পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালালেন শুটার বাপ্পি
Why this classification
The article reports a recent shooting and kidnapping by the criminal Bappi demanding money, with police engagement but no political actors, so it is classified as violence but not political violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
শুটার বাপ্পি এক কোটি চল্লিশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে চৌধুরী প্লাজার নারী কেয়ারটেকারকে জিম্মি করে। পুলিশ হস্তক্ষেপে গুলিবিনিময় হয়, তবে কোনো আহত বা নিহত হয়নি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement, Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালালেন শুটার বাপ্পি
চাঁদার দাবিতে নারী কেয়ারটেকারকে জিম্মি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালালেন শুটার বাপ্পি প্রতীকী ছবি নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার প্রকাশ: ২৫ জুলাই ২০২৬ | ২৩:২৩ | আপডেট: ২৫ জুলাই ২০২৬ | ২৩:৩৭ ভবন মালিকের কাছে এক কোটি ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী শুটার বাপ্পি। চাঁদার টাকা নিতে গিয়ে না পেয়ে ভবনের নারী কেয়ারটেকারকে জিম্মি করেন। খবর পেয়ে পুলিশ কেয়ারটেকারকে উদ্ধার করতে গেলে বাপ্পি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যান। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শনিবার দুপুরে ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার চৌধুরী প্লাজায়। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঢাকা জেলা উত্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) জাহাঙ্গীর আলম জানান, তিন দিন আগে চৌধুরী প্লাজার মালিক শরীফ চৌধুরীর কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেছিলেন বাপ্পি। শনিবার সকালে চাঁদার টাকা নিতে ওই ভবনে যান। তিনি প্রথমে এক স্যানিটারি মিস্ত্রিকে মারধর করে তাড়িয়ে দেন। এর পর ভবনের নারী কেয়ারটেকারকে তাঁর নিজ কক্ষে জিম্মি করে সেখানে টাকা খুঁজতে শুরু করেন। এ সময় ভবন মালিক লিমাকে ফোন করলে বাপ্পি আবার তাঁর কাছে এক কোটি ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। জাহাঙ্গীর আলম আরও জানান, ভবন মালিক আশুলিয়া থানা পুলিশকে বিষয়টি জানালে জামগড়া ক্যাম্পের সদস্যসহ অতিরিক্ত পুলিশ সদস্যরা সেখানে যান। পুলিশ সদস্যরা ভবনে ঢুকলে বাপ্পি ছাদে কেয়ারটেকারের ঘরের ভেতর থেকে তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি কেয়ারটেকারকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে দরজা খোলেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ কেয়ারটেকারের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে কৌশল অবলম্বন করে এবং তাঁকে নিরাপদে উদ্ধার করে। পরবর্তী সময় পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়লে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালিয়ে যান বাপ্পি। জাহাঙ্গীর আলম বলেন, পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী শুটার বাপ্পিকে গ্রেপ্তারে একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও বলেন, এর আগেও বাপ্পিকে পুলিশ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছিল। জামিনে মুক্তি পেয়ে তিনি আবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক থানায় মামলা রয়েছে। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, বাপ্পি সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি জামগড়া এসে চাঁদাবাজি, মাদক পাচারসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড শুরু করেন। সূত্র আরও জানায়, চৌধুরী প্লাজার মালিক শরীফ চৌধুরীর সঙ্গে বাপ্পির সখ্য ছিল। তিনি আগে শরীফ চৌধুরীর সঙ্গেই চলাফেরা করতেন। তাঁর ভবনের পঞ্চম তলায় থেকেই মাদক পাচারসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালাতেন। জানতে চাইলে শরীফ চৌধুরী বলেন, আমার সঙ্গে আগে সম্পর্ক ছিল। এখন কোনো সম্পর্ক নেই। সে একজন চাঁদাবাজ সন্ত্রাসী। - বিষয় : - সাভার - চাঁদা দাবি - গুলিবিনিময় - পুলিশ
খিলক্ষেতে চাঁদা না পেয়ে দোকানিকে মারধর, ভুয়া সাংবাদিকসহ গ্রেফতার ৩
খিলক্ষেতে চাঁদা না পেয়ে দোকানিকে মারধর, ভুয়া সাংবাদিকসহ গ্রেফতার ৩ Advertisement খিলক্ষেত (ঢাকা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম গ্রেফতার তিন আসামি। ছবি: যুগান্তর রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকায় দোকানদারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক চাঁদা দাবি, মারধর ও দোকান ভাঙচুরের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) খিলক্ষেত ও হাতিরঝিল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফ সুজা (৪৩) মো. নুরুল আমিন শিমুল (২৪) ও মো. আব্দুল কুদ্দুস (৩১)। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, খিলক্ষেত বাজারে বেপারীপাড়া মাছ বাজারে বাদীর মালিকানাধীন ভূমিতে ১৪/১৫টি অস্থায়ী দোকান রয়েছে। গত এক সপ্তাহ ধরে গ্রেফতার আসামিরা ওই দোকানদারদের কাছে দৈনিক ৫০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করে আসছিল। দোকানদাররা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা তাদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে। সর্বশেষ গত ২৮ মার্চ বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আসামিরা দলবদ্ধ হয়ে দোকানে গিয়ে পুনরায় চাঁদা দাবি করে। এ সময় মো. আজহারুল (৩৫) নামে এক দোকানদার চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় আসামি শিমুল তাকে কিল-ঘুসি মেরে জখম করে। পরবর্তীতে তারা জোরপূর্বক আজহারুলের কাছ থেকে ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং তার দোকানে ভাঙচুর চালিয়ে প্রায় ১৫ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। যাওয়ার সময় তারা হুমকি দেয়- চাঁদা না দিলে সব দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে। দোকানদারদের প্রাণনাশেরও হুমকি দেয় তারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারদের মধ্যে মো. আব্দুল কুদ্দুস দীর্ঘদিন ধরে খিলক্ষেত এলাকায় নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। তিনি নিজেই একটি অনলাইন পত্রিকার সম্পাদক দাবি করে ফেসবুকে সময়ের কথা নামে একটি পেজ খুলে তা পরিচালনা করতেন এবং সেই ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছিলেন। তার বিরুদ্ধে সাংবাদিকতার আড়ালে অপকর্ম করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী দোকানদারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে খিলক্ষেত থানায় মামলা রুজু করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে খিলক্ষেতের বেপারীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শিমুল ও ভুয়া সাংবাদিক আব্দুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করেন। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাতিরঝিল থানার উলন রোড থেকে মামলার অন্যতম আসামি সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফ সুজাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। আসামিদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
