বিসিএসে ক্যাডার হয়েও চাকরিতে যোগ দেওয়া হলো না তানভীরের
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Nilphamari. It involved Unknown against Locals. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় ৪৫তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তার বিচ্ছিন্ন মাথা একটি ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 10
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 17/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বিসিএসে ক্যাডার হয়েও চাকরিতে যোগ দেওয়া হলো না তানভীরের
বিসিএসে ক্যাডার হয়েও চাকরিতে যোগ দেওয়া হলো না তানভীরের Advertisement শেকৃবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:১৯ এএম তানভীর আহমেদ। ফাইল ছবি ৪৫তম বিসিএসে কৃষি কর্মকর্তা পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও আর কর্মস্থলে যোগ দেওয়া হলো না শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদের (২৯)। নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় রেললাইনের পাশ থেকে তার গলা থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন দ্বিখণ্ডিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে ডোমার উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের শিমুলতলী সংলগ্ন রেলগেট এলাকা থেকে তানভীরের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরে মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে ঘটনাস্থলের পাশের একটি ধানখেত থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। তানভীর আহমেদ শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বর্তমানে দেবীগঞ্জ কৃষি ফার্মের গম গবেষণা কেন্দ্রের খামার ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি ৪৫তম বিসিএসে কৃষি কর্মকর্তা পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন তিনি। নিহত তানভীর আহমেদ মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলার বাসিন্দা। তার বাবা মীর বজলুর রশিদ জানান, তাদের পরিবারে কোনো ধরনের বিরোধ ছিল না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, দিনাজপুরে কর্মরত থাকার সময় আমার ছেলে ওই এলাকার কয়েকজন দুর্নীতিবাজ ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিল। সেই বিরোধের জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি জুলফিকার আলী জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে। পরে সিআইডির ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
