স্বামীকে হত্যার পর হাড় মাংস আলাদা করে ফ্রিজে
Why this classification
This is a single, concrete incident from 12 May 2026 in which a woman allegedly killed her husband with an iron rod in Shariatpur and then dismembered the body, with police recovering the remains. Murder is within the scope of tracked violence, so it qualifies.
Killed
1
Injured
0
Summary
শরীয়তপুর সদরে পারিবারিক কলহের জেরে ১২ মে রাতে স্ত্রী আসমা আক্তার রড দিয়ে আঘাত করে স্বামী জিয়া সরদারকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। এরপর লাশ ছয় টুকরো করে বিভিন্ন স্থানে ফেলতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়েন এবং পুলিশ খণ্ডিত দেহাংশ উদ্ধার করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
স্বামীকে হত্যার পর টুকরো টুকরো, ফ্রিজে রাখতে গিয়ে ধরা
শরীয়তপুরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে ফ্রিজে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে। পরে শরীরের হাড়ের অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দিয়ে মাংস ফ্রিজে রাখতে গিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহে ধরা পড়েন তিনি। গত মঙ্গলবার (১২ মে) রাতের এ ঘটনা জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদার ও তার স্ত্রী আসমা আক্তার। প্রায় আট বছর আগে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। উভয়েরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে ছিল। দীর্ঘদিন ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। সম্প্রতি সেই বিরোধ চরম আকার ধারণ করে। গত মঙ্গলবার রাতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে আসমা আক্তার তার স্বামী জিয়া সরদারের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এরপর হত্যাকাণ্ড গোপন করতে আসমা মরদেহটি ছুরি দিয়ে কয়েক টুকরো করে হাড় ও মাংস আলাদা করেন। হাড়গুলো একটি ড্রামে ভরে বাসায় রেখে দেন প্রায় তিন দিন। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি অটোরিকশা ভাড়া করে বস্তায় ভরে বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন। এরপরে মাংসগুলো তিনি শরীয়তপুর শহরের পালং এলাকার তার আগের ভাড়া বাসায় নিয়ে গিয়ে ফ্রিজে রাখতে চান। কিন্তু তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। পরে তারা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে আসমা আক্তার হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আটং বৃক্ষতলা এলাকা থেকে মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। একইদিন বিকেলে নড়িয়া উপজেলার পদ্মা নদীর তীর থেকেও নিহতের চারটি হাত-পা উদ্ধার করা হয়। নিহতের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেন শাহেদ বলেন, আমার ভাই প্রবাসে থাকাকালে ওই নারীকে বিয়ে করেন। দেশে এসে আলাদা বাসায় থাকতেন। আমরা খবর পেয়ে এসে দেখি, সত্যিই তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। সদর পালং মডেল থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, স্বামীকে হত্যার পর মরদেহ টুকরো করে ড্রামে ভরে রাখে ওই নারী। পরে দেহাংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মরদেহের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। নয়ন দাস/এএমকে
স্বামীকে হত্যার পর হাড় মাংস আলাদা করে ফ্রিজে
স্বামীকে হত্যার পর হাড় মাংস আলাদা করে ফ্রিজে পদ্মার তীরে ফেলেছেন খণ্ডিত চার হাত-পা আর মাথা পুকুরে Advertisement শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শরীয়তপুর সদরে পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যার পর শরীরের হাড়-মাংস আলাদা করে তিন দিন ফ্রিজ ও ড্রামে ভরে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে। শুক্রবার লাশের অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলতে গিয়ে তিনি স্থানীয়দের কাছে ধরা পড়েন। এরপর পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। পালং মডেল থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আট বছর আগে সদর উপজেলার দক্ষিণ মাহমুদপুর ৭নং ওয়ার্ডের মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদারের (৪৫) সঙ্গে মোবাইলে পরিচয়ের মাধ্যমে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পিরোজপুরের আসমা আক্তার। তাদের দুজনেরই এটি ছিল দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের পর আসমাকে শহরের উত্তর পালং এলাকায় জিয়া সরদার ভাড়া বাসায় রাখেন। গত বছর মে মাসে জিয়া দেশে ফিরে আসেন। এরপর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। দাম্পত্য কলহের জেরে ১২ মে রাতে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে জিয়ার মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে হত্যা করেন আসমা। এরপর লাশ লুকিয়ে রাখতে তিনি ছুরি দিয়ে লাশ ৬ টুকরো করে হাড়-মাংস আলাদা করে তিন দিন ড্রামে ও ফ্রিজে ভরে রাখেন। আসমা শুক্রবার রাতে অটোরিকশায় করে ড্রাম থেকে লাশের একটি অংশ মুলফৎগঞ্জে পদ্মা নদীর তীরে সাদা প্লাস্টিকে মোড়ানো ব্যাগে ফেলে দেন। এরপর বাকি অংশ বস্তায় ভরে ফেলে আসেন শরীয়তপুর পৌরসভার আটং এলাকার বৃক্ষতলা এলাকায়। এরপর তিনি হাড়ছাড়া দেহের মাংসগুলো শহরের উত্তর পালংয়ের শাবনুর মার্কেট এলাকায় পুরোনো ভাড়া বাসার এক প্রতিবেশীর ফ্রিজে রাখতে যান। তখন তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে একপর্যায়ে জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে স্থানীয়রা বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশ আসমাকে আটক শেষে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তার দেওয়া তথ্যে রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ লাশের খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করে। ওই রাতেই নড়িয়ার পদ্মা নদীর তীর থেকে নিহতের খণ্ডিত চার হাত-পা উদ্ধার করে নড়িয়া থানা পুলিশ। অত্যন্ত নৃশংসভাবে স্বামীকে হত্যার কথা অকপটে স্বীকার করেছেন আসমা। আসমা বলেন, আমার স্বামী প্রায়ই আমাকে মারধর করত। ১২ মে রাতে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করলে সে দরজার সঙ্গে বাড়ি খেয়ে পড়ে যায়। আমি বুঝতে পারিনি এত জোরে আঘাত লাগবে। এরপর সারা রাত লাশ নিয়ে বসে ছিলাম। পরদিন ধারালো ছুরি দিয়ে লাশ টুকরো টুকরো করে কয়েক জায়গায় ফেলে দিয়েছি। কিন্তু সবকিছু কীভাবে ঘটে গেল বুঝতে পারিনি। শাবনুর মার্কেট এলাকার রানু বেগম বলেন, আসমা পচা মাংস ফ্রিজে রাখতে এলে গন্ধ ছড়ায়। এতে আমাদেরও সন্দেহ হয়। তখন আমরা ৯৯৯ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানাই। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। নিহত জিয়ার চাচাতো ভাই শাহাদাত হোসেন শাহেদ বলেন, আমার ভাই প্রবাসে থাকাকালীন ওই নারীকে বিয়ে করেন। তিনি দেশে আসার পর আলাদা জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতেন। আমার ভাইকে ওই নারী হত্যা করে লাশ ড্রামে ভরে রেখেছে। পুলিশ তাকে আটক করেছে। আমি অপরাধীর শাস্তির দাবি জানাই। পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, আসমা আক্তার স্বামী জিয়াকে হত্যার পর লাশের হাত-পা টুকরো করে মাংস আলাদা করেছে। আমরা আটকের পর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে সব কথা স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃক্ষতলার একটি পুকুর থেকে মাথাসহ হাড় উদ্ধার করেছি। এ ঘটনায় তদন্ত হচ্ছে। তার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
