ইবতেদায়ি মাদরাসার এমপিও দাবিতে লং মার্চ, পুলিশের সঙ্গে শিক্ষকদের সংঘর্ষ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

প্রতিবেদনে ১৪ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষকদের শারীরিক সংঘর্ষের বর্ণনা রয়েছে, যাতে ৪-৫ জন শিক্ষক আহত হয়েছেন। এটি একটি সুনির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা, তাই সহিংসতা হিসেবে শ্রেণিকরণ করা হয়েছে।

Reported by:Dhaka PostSingle source
14/06/26•জাতীয় প্রেস ক্লাব

Killed

0

Injured

5

Summary

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এমপিও বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটে। এতে ৪-৫ জন শিক্ষক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 5

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Teachers

Other actors

মো. জসীম উদ্দিন (শিক্ষক নেতা)

Tags

Rally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 5

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Teachers

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 14/06/26open original ↗

ইবতেদায়ি মাদরাসার এমপিও দাবিতে লং মার্চ, পুলিশের সঙ্গে শিক্ষকদের সংঘর্ষ

স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোর এমপিও দ্রুত বাস্তবায়ন এবং চূড়ান্ত অনুমোদনপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চলতি বছর জানুয়ারি থেকে বেতন ছাড়ের দাবি জানিয়ে লাগাতার কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষকদের সংঘর্ষ ঘটনা ঘটেছে। রোববার (১৪ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের আহ্বায়ক শামসুল হক আনছারী, সদস্যসচিব আব্দুল হান্নান হোসেন, সমন্বয়ক শেখ নজরুল ইসলাম মাহবুব, মো. গোলাম আজম প্রমুখ। শিক্ষক নেতা মো. জসীম উদ্দিন বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল নিয়ে মন্ত্রণালয়ের দিকে যাচ্ছিলাম। এরপর পুলিশ আমাদের উপর আক্রমণ করে। এই আক্রমণে আমাদের ৪-৫ জন শিক্ষক আহত হয়েছেন, তারা এখন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তিনি আরো বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এখনো আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। আমরা এখনো কোনো প্রতিনিধিদল পাঠাতে পারিনি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা এখানেই থাকবো। শিক্ষকরা জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত গণবিজ্ঞপ্তির আলোকে গত বছরের ৩ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত এমপিও আবেদন করা হয়। কিন্তু প্রায় ১০ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা এমপিওভুক্ত করা হয়নি। শিক্ষক নেতাদের অভিযোগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক শূন্য পদে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বেতন ছাড়ের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হলেও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর এখনো কোনো শিক্ষকের বেতন ছাড় করেনি। এতে প্রায় ১ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা ছাড়া মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ১৯৭৮ সালের অধ্যাদেশের আওতায় আলিয়া মাদরাসা শিক্ষার প্রাথমিক স্তরের অনুমোদন দেওয়া হয় এবং ১৯৮৪ সালের বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাগুলোকে স্বীকৃতি দেয়। পরে ১৯৯৪ সালের এসব মাদরাসার শিক্ষকদের ভাতা দেওয়া শুরু হয় এবং ২০০১ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক ও উপবৃত্তি চালু করা হয়। শিক্ষকদের দাবি, ২০১৩ সালে সরকার ২৬ হাজার ১৯টি রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করলেও একটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাও জাতীয়করণ বা এমপিওভুক্ত করা হয়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা চাকরির নিরাপত্তা ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। অনুদানভুক্ত স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক কল্যাণ কমিটির পক্ষ থেকে এমপিও দ্রুত বাস্তবায়ন এবং চূড়ান্ত অনুমোদনপ্রাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত অনুদান অবিলম্বে ছাড় করার জোর দাবি জানানো হয়। সে দাবি আদায়ের কর্মসূচি হিসেবে আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অভিমুখে লংমার্চ পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়। ওএফএ/জেডএস