বিএনপি নেতাকে পেটাল যুবদল কর্মীরা
Why this classification
This article reports a specific, recent physical attack on Thursday, 4 June 2026, in which Jubo Dal activists beat BNP leader Akil Uddin Bhuiyan and tried to strangle him with his own vest. The incident happened in Narayanganj, Bangladesh, and the article reports the victim survived with injuries, so it qualifies as political violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় জেলা পরিষদ কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার (৪ জুন ২০২৬) ফটোসেশনকে কেন্দ্র করে যুবদল কর্মীরা বিএনপি নেতা অকিল উদ্দিন ভূঁইয়াকে গেঞ্জি দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে পেটায় এবং শ্বাসরোধের চেষ্টা করে। ঘটনাটি জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনির সঙ্গে বাকবিতণ্ডার জেরে ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
চার বিষয় সামনে রেখে তদন্তে নেমেছে পুলিশ
বিএনপি নেতা হত্যা চার বিষয় সামনে রেখে তদন্তে নেমেছে পুলিশ আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬ | ০৮:৩৩ | প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চারটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করছে পুলিশ। এদিকে হত্যার ঘটনায় গতকাল শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। গত বুধবার রাত পৌনে ১টার দিকে ওসমান গণিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। ওসমান গণি একই সঙ্গে উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। পুলিশ জানায়, ওসমান গণির সঙ্গে কারও পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক বিরোধ, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, ব্যবসা বাণিজ্য-সংক্রান্ত ঝামেলার বিষয় সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে। আড়াইহাজার থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক দুপ্তারা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রমজান মিয়া, পাঁচগাঁও এলাকার রমজান আলী, সুমন মিয়া ও সোলেমান হোসেন নামে চারজনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। চারটি বিষয় সামনে রেখে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। ওসি আরও বলেন, আটকদের কাছ থেকে যেসব তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এ ঘটনায় যারাই জড়িত হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশ বিভিন্ন মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় উপজেলার বিনাইয়েরচর মাদ্রাসা মাঠে নিহত বিএনপি নেতার জানাজা হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। জানাজার আগে বক্তব্যে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানান। তিনি বলেন, হত্যাকারী যে দলেরই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া যাবে না। তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। বুধবার মধ্যরাতে পাঁচগাঁও কবরস্থান এলাকায় ওসমান গণির ওপর হামলা হয়। পরে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন বিএনপির ১ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি ইসমাইল মিয়া জানান, মাটি তোলাকে কেন্দ্র করে দুপ্তারা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রমজান মিয়া ওসমান গণির প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন। ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের লোক হয়ে দুপ্তারা ইউনিয়নের এসে মাটি তুলছেন– এ জন্য রমজান মিয়া ওসমান গণির কাছ থেকে লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ নিয়ে গত মঙ্গলবার ওসমান গণির সঙ্গে রমজান আলীর বাগ্বিতণ্ডা হয়। - বিষয় : - হত্যা
বিএনপি নেতাকে পেটাল যুবদল কর্মীরা
ফটোসেশনে সামনে দাঁড়ানো বিএনপি নেতাকে পেটাল যুবদল কর্মীরা Advertisement ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদে আয়োজিত বৃক্ষমেলায় ফটোসেশনকে কেন্দ্র করে জেলার শীর্ষ নেতাদের সামনে বিএনপি নেতা অকিল উদ্দিন ভূঁইয়াকে মাথায় গেঞ্জি প্যাঁচিয়ে পিটিয়েছে যুবদল কর্মীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফতুল্লার চাঁনমারী এলাকায় অবস্থিত জেলা পরিষদ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে এ বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হয়। আহত অকিল উদ্দিন ভূঁইয়া নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। হামলার শিকার অকিল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতারা একসঙ্গে দাঁড়িয়ে ফটোসেশন করছিলেন। এ সময় আমিও তাদের পাশে দাঁড়াই। তখন হঠাৎ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি আমাকে প্রশ্ন করে বলেন, আপনি গত ১৭ বছর কোথায় ছিলেন। এ সময় এক কথায় দুই কথায় রনির সঙ্গে আমার তর্ক বাধে। পরে মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু আমাদের শান্ত করে মিলিয়ে দেন। এরপর আমি বের হয়ে জেলা পরিষদের সামনে নামাজের জায়গা খুঁজতে থাকি। তখন হঠাৎ করেই রনির লোকজন আমার ওপর হামলা চালায়। হামলাকারী যুবদল কর্মীরা আমার পরনের গেঞ্জি টেনে আমার মাথায় প্যাঁচিয়ে মারতে থাকে এবং শ্বাসরোধের চেষ্টা করে। এ সময় আশপাশের লোকজন আমাকে উদ্ধার করায় প্রাণে বেঁচে গেছি। এ বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিচার চাই।’ এ বিষয়ে জানতে জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনিকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু বলেন, বিষয়টি প্রথমে আমরা মীমাংসা করে দিয়েছিলাম। পরে বাইরে গিয়ে আবার হামলা করা ঠিক হয়নি। বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি জুলাই আন্দোলনের পর ফতুল্লার বিসিক নগরীর গার্মেন্টসের ঝুট সেক্টর দখল করতে শামীম ওসমানের ভাতিজা আজমীরী ওসমানের সহযোগী রকমতের সঙ্গে গোপন বৈঠক করে সমালোচনায় আসেন। এরপর চাঁদনী হাউজিংয়ে একটি গার্মেন্টসের ঝুট নামানোকে কেন্দ্র করে এলোপাতাড়ি গুলি করেন। এতে শিশুসহ এক বিএনপি নেতার ছেলে গুলিবিদ্ধ হয়। এ ঘটনায় রনি ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়। এছাড়াও জেলার শীর্ষ নেতাদের কাছে রনির বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ। এসব বিষয়ে দলের নীতিনির্ধারকরা কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় রনি দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন বলে নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন।
