence and occurring within Bangladesh.
Killed
0
Injured
1
Summary
মিরপুরের চৌরঙ্গী মার্কেটের ৯৬ নম্বর বাসার সামনে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল ইসলাম সিজুকে শুটার শান্ত এবং চাঁদাবাজ জাকির গুলি করে আহত করে। শান্তকে গুলিবর্ষণ ও অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 07/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হত্যার পরিকল্পনায় সাইফুলের সঙ্গে সখ্য গড়ে শুটার শান্ত
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গুলিবিদ্ধ হত্যার পরিকল্পনায় সাইফুলের সঙ্গে সখ্য গড়ে শুটার শান্ত Advertisement ইমন রহমান প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম সিজুকে হত্যার উদ্দেশ্যে ছাত্রলীগ ক্যাডার শান্ত ভূঁইয়াকে ভাড়া করা হয়। শান্ত নিজের পরিচয় গোপন করে ফুটপাতে দোকান বসানোর কথা বলে সাইফুলের সঙ্গে যোগাযোগ করে। এছাড়া আরও কিছু আর্থিক সুবিধার লোভ দেখিয়ে সাইফুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তোলে সে। অবশেষে মঙ্গলবার রাতে সুযোগ বুঝে হত্যার চেষ্টা করে শান্ত। তাকে ভাড়া করেছিল আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিরপুর এলাকায় ফুটপাতে চাঁদাবাজির অন্যতম হোতা ‘চাঁদাবাজ জাকির’। সাইফুলকে তার বাসার সামনে গুলি করার সময় শান্তর পাশেই ছিল জাকির। তারা দুজনেই গুলি চালায়। ঘটনার পর জাকির পালাতে সক্ষম হলেও শান্তকে অস্ত্রসহ ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন স্থানীয় জনতা। সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। তদন্ত সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জাকিরের চাঁদাবাজির সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণে নেন সাইফুল ইসলাম সিজু। এরপর থেকেই সাইফুলের সঙ্গে জাকিরের বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। এদিকে সাইফুলকে গুলি করার ঘটনায় গ্রেফতার শান্তকে অস্ত্র আইনের এক মামলায় ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। আর গুলিবিদ্ধ সিজু ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার তার শরীরে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। মিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, গুলিবর্ষণকারী শান্ত ভূঁইয়াকে অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ৪ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তাকে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় আরেকটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। হামলায় কতজন জড়িত ছিল জানতে চাইলে ওসি জানান, সিসিটিভি ফুটেজে দুজনকে দেখা গেছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে মিরপুর মডেল থানাধীন মিরপুর-১০ নম্বরের চৌরঙ্গী মার্কেট এলাকার ৯৬ নম্বর বাসার মেইন গেটের সামনে হামলার শিকার হন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুল ইসলাম সিজু। বাসায় ঢোকার সময় তাকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। গুলি করে পালানোর সময় শান্ত ভূঁইয়া নামের ওই যুবককে একটি পিস্তলসহ আটক করে পুলিশে দেন জনতা। পরে আহত অবস্থায় সাইফুলকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। বুধবার বিকালে ঢামেক হাসপাতালে সাইফুলের সঙ্গে থাকা স্বজন মো. সাইদুল জানান, সাইফুলের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সে এখন পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে রয়েছে। মঙ্গলবার রাতে মুন্সিবাড়ি রোডে নিজ বাসার সামনে দাঁড়িয়ে থাকার সময় হঠাৎ দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। এতে তার পায়ে ও কোমরে গুলি লাগে। পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সিজুর ওপর হামলায় সরাসরি অংশ নেয় দুজন। জাকির ও শান্ত। শান্ত মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ও প্রভাবশালী কর্মী ছিল। তাকে সিজুর পেছনে লেলিয়ে দেয় চাঁদাবাজ জাকির। সিজুর ওপর নজরদারি রাখতে শান্তকে ব্যবহার করা হয়। সখ্য গড়ে তুলতে শান্ত সিজুকে বলেছিল, ‘আমাদের এলাকার একটা ছেলে ফুটপাতে ব্যবসা করবে, একটা দোকান বসানোর ব্যবস্থা করে দেন।’ এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী মঙ্গলবার রাতে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি চালানো হয়। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, পরিকল্পনাকারী জাকির জুলাই আন্দোলনের আগে মিরপুর এলাকার ফুটপাত থেকে বড় অঙ্কের চাঁদা তুলত। আওয়ামী লীগের পতনের পর সেই চাঁদার নিয়ন্ত্রণ চলে যায় সাইফুলের হাতে। ফলে জাকিরের আয়ের উৎস বন্ধ হয়ে যায়। সে চাঁদার ভাগের জন্য এর আগেও কয়েকবার চেষ্টা করে তবে সাইফুলের সঙ্গে পেরে ওঠেনি। মূলত ফুটপাতের চাঁদাবাজির টাকা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই সিজুকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার এই পরিকল্পনা করা হয়।
