র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

প্রবন্ধে ৩ জুলাই র্যাগিংয়ের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যা সংজ্ঞায়িত আক্রমণ (Physical Attack) হিসেবে গণ্য এবং ঘটনাটি সাম্প্রতিক (১৪ দিনের মধ্যে) এবং বাংলাদেশে ঘটেছে, তাই এটি হিংসা হিসেবে স্বীকৃত।

Reported by:SamakalSingle source
03/07/26•Jahangirnagar University campus (মহুয়া এলাকা ও স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ)

Killed

0

Injured

0

Summary

ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের কিছু শিক্ষার্থী ৫৫তম ব্যাচের নবীনদের র্যাগিং করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে এবং ১২ জনকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ঘটনা ৩ জুলাই রাত ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ঘটেছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সুভাশীষ রায় প্রান্তনাছিম উদ্দিন মজুমদারমো. আবু আবতাহী অনিকনাঈমুল হাসানআব্দুল্লাহ মাহদীইসফাক হাদীমো. রায়হান খানকাজী শাহ জামসেদ আলম নাবিলসাইফুল্লাহ মানসুর আনানমো. মাহফুজুর রহমান অন্তকার্তিক চন্দ্র রায়নাঈম আহমেদ সজিবমো. এহসানুল হকমোহাম্মদ আলী চিশতিহুসনে মোবারক

Tags

Vigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 05/07/26open original ↗

র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

র্যাগিংয়ের ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সমকাল জাবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬ | ১৩:১৭ | আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ | ১৩:২০ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ইতিহাস বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের র্যাগিংয়ের ঘটনায় একই বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের ১২ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে বলা হয়, ৩ জুলাই রাত ১১টা থেকে ২টা পর্যন্ত ইতিহাস বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী ৫৫তম ব্যাচের নবীনদের ‘ম্যানার শেখানোর’ নামে র্যাগিং করেন। এ ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮-এর ৫(ঙ) ধারা লঙ্ঘন করায় অভিযুক্তদের অধ্যাদেশের ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- সুভাশীষ রায় প্রান্ত, নাছিম উদ্দিন মজুমদার, মো. আবু আবতাহী অনিক, নাঈমুল হাসান, আব্দুল্লাহ মাহদী, ইসফাক হাদী, মো. রায়হান খান, কাজী শাহ জামসেদ আলম নাবিল, সাইফুল্লাহ মানসুর আনান, মো. মাহফুজুর রহমান অন্ত, কার্তিক চন্দ্র রায় এবং নাঈম আহমেদ সজিব। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা প্রথমে নবীনদের মহুয়া এলাকায় এবং পরে বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে নিয়ে যান। সেখানে পরিচয় ও শৃঙ্খলা শেখানোর নামে কান ধরিয়ে দাঁড় করানো, অশালীন ভাষায় গালিগালাজ এবং বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। এ সময় এক নবীন শিক্ষার্থী কৌশলে জাকসুর কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আলী চিশতির কাছে খবর দেন। এরপর ঘটনাস্থলে প্রক্টরিয়াল টিম ও জাকসুর অ্যান্টির্যাগিং সেলের সদস্যরা উপস্থিত হন এবং অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের আটক করে নিরাপত্তা কার্যালয়ে নিয়ে আসেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. এহসানুল হক বলেন, বাবা-মাকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়, কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় এবং পরিচয়ের নামে অপমানজনক আচরণ করা হয়। পরে জাকসুর নেতা মোহাম্মদ আলী চিশতী, হুসনে মোবারক ও প্রক্টরিয়াল টিম ঘটনাস্থলে এসে আমাদের উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় শনিবার ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরাও লিখিতভাবে ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন। তাদের স্বীকারোক্তিতে ৫৫তম ব্যাচের ১৩ শিক্ষার্থীকে ‘ম্যানার শেখানোর’ নামে র্যাগিং করার কথা উল্লেখ করেছে।