জুলাই নিয়ে কবিতা পাঠে হট্টগোল, মঞ্চে বাধার মুখে মোহন রায়হান

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

The article reports a physical altercation—slogans shouted and a microphone seized—by a group linked to Jamaat during a poetry reading about the July uprising, with no injuries. Because the perpetrators are identified as a Jamaat‑supported group, the incident qualifies as political violence.

Reported by:SamakalSingle source
23/07/26•Bangla Academy

Killed

0

Injured

0

Summary

বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বাংলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে কবিতা পাঠের সময় উপস্থিত কিছু ব্যক্তি স্লোগান দিয়ে হট্টগোল সৃষ্টি করে এবং মাইক্রোফোন কেড়ে নেয়। ঘটনায় কোনো আহত বা মৃতের রিপোর্ট নেই।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 2

Perpetrator side

Jamaat

Victim side

Locals

Other actors

মোহন রায়হানঅধ্যাপক মোহাম্মদ আজম

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 24/07/26open original ↗

জুলাই নিয়ে কবিতা পাঠে হট্টগোল, মঞ্চে বাধার মুখে মোহন রায়হান

জুলাই নিয়ে কবিতা পাঠে হট্টগোল, মঞ্চে বাধার মুখে মোহন রায়হান সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬ | ০৩:১৩ জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বাংলা একাডেমির আয়োজিত স্বরচিত কবিতা পাঠের একটি অনুষ্ঠান কবি মোহন রায়হানের কবিতা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কবিতা পাঠের সময় উপস্থিত একদল ব্যক্তি স্লোগান দিতে শুরু করলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে মাইক্রোফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে তিনি কবিতা পাঠ শেষ করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর বাংলা একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জুলাই নিয়ে লেখা স্বরচিত কবিতা পাঠ করছিলেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি মোহন রায়হান। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, কবিতা পাঠের একপর্যায়ে উপস্থিত কয়েকজন ‘ইনকিলাব, ইনকিলাব, জিন্দাবাদ’ এবং ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। এতে অনুষ্ঠানস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হট্টগোলের মধ্যেও মোহন রায়হান উপস্থিত ব্যক্তিদের উদ্দেশে পুরো কবিতাটি শোনার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, কবিতাটি কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে লেখা নয়; শেষাংশ না শুনলে এর বক্তব্য বোঝা সম্ভব নয়। ঘটনার পর নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে মোহন রায়হান বলেন, তার কবিতা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করে না; বরং জুলাইয়ের চেতনার পক্ষেই লেখা। তার দাবি, কবিতায় জুলাইকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক বা ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের প্রবণতার সমালোচনা করা হয়েছে। কিন্তু শেষাংশ উপেক্ষা করে কবিতাটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে ‘জুলাইবিরোধী’ হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, কবিতার শেষ লাইনেই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে—‘জুলাই কখনো পরাজিত হতে পারে না।’ নিজেকে জুলাই আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী উল্লেখ করে মোহন রায়হান বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান—দুটি ঐতিহাসিক ঘটনাকে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা তিনি সমর্থন করেন না। তার ভাষ্য, মুক্তিযুদ্ধ যেমন আপসের বিষয় নয়, তেমনি জুলাই আন্দোলনকেও রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের বিরুদ্ধেই তার কবিতার অবস্থান। মোহন রায়হানের অভিযোগ, কবিতায় ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির নতুন রূপে ফিরে আসার প্রসঙ্গ আসতেই জামায়াত-শিবির–সমর্থিত একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে বাধা দেয়। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি কবিতা পাঠ সম্পন্ন করে মঞ্চ ত্যাগ করেন। বাংলা একাডেমির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রায় ৯০ জন কবি অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ আজম বলেন, বড় কোনো গণ-অভ্যুত্থানকে ঘিরে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা ও মূল্যায়ন থাকাটাই স্বাভাবিক। তার মতে, এ ধরনের কবিতা পাঠের আয়োজন জুলাই আন্দোলন নিয়ে বহুমাত্রিক আলোচনা ও মূল্যায়নের ক্ষেত্র তৈরি করবে। - বিষয় : - জুলাই গণঅভ্যুত্থান - কবিতা - বাংলা একাডেমি