বিদ্যালয় থেকে শিশুকে ডেকে নিয়ে গেলেন নারী, অপহরণকারী সন্দেহে আটক–মারধর

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

This incident is classified as violence because local residents physically assaulted a woman suspected of kidnapping and later attacked police officers, causing injuries and property damage.

Reported by:Prothom AloJugantorSamakalCorroborated · 3 sources
07/10/26•Bethoir, Katiadi

Killed

0

Injured

1

Summary

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে শিশুশিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগে এক নারীকে স্থানীয় লোকজন মারধর করে। এ সময় পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করতে গেলে উত্তেজিত জনতা পুলিশের ওপর হামলা চালায় এবং গাড়ি ভাঙচুর করে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

95% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Law Enforcement

Other actors

মো. মাসুদপ্রিয়াইলমা

Affected infrastructure

পুলিশের গাড়ি

Tags

Vigilante JusticeThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 07/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 30/01/26open original ↗

কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে ভাতিজার হাতে চাচা খুন

কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধে ভাতিজার হাতে চাচা খুন নিহত মাহমুদুর রহমান কামাল কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৩:০২ কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার টেঁটার আঘাতে চাচা মাহমুদুর রহমান কামাল (৫৫) নিহত হয়েছেন। নিহত কামাল আচমিতা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য। এ ঘটনায় কামালের ছেলে কাকন (১৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহতের মরদেহ শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের পশ্চিম ভিটাদিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের প্রথমে কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে কামাল মারা যান। স্থানীয়রা জানায়, মাহমুদুর রহমান কামালের সঙ্গে তাঁর বড় ভাই ভিটাদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জালাল উদ্দিনের দীর্ঘদিন ধরে জমি ও দোকান সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন সকালে জমির আইল কাটা নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষের সময় ভাতিজা মো. সাদ্দাম হোসেনের টেঁটার আঘাতে কামাল ও তাঁর ছেলে কাকন গুরুতর আহত হন। নিহতের স্ত্রী রহিমা খাতুন বলেন, জালাল মাস্টার ও তার ছেলে সাদ্দাম আমাদের জমি দখল করতে গেলে আমার স্বামী কামাল ও ছেলে কাকন বাধা দেয়। তখন তাদের ওপর হামলা করা হয়। এতে আমার স্বামী ও ছেলে গুরুতর আহত হয়। পরে আমার স্বামী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ওই এলাকার মাহতাব উদ্দিন গরম বলেন, সাদ্দাম গত পনের বছর আগে একটি তুচ্ছ ঘটনায় মালেক নামের এক ছাত্রের চোখ উপড়ে দিয়েছিল। কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সৈয়দ মো. শাহরিয়ার অনিক জানান, টেঁটাবিদ্ধ দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। কটিয়াদী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মো. হাবিবুল্লাহ খান বলেন, সম্পত্তি বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে একজন নিহত ও একজন আহত হয়েছেন। কটিয়াদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় নিহতের ভাই জালাল উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তাদের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে করবী আক্তার বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। - বিষয় : - হত্যা

Source 2: Jugantor · 07/10/26open original ↗

এআই ভিডিও বানিয়ে মুক্তিপণ আদায়

ঢাকায় হত্যার পর ডিমলায় মাটিচাপা এআই ভিডিও বানিয়ে মুক্তিপণ আদায় Advertisement ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ঢাকায় নিজ কক্ষে রাকিব নামে এক যুবককে হত্যার পর লাশ কার্টনে ভরে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নিজ গ্রাম ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়ায় এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এরপর ঢাকায় ফিরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে রাকিব জীবিত আছে. এমন ভিডিও তৈরি করে তার পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করার অভিযোগও রয়েছে। পরিবারের দাবি, রাকিবকে জীবিত ফেরত পাওয়ার আশায় কয়েক লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়া হলেও তাকে আর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারেনি মামুন। পরে বিষয়টি নিয়ে রাকিবের পরিবার ঢাকার সংশ্লিষ্ট থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। পুলিশ ওই সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তদন্তে নামে। একপর্যায়ে ঢাকায় অভিযান চালিয়ে মামুনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে মামুনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের সূত্র ধরে তাকে ডিমলার বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তার দেখানো পথে রাকিবের লাশ মাটিচাপা দেওয়ার স্থান শনাক্ত করা হয়। নিহত রাকিবুল হোসেন জয় (১৮) টাঙ্গাইলের গোপালপুরের হেমনগর ইউনিয়নের দাদির আটা গ্রামের খাদেমুল ইসলামের ছেলে। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতির জন্য ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় একটি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। ১৬ সেপ্টেম্বর ফার্মগেট এলাকা থেকে নিখোঁজ হন জয়। নিখোঁজের পর অপরিচিত এক যুবক জয়ের নম্বর ব্যবহার করে তার বাবার হোয়াটসঅ্যাপে জয়ের চোখ-মুখ বাঁধা ও নির্যাতনের ছবি পাঠায় এবং ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে জয়কে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। ছেলেকে বাঁচানোর আশায় দরিদ্র কৃষক বাবা খাদেমুল ধারদেনা ও সুদে টাকা নিয়ে ১৩টি বিকাশ নম্বরে মোট পাঁচ লাখ টাকা পাঠান। এরপর নম্বরগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে জয়ের আর সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় জয়ের পরিবারের অভিযোগের পর তদন্তে নামে পুলিশ। প্রায় এক মাস আগে জয় ও মামুনের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে বিরোধ হয়। এর জেরে জয়কে হত্যা করা হয়। হত্যার পর গুমের উদ্দেশ্যে মামুন জয়ের লাশ ডিমলায় তার গ্রামের বাড়ি নিয়ে যায়। সেখানে লাশ মাটিচাপা দিয়ে সে ঢাকায় ফিরে। এরপর জয়ের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে সে।

