কর্মরত শ্রমিকের মৃত্যু শ্রীপুরে সড়ক অবরোধ
Why this classification
এটি একটি সহিংস ঘটনা কারণ শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং একাধিক কারখানা ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। মৃত্যুটি অসুস্থতার কারণে হলেও পরবর্তী ভাঙচুর ও অবরোধ স্পষ্ট সহিংসতা। ঘটনাটি সাম্প্রতিক (বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬) এবং বাংলাদেশে সংঘটিত।
Killed
0
Injured
0
Summary
গাজীপুরের শ্রীপুরে পোশাক কারখানায় কর্মরত নারী শ্রমিক লিজা বেগম অসুস্থ অবস্থায় ছুটি না পেয়ে কাজের সময় মারা যান। এ ঘটনায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ এবং কয়েকটি কারখানা ও গাড়ি ভাঙচুর করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 24/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কর্মরত শ্রমিকের মৃত্যু শ্রীপুরে সড়ক অবরোধ
অসুস্থ হলেও মেলেনি ছুটি কর্মরত শ্রমিকের মৃত্যু শ্রীপুরে সড়ক অবরোধ Advertisement শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত এক নারী শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধসহ বেশ কয়েকটি কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শ্রমিকদের অভিযোগ, অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও ছুটি না পেয়ে কর্মস্থলে কাজ করার সময় মারা যান ওই নারী শ্রমিক। বুধবার রাতে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ি এলাকায় কালার অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া লিজা বেগম পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার হুগলাবানিয়া গ্রামের আশরাফ আলীর মেয়ে। তিনি শ্রীপুর পৌরসভার কড়ইতলা এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে স্থানীয় ওই কারখানায় সুইং অপারেটর হিসাবে কর্মরত ছিলেন। লিজার সহকর্মী জেসমিন আক্তার অভিযোগ করেন, লিজা প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে অসুস্থ ছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বুধবার রাতে তিনি সুপারভাইজারের কাছে ছুটির আবেদন করেন। তবে ছুটি না পেয়ে কাজ চালিয়ে যান। রাত পৌনে ১টার দিকে তিনি অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে সহকর্মীরা তাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। জানা গেছে, অসুস্থতার কারণে বারবার ছুটির আবেদন করলেও তা মঞ্জুর করা হয়নি। এ ঘটনায় ওই এলাকায় বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর কালার অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেড, ট্রিপল অ্যাপারেলস, এমএসসি ব্লু প্ল্যানেট নিটওয়্যার লিমিটেড সিআরসি, পারটেক্স গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানসহ আশপাশের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা বৃহস্পতিবার দুপুরে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা বরমী-মাওনা আঞ্চলিক সড়ক এবং শ্রীপুর-মাওনা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এ সময় কয়েকটি কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। এছাড়াও শ্রীপুর-মাওনা সড়কে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ট্রিপল অ্যাপারেলস কারখানার ভেতরে থাকা কয়েকটি যানবাহনও ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে জানা গেছে। কালার অ্যান্ড কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক (অপারেশন) শাহিদুল ইসলাম বলেন, একজন নারী শ্রমিক অসুস্থ অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি ছুটির আবেদন করেছিলেন কিনা, সে বিষয়ে আমার জানা নেই। ঘটনার পর কারখানায় এক দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এক শ্রমিকের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে আশপাশের কয়েকটি কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। কয়েকটি কারখানায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ ও শিল্প পুলিশ কাজ করছে।
