আইনজীবী হারালেন চোখ মাথায় পাঁচ সেলাই যুবকের
Why this classification
Unidentified people threw stones at moving trains, causing one passenger to lose an eye and another to need five stitches to his head, which counts as a concrete attack with injuries. The incidents happened on 22 and 24 June 2026, within the 14-day window, and took place in Brahmanbaria, Bangladesh.
Killed
0
Injured
2
Summary
২২ জুন ২০২৬ রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তালশহর রেলস্টেশন পেরোনোর পর চলন্ত ট্রেনে বাইরে থেকে ছোড়া পাথরের আঘাতে আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাসের ডান চোখ নষ্ট হয়ে যায়। দুই দিন পর ২৪ জুন মহানগর এক্সপ্রেসে পাথরের আঘাতে নাইমুল হাসানের মাথায় পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 22/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
আইনজীবী হারালেন চোখ মাথায় পাঁচ সেলাই যুবকের
আইনজীবী হারালেন চোখ মাথায় পাঁচ সেলাই যুবকের নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬ | ০৯:২০ | প্রিন্ট সংস্করণ চলন্ত ট্রেনে দুর্বত্তদের ছোড়া পাথরের আঘাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই দিনের ব্যবধানে দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গত সোমবার রাতের ঘটনায় আয়কর আইনজীবী শ্যামল চন্দ্র দাসের ডান চোখ নষ্ট হয়েছে। গত বুধবার রাতে ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নাইমুল হাসানের মাথায় সেলাই দিতে হয়েছে পাঁচটি। সোমবারের দুর্ঘটনায় আহত শ্যামল চন্দ্র দাসকে রাজধানী ঢাকার জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে গত মঙ্গলবার তাঁর ডান চোখটি অপসারণ করেন চিকিৎসকরা। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কান্দিপাড়ার বাসিন্দা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া আয়কর আইনজীবী সমিতির সভাপতি মানছুরুল হক মনার দেওয়া তথ্যমতে, সোমবার সকালে পারিবারিক কাজে শ্যামল চন্দ্র দাসকে নিয়ে ঢাকায় যান তিনি। এদিন রাতে চট্টগ্রামগামী তূর্ণা নিশিতা ট্রেনে তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফিরছিলেন। শ্যামল চন্দ্র দাস ট্রেনের ‘ন’ বগির ৩৪ নম্বর আসনে ও তিনি পাশের আসনে ছিলেন। নন-এসি বগির জানালাটি ছিল আধখোলা। মানছুরুল হক মনা বলেন, ট্রেনটি রাত দেড়টার দিকে আশুগঞ্জের তালশহর রেলস্টেশন ছেড়ে আসার পরপরই একটি পাথরের ঢিল শ্যামলের ডান চোখে লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে নেমে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দ্রুত তাঁকে জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে রেফার করেন। মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত টানা অস্ত্রোপচার করেও শ্যামলের চোখটি রক্ষা করা যায়নি। শেষ পর্যন্ত চোখটি অপসারণ করতে হয়েছে। গত বুধবার রাতে আহত নাইমুল হাসানের বাড়িও ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে। তিনি ঢাকার স্বপ্ন কুটির বিল্ডার্সের নির্বাহী হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা। নাইমুল হাসান জানিয়েছেন, গত বুধবার রাতে তিনি মহানগর এক্সপ্রেসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আসছিলেন। দেড়টার দিকে ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ঢোকার সময় তিনি নামার প্রস্তুতি নিয়ে দরজার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ বাইরে থেকে ছোড়া একটি পাথর তাঁর মাথায় লাগে। সঙ্গে সঙ্গে মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে শুরু করে। সহযাত্রীরা তাঁকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাঁর মাথায় ৫টি সেলাই দেন। এদিকে দুই দিনের মাথায় চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনায় ট্রেনযাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। যাত্রীরা বলছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকায় চলন্ত ট্রেনে পাথর ছোড়ার ঘটনা নতুন নয়। এমন অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না থাকায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন তারা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. শাহ আলম গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, ট্রেনে পাথর ছোড়ায় দুই দিনে দুইজন যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জেনেছেন। তবে তারা লিখিত অভিযোগ পাননি। - বিষয় : - দুর্ঘটনা
