কিশোরদের সংঘর্ষে পণ্ড বিয়ের আয়োজন, আপ্যায়ন ছাড়াই কনে নিয়ে ফিরল বরপক্ষ
Why this classification
This is a specific incident on 31 May 2026 in which local youths fought with weapons, a man was injured with a blade, and about 20 houses were vandalised and looted, with more than 100 hay stacks set on fire. It is recent, took place in Bangladesh, and involves physical violence and destruction, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার চরআলগী গ্রামে ৩১ মে ২০২৬ (রোববার) সকালে কিশোরদের বিরোধ থেকে সৃষ্ট সংঘর্ষের জেরে অন্তত ২০টি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও শতাধিক খড়ের গাদায় অগ্নিসংযোগ হয়। হামলায় একটি বিয়ের আয়োজন পণ্ড হয় এবং ইব্রাহিম মিয়া নামে এক ব্যক্তি আহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 31/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
কিশোরদের সংঘর্ষে পণ্ড বিয়ের আয়োজন, আপ্যায়ন ছাড়াই কনে নিয়ে ফিরল বরপক্ষ
কিশোরদের সংঘর্ষে পণ্ড বিয়ের আয়োজন, আপ্যায়ন ছাড়াই কনে নিয়ে ফিরল বরপক্ষ ছবি: সমকাল ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) সংবাদদাতা প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬ | ২০:৫৪ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় কিশোরদের মধ্যে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২০টি বাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সহিংসতা থেকে রেহাই পায়নি দরিদ্র একটি পরিবারের বিয়ের আয়োজনও। রান্না করা খাবার থেকে শুরু করে অতিথিদের বসার স্থান- সবকিছুই তছনছ করে দেওয়া হয়েছে হামলায়। একপর্যায়ে বরযাত্রীদের জন্য খাবার পরিবেশন করা ছাড়াই পাশের একটি বাড়ি থেকে কনেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে। রোববার সকালে উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চরআলগী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের দিন বিকেলে ব্রহ্মপুত্র নদের পাড় এলাকায় তুহিন নামে এক ব্যক্তি তার বোন জিনু আক্তারকে নিয়ে ঘুরতে গেলে চরআলগী গ্রামের কিছু কিশোর জিনুকে লক্ষ্য করে অশ্লীল মন্তব্য ও অঙ্গভঙ্গি করেন বলে অভিযোগ ওঠে। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে তা হাতাহাতি এবং পরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় রূপ নেয়। সেখানে হস্তক্ষেপ করায় ইব্রাহিম মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং রোববার সকালে চরআলগী গ্রামে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়রা জানান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলাকারীরা একের পর এক বাড়িতে ভাঙচুর চালায়, মূল্যবান মালামাল লুট করে এবং শতাধিক খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেয়। আতঙ্কে অনেক পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন নাজিম উদ্দিন। তার মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বাড়িতে প্রস্তুতি চলছিল। পরিবারের সদস্যদের দাবি, হামলার সময় রান্না করা খাবার, বাসনপত্র এবং অতিথিদের জন্য করা সব আয়োজন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে বরযাত্রীদের আপ্যায়ন ছাড়াই পাশের একটি বাড়ি থেকে কনেকে বিদায় দিতে হয়। নাজিম উদ্দিনের ভাই আলাল উদ্দিন বলেন, আমাদের পরিবারের কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল না। হামলার কারণে বিয়ের সব আয়োজন নষ্ট হয়ে গেছে। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই। অন্যদিকে আহত ইব্রাহিম মিয়া দাবি করেন, তাকে মারধর করা হয় এবং তার কাছে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া হয়। তবে বিয়ে বাড়িতে হামলার ঘটনায় তার এলাকার লোকজন জড়িত নয় বলেও তিনি দাবি করেন। তিনি বলেন, আমার ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায় প্রতিপক্ষের লোকজন। আমার হাতে কোপ দেয়। পরনের পাঞ্জাবিটা টেনেহিঁচড়ে ছিড়ে ফেলে। পকেটে ব্যবসার ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছিল এগুলো নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আমার এলাকার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ওদের বাড়িতে হামলা চালায়। তবে বিয়ে বাড়িতে হামলা ওই এলাকার লোকজনেই চালিয়েছে যেন আমাদের ওপর দোষটা আসে। ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তুচ্ছ ঘটনায় দুই গ্রামের সংঘর্ষ-হামলা-অগ্নিসংযোগ, তছনছ বিয়ে বাড়ি
