‘চাকরি করব না’ বলায় কাল হলো দোকান কর্মচারীর
Why this classification
This incident is classified as violence because a shop owner and his associates physically beat an employee with an iron pipe over a workplace dispute, resulting in injuries requiring hospitalization.
Killed
0
Injured
1
Summary
কাজে দেরিতে আসার কারণে চাকরি ছাড়ার কথা বলায় লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মো. সোহাগ নামে এক দোকান কর্মচারীকে লোহার জিআই পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছেন দোকান মালিক কবির হোসেন ও তার সহযোগীরা। এ ঘটনায় আহত কর্মচারী বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
‘চাকরি করব না’ বলায় কাল হলো দোকান কর্মচারীর
‘চাকরি করব না’ বলায় কাল হলো দোকান কর্মচারীর Advertisement রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম প্রতীকী ছবি কর্মস্থলে দেরিতে আসায় মো. সোহাগ নামে এক কর্মচারীকে লোহার জিআই পাইপ দিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। লক্ষ্মীপুরে 'চাকরি করব না' বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে দোকান মালিক কবির হোসেন তাকে মারধর করেন। সোমবার (৬ জুলাই) রাত ৯টার দিকে কবির নিজেই বিষয়টি স্বীকার করেছেন। আহত সোহাগ বর্তমানে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার লামচরী এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে ও শহরের ঝুমুর এলাকার বিসমিল্লাহ মিষ্টি বাজারের মার্কেটিং অফিসার। কর্মস্থলে দেরিতে আসায় বেলা ১১টার দিকে দোকান মালিক কবির তাকে পিটিয়ে আহত করেন। সোহাগ বলেন, সমস্যা থাকায় দোকানে আসতে আমার দেরি হয়। এ নিয়ে কবির আমাকে উলটাপালটা কথা বলেন। পরে আমি চাকরি করব না বলি। এ সময় কবির, তার ভাতিজা ও এক কর্মচারী মিলে আমাকে জিআই পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। আমার হাত-পায়ের গিরায় গিরায় মারাত্মক আঘাত করেছেন তারা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে সোহাগের বাবা আব্দুল মালেক বলেন, আমি কখনো সোহাগকে মারি নাই। কিন্তু কবির আমার ছেলেকে বেদম পিটিয়েছে। আমার ছেলে এখন হাসপাতালে শুয়ে আছে। আমি এর বিচার চাই। দোকান মালিক কবির হোসেন বলেন, সোহাগ প্রতিদিনই কাজে দেরিতে আসেন। আজও তিনি দেরিতে এসেছেন। কারণ জানতে চাইলে, তিনি চাকরি করবে না বলে জানায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মেরেছি। তবে ভুল করেছি। লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি জানা নেই। কেউ আমাদের জানাননি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