Source 3: Prothom Alo · 07/10/26open original ↗

বিদ্যালয় থেকে শিশুকে ডেকে নিয়ে গেলেন নারী, অপহরণকারী সন্দেহে আটক–মারধর

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে শিশুশিক্ষার্থীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরেছবি: সংগৃহীত কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে বিদ্যালয় থেকে এক শিশুশিক্ষার্থীকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। বিদ্যালয় থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে শিশুসহ ওই নারীকে পাওয়া যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন অপহরণকারী সন্দেহে তাঁকে মারধর করেন। আজ বুধবার দুপুর ১২টার দিকে কটিয়াদী পৌর এলাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বেথৈর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করে বলে জানান কটিয়াদী মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম ইলমা (৭)। সে বেথৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং একই এলাকার জামাল মিয়ার মেয়ে। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই নারী জানিয়েছেন, তাঁর নাম প্রিয়া (২৫); বাড়ি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার দিঘীরপাড় এলাকায়। তাঁর নাম ও ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টার দিকে বেথৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে কয়েকজন শিক্ষার্থী দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় কালো বোরকা পরা এক নারী কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম ধরে ডাকাডাকি ও তাঁদের সঙ্গে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ইলমাকে ফুসলিয়ে বিদ্যালয়ের বাইরে নিয়ে যান। ঘটনাটি কয়েকজন শিক্ষার্থীর নজরে পড়লে তারা ওই নারীর পিছু নেয়। পরে তারা দেখতে পায়, ইলমাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও দপ্তরিকে জানায়। খবর পেয়ে শিশুটির পরিবারের সদস্যরাও খোঁজ শুরু করেন। পরে ইলমার বাবা বিদ্যালয় থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে কটিয়াদীর পিপুলিয়া এলাকায় গিয়ে ওই অটোরিকশার সন্ধান পান। স্থানীয় লোকজন ওই নারীর পরিচয় ও শিশুটিকে নিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। পরে উত্তেজিত জনতা ওই নারীকে মারধর করে বিদ্যালয়ে নিয়ে আসেন এবং সেখানে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। ইলমা জানায়, ওই নারী তাকে তাঁর বাবা দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন। এ ছাড়া তিনি ইলমাকে কানের দুল খুলে দিতে বলেছিলেন। বেথৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কিশো আর সুলতানা বলেন, ‘আজ স্কুলে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা ছিল। আবার শিক্ষা অফিসের একজন কর্মকর্তার আসার কথা ছিল। এই নিয়ে আমরা ব্যস্ত ছিলাম। এর মধ্যেই ইলমাকে কেউ একজন নিয়ে গেছে—এই তথ্য কানে আসে। তখন ইলমার খোঁজে আমরা সবাই ছোটাছুটি শুরু করি।’ এসআই মো. মাসুদ বলেন, আটক নারীকে জনতা মারধর করেছে। আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাঁকে থানায় নিয়ে আসার সময় উত্তেজিত জনতা আবারও মারধরের চেষ্টা করে। এ সময় তিন থেকে চারজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশের গাড়ির একটি কাচও ভেঙে গেছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ভৈরবঢাকা বিভাগকিশোরগঞ্জবিদ্যালয়মারধরআটকশিশু