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নে পূর্ব বিরোধের জেরে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একটি বিয়ে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে ও খড়ের গাদায় অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৩১ মে) সকালে উপজেলার মরিচারচর ও চরআলগী গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় চরআলগী গ্রামের ১৫ থেকে ২০টি বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালানো হয়। পাশাপাশি এলাকার শতাধিক খড়ের গাদার মধ্যে অর্ধশতাধিক গাদায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় চরআলগী গ্রামের হতদরিদ্র নাজিম উদ্দিনের মেয়ে আসমা খাতুনের বিয়ের আয়োজন চলছিল। হামলাকারীরা বিয়ে বাড়িতে ঢুকে রান্না করা খাবার নষ্ট করে, অতিথিদের বসার স্থান তছনছ করে এবং বিভিন্ন বাসনপত্র ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নাজিম উদ্দিনের ভাই আলাল উদ্দিন বলেন, বিনা কারণে এমন ঘটনার পর আমার ভাই জ্ঞান হারিয়ে পাগলপ্রায় হয়ে পড়েছেন। বর আসার আগেই এমন ঘটনা ঘটায় সবাই হতবাক। আমরা এ ঘটনার বিচার চাই। চরআলগী গ্রামের বাসিন্দা কেনান বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাদের এলাকায় বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলা চালানো হয়েছে। আমরা জড়িতদের বিচার দাবি করছি। অন্যদিকে মরিচারচর গ্রামের কয়েকজন বাসিন্দা ইব্রাহিম খলিল, রোমান, হৃদয়, শিপন ও তুহিনসহ স্থানীয় অন্তত ১০ জন জানান, ঈদের দিন বিকেলে উচাখিলা ইউনিয়নের ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ের বটতলায় তুহিন নামে এক তরুণ তার বোন জিনু আক্তারকে নিয়ে ঘুরতে গেলে চরআলগী গ্রামের কয়েকজন কিশোর জিনুকে লক্ষ্য করে অশ্লীল মন্তব্য ও অঙ্গভঙ্গি করে। এতে তুহিন প্রতিবাদ জানালে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তাদের দাবি, ঘটনার ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে মরিচারচর গ্রামের রাব্বি ও রবিন বাজারে গেলে চরআলগী গ্রামের কয়েকজন তাদের ওপর হামলা চালায়। প্রাণ বাঁচাতে তারা বাজারের ইব্রাহিম খলিলের দোকানে আশ্রয় নেন। পরে বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে শনিবার রাত ৯টার দিকে ইব্রাহিম খলিলকে চরআলগী গ্রামে ডেকে নিয়ে মারধর করা হয়। এর জের ধরেই রোববার সকালে মরিচারচর গ্রামের লোকজন চরআলগী গ্রামে হামলা চালায়। তবে, বিয়ে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইব্রাহিম খলিল। তিনি বলেন, বিয়ে বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের বিষয়টি সাজানো নাটক। তারা নিজেরাই নিজেদের বিয়ের অনুষ্ঠান ভাঙচুর করে আমাদের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ইব্রাহিম খলিল, তুহিন, হৃদয়, মঞ্জুরুল হক ও সাগর মিয়ার নাম জানা গেছে। উচাখিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিম বলেন, ঈদের দিন বিকেলে উচাখিলার বটতলায় ফুচকার অর্ডার দেওয়া নিয়ে বাগবিতণ্ডা থেকে ঘটনার সূত্রপাত। এর জেরে আজ চরআলগী গ্রামের ৩০ থেকে ৪০টি বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দেশে কি বিচার ব্যবস্থা একেবারেই নেই? ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সাখাওয়াত সুমন/এসএইচএ
ঈশ্বরগঞ্জে অর্ধশত বাড়িঘরে হামলা, পণ্ড বিয়ের অনুষ্ঠান
তুচ্ছ ঘটনার জের ঈশ্বরগঞ্জে অর্ধশত বাড়িঘরে হামলা, পণ্ড বিয়ের অনুষ্ঠান Advertisement ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনার জেরে হামলা চালিয়ে অর্ধশত বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের খবর পাওয়া গেছে। রোববার উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের চর-আলগী গ্রামের এ হামলার সময় একটি বিয়ে বাড়ির রান্না করা খাবারও ফেলে দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ঈদের পরদিন উচাখিলার বটতলা বালুর ঘাটে ফুসকা খাওয়াকে কেন্দ্র করে মরিচারচর গ্রামের সায়েম ও রবিন চর-আলগী গ্রামের মোনায়েম ও খোকনের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতিরও ঘটনা ঘটে। মরিচারচরের লোকজন জানতে পেরে শনিবার দুপুরে প্রায় ৪-৫ শত লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চর-আলগী গ্রামে মহড়া দিয়ে উচাখিলা বাজারে অবস্থান নেয়। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্য লোকজন মীমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এরপর রোববার, মরিচারচর গ্রামে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৫ শতাধিক লোক জড়ো হয়ে চর-আলগী গ্রামে হামলা চালায়। সরেজমিন দেখা গেছে, ২৫টি বাড়িতে হামলা চালিয়ে প্রায় অর্ধশত ঘরে ভাঙচুর, লুটপাট করা হয়েছে। ওই গ্রামের নাজিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে প্যান্ডেল, আসবাবপত্র, রান্না করা খাবার ফেলে দেওয়া হয়েছে। এ খবর পেয়ে বর যাত্রীরা বিয়ে বাড়িতে না আসায় বিয়ের অনুষ্ঠানও পণ্ড হয়ে যায়। ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হাসান খান সেলিম বলেন, ফুসকা খাওয়ার মতো তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা খুবই ন্যক্কারজনক। ওসি রবিউল আজম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রাপ্তিসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
