প্রেমের বিয়ের পর স্ত্রীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখল লাশ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

প্রতিবেদনে একটি নির্দিষ্ট ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে যেখানে স্বামী কাবিননামার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে স্ত্রীকে হত্যা করেছে। এটি একটি খুন, তাই সহিংস ঘটনা হিসেবে গণ্য।

Reported by:JugantorSingle source
09/06/26•রামগতি

Killed

1

Injured

0

Summary

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে কাবিননামার টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে স্বামী স্ত্রী মারিয়া জাহান মীমকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে পালিয়েছে। মীমের চাচা রাকিব হোসেনের অভিযোগ, নির্যাতনের পর আত্মহত্যার নাটক সাজানো হয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

Husband

Victim side

Wife

Other actors

মাহিন (স্বামী)মারিয়া জাহান মীম (স্ত্রী)রাকিব হোসেন (চাচা)

Tags

Dowry ViolenceMurderDomestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Husband

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Wife

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 10/06/26open original ↗

প্রেমের বিয়ের পর স্ত্রীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখল লাশ

প্রিন্ট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ এএম Advertisement Advertisement কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আরও পড়ুন Advertisement রামগতিতে প্রেম করে বিয়ের পর স্ত্রীকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রেখে পালিয়েছে স্বামী। বিয়ের পর কাবিননামার টাকা বৃদ্ধি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত মারিয়া জাহান মীম চরসেকান্তর গ্রামের আবদুল মালেকের মেয়ে। স্বামী মাহিন ওই উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আসলপাড়া গ্রামের প্রবাসী মোহাম্মদ হানিফের ছেলে। জানা গেছে, সাত মাস আগে মাহিনের সঙ্গে পালিয়ে যায় মীম। পরে মাহিনের পরিবার মীমকে মেনে নিয়ে বিয়ে করায়। তবে মীমের পরিবার বিয়ে মেনে না নেওয়ায় সাত মাস ধরে বাবার বাড়ির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না তার। সম্প্রতি মাহিনের বাবা প্রবাস থেকে দেশে ফিরে বিয়ের বিষয়টি মেনে নিতে শর্তসাপেক্ষে সম্মত হন। এজন্য তিনি কাবিনে আট লাখ টাকা দাবি করেন। মাহিনের পরিবার ৫ লাখ টাকা দিতে রাজি হলেও বিষয়টি মীমাংসা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দ্বের মাঝেই মীমের লাশ উদ্ধার হলো। মীমের চাচা রাকিব হোসেন অভিযোগ করেন, কাবিননামার টাকা ও পারিবারিক বিরোধের জেরে মীমকে নির্যাতনে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক সাজানো হচ্ছে। Advertisement সম্পর্কিত খবর Advertisement Advertisement Ad Advertisement Ad Advertisement Advertisement Advertisement