কসবায় আবারও দুপক্ষের সংঘর্ষ আহত ১৫

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a single, concrete incident on Saturday, 13 June 2026, in which two village groups from Shahpur and Airabari fought with sticks and rods over a dispute about luggage. The clash left at least 15 people injured, six of them in critical condition, and police responded with tear gas and rubber bullets. The incident is recent and within Bangladesh, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorProthom AloCorroborated · 2 sources
13/06/26•Kadamtali, Kasba Upazila Sadar

Killed

0

Injured

15

Summary

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় ওমরাহ ফেরত এক নারীর লাগেজ না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ১৩ জুন ২০২৬ (শনিবার) শাহপুর ও আড়াইবাড়ী গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন, যাদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মরিয়ম বেগমফয়সালমো. গিয়াস উদ্দিন (মোয়াল্লেম)নাজনিন সুলতানা (কসবা থানার ওসি)মাহিনুর সুলতানা (চিকিৎসক)সাইফুল ইসলাম

Affected infrastructure

মোয়াল্লেমের অফিসদ্য কসবা কো-অপারেটিভ মার্কেট

Tags

Gang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 15

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 14/06/26open original ↗

কসবায় আবারও দুপক্ষের সংঘর্ষ আহত ১৫

হজযাত্রীর লাগেজ না পাওয়া কসবায় আবারও দুপক্ষের সংঘর্ষ আহত ১৫ Advertisement কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কসবায় ওমরাহ ফেরত এক যাত্রীর লাগেজ ও মালামাল না পাওয়াকে কেন্দ্র করে ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুপক্ষ। সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের পাশাপাশি রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার বেলা ১১টায় উপজেলা সদরের কদমতলী এলাকায় স্থানীয় শাহপুর ও আড়াইবাড়ী গ্রামের লোকজনদের মধ্যে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এর আগে লাগেজের জেরে বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কসবা পৌরসভার নতুনবাজারের ‘দ্য কসবা কো-অপারেটিভ মার্কেটে’ পালটাপালটি ধাওয়া, ভাঙচুর ও মারামারির ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কসবা পৌরসভার শাহপুর এলাকার বাসিন্দা মরিয়ম বেগম কয়েক মাস আগে পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য সৌদিতে যান। সম্প্রতি দেশে ফেরার পরও তার লাগেজ ও মালামাল হাতে না পাওয়ায় তিনি ছেলে ফয়সালকে সঙ্গে নিয়ে নতুনবাজারে অবস্থিত মোয়াল্লেম মো. গিয়াস উদ্দিনের অফিসে যান। সেখানে লাগেজের বিষয়ে জানতে চাইলে মোয়াল্লেমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মালামাল এখনো কার্গোতে রয়েছে এবং দেশে পৌঁছালে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এ নিয়ে মরিয়মের ছেলে ফয়সালের সঙ্গে মোয়াল্লেমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে অফিসটিতে ভাঙচুর এবং ফয়সালকে মারধর করে মোয়াল্লেমের লোকজন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে শাহপুর ও আড়াইবাড়ী এলাকার বাসিন্দারা লাঠিসোঁটা ও রড নিয়ে ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বৃহস্পতিবারের ওই ঘটনার পর কসবা থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও শনিবার সেই বিরোধের জেরে আবারও নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ চলা সংঘর্ষ অবশেষে প্রশাসন ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে সংঘর্ষের ঘটনায় ১৫ জন আহত হয়েছেন। কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহিনুর সুলতানা জানান, রাবার বুলেটের আঘাত গুরুতর হওয়ায় শাহপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম নামের একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেলে রেফার্ড করা হয়েছে। কসবা থানার ওসি নাজনিন সুলতানা বলেন, আগের বিরোধের জেরে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ফের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Source 2: Prothom Alo · 13/06/26open original ↗

হজযাত্রীর লাগেজ হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

হজযাত্রীর লাগেজ হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ। আজ শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কদমতলী এলাকায়ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় এক হজযাত্রীর লাগেজ হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কসবার কদমতলী এলাকায় শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কসবা পৌরসভার শাহপুর গ্রামের মরিয়ম বেগম (৬২) এ বছর হজ পালনের উদ্দেশ্যে একটি হজ কাফেলার মাধ্যমে সৌদি আরবে যান। ফেরার পথে তিনি সৌদি আরবে একটি লাগেজ হারিয়ে ফেলেন। ওই লাগেজ ছাড়াই তিনি দেশে আসেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লাগেজটি ফিরে পেতে তাঁর পরিবারের সদস্যরা উপজেলার আড়াইবাড়ি গ্রামের মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের ‘কসবা হজ কাফেলা’ ট্রাভেল এজেন্সিতে যান। কর্তৃপক্ষ জানায়, লাগেজের দায়িত্ব হজযাত্রীর। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। কথা–কাটাকাটির এক পর্যায়ে হজযাত্রীর পরিবারের সদস্যরা এজেন্সিতে ভাঙচুর চালান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। পুলিশ জানায়, ওই ঘটনার জের ধরে আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে কসবা পৌরসভার শাহপুর ও আড়াইবাড়ি গ্রামের লোকজন লাটিসোঁটা, ছুরি, দা, বল্লমসহ দেশি অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের কারণে কদমতলী মোড়সহ আশপাশের এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ ছিল। বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে কসবা থানার পুলিশ, উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। সংঘর্ষকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। দুপুর পর্যন্ত দুই গ্রামের বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে। দুপুরে বৃষ্টির সময় সংঘর্ষ বন্ধ হয়। সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। তাঁরা কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। শনিবার দুপুরে কসবা উপজেলার কদমতলী এলাকায়ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া একাধিকবার চেষ্টা করেও মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় কসবা হজ কাফেলার পরিচালক মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজনীন সুলতানা বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আনুমানিক ২০টি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পরবর্তী সংঘর্ষ এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ব্রাহ্মণবাড়িয়াপুলিশকসবাসংঘর্ষপবিত্র হজচট্টগ্রাম বিভাগহাসপাতাল