আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল: মহাসড়ক অবরোধ করল নেতাকর্মীরা
Why this classification
The article reports a political blockade and vandalism (cutting trees) by BNP activists in protest of a court verdict, which constitutes political unrest.
Killed
0
Injured
0
Summary
বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের প্রতিবাদে সীতাকুণ্ডে মহাসড়ক অবরোধ করে নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার বিকেলে গাছ কেটে ও টায়ার জ্বালিয়ে ব্যারিকেড দেওয়ায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল: মহাসড়ক অবরোধ করল নেতাকর্মীরা
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল: মহাসড়ক অবরোধ করল নেতাকর্মীরা রাতে ব্যারিকেড সরাল পুলিশ-প্রশাসন ছবি: সমকাল সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬ | ১০:৫৯ | আপডেট: ০১ জুলাই ২০২৬ | ১১:৪৬ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা আপিল বিভাগের রায়ে বাতিল হওয়ার খবরে নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ-প্রতিবাদ করেছে। রায়ের প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে গাছ ফেলে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে আসলাম চৌধুরীর অনুসারী নেতাকর্মীরা। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল থেকে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে দেওয়া এসব ব্যারিকেড রাতে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার ঋণখেলাপি সংক্রান্ত মামলায় আপিল বিভাগ আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায় ঘোষণা করেন। এই খবর সীতাকুণ্ড এলাকায় পৌঁছানোর পরপরই দুপুর ১২টার পর থেকে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের একাংশ রাস্তায় নেমে আসেন। উপজেলার ছোট দারোগারহাট, রয়েল সিমেন্ট গেট, বাড়বকুণ্ড, কুমিরা, ভাটিয়ারী ও সলিমপুরসহ মহাসড়কের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টায়ার জ্বালিয়ে এবং গাছ কেটে ফেলে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। এ সময় তারা রায়ের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। হুট করে মহাসড়ক অবরোধের ফলে দুপাশে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে এবং তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগামী প্রবাসী ও সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশ এবং বারআউলিয়া হাইওয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলগুলোতে অবস্থান নেয়। পুলিশ বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার ছোট দারোগারহাট ও রয়েল সিমেন্ট গেটসহ অন্যান্য পয়েন্টে মহাসড়কের ওপর ফেলে রাখা গাছ ও প্রতিবন্ধকতাগুলো পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপরই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ধীরে ধীরে গাড়ি চলাচল শুরু করে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে থাকে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে একাধিক স্থানে ১০টির অধিক গাছ কাটা হয়েছে। সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়ের পর বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা কয়েকটি স্থানে গাছ ফেলে মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা করেছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেয় এবং ব্যারিকেড অপসারণ করে। বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। বার-আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ জানান, মহাসড়কের কয়েকটি স্থানে হঠাৎ ব্যারিকেড দেওয়ার ফলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল। এতে ২০ কিলোমিটারের অধিক সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়েছিল। মঙ্গলবার গভীর রাতে ব্যারিকেড সরানো হলে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়। আসলাম চৌধুরীর অনুসারী সীতাকুণ্ড উপজেলা বিএনপির সভাপতি ডা. কমল কদর দাবি করেন, জনগণের বিপুল ভোটে নির্বাচিত ও ত্যাগী নেতা আসলাম চৌধুরীকে রাজনৈতিক চক্রান্তের শিকার বানানো হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে উপজেলা কমিটির বৈঠকে পরবর্তী কর্মসূচি ঠিক করার কথা থাকলেও ওই বৈঠক হয়নি। আজ বুধবার দলের বৈঠকে কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে। তবে রায়ের প্রতিক্রিয়ায় আসলাম চৌধুরী নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ রায় হাতে পাওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়ায় এর বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করা হবে।
আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের খবরে গাছ ফেলে মহাসড়ক অবরোধ
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করেছেন আপিল বিভাগ। এ রায়ের পর মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে সীতাকুণ্ডের ছোট দারোগারহাট এলাকায় তার অনুসারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনকারীরা গাছ চেইনসো (গাছ কাটার ইলেকট্রনিক করাত) দিয়ে মহাসড়কের পাশের গাছ কেটে সেগুলোর গুঁড়ি সড়কের ওপর ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করে। পুরো গাছ কেটেও রাখা হয়েছে সড়কে। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের একপাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন শত শত যাত্রী। সড়কে অবরোধের কারণে অন্তত ৫ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ডিউটি অফিসার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জানান, মহাসড়কের একপাশে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে এবং অবরোধকারীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। আদালতের রায়ের পর আইনজীবীরা জানান, এখন চট্টগ্রাম-৪ আসনে পুনর্নির্বাচন হবে, নাকি জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে, তা আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর জানা যাবে। এর আগে গত ১৫ জুন আপিল বিভাগ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আনোয়ার সিদ্দিকীর করা আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে আসলাম চৌধুরীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম-৪ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না করার নির্দেশও দেওয়া হয়। পরে আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিলেও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই আসনের ফলাফল এখন পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে। আরএমএন/এসএম
রায়ের পর গাছ ফেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
শপথ নিতে পারবেন না আসলাম চৌধুরী রায়ের পর গাছ ফেলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ Advertisement সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৮:০৪ পিএম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ ঋণখেলাপি হওয়ায় চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আসলাম চৌধুরী শপথ নিতে পারবেন না বলে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের চার সদস্যের বেঞ্চ এ রায় দেন। এর আগে ১৫ জুন শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেন। এ রায় ঘোষণার পর মঙ্গলবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) সংসদীয় আসনের দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বিকালে সীতাকুণ্ডের ছোট দারোগাহাট এলাকায় তার অনুসারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনকারীরা গাছ চেইনসো (গাছ কাটার ইলেকট্রনিক করাত) দিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশের গাছ কেটে সেগুলোর গুঁড়ি সড়কের উপর ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করেন। পুরো গাছ কেটেও রাখা হয়েছে সড়কে। বাড়বকুণ্ড বাজারে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বিক্ষোভ সমাবেশ করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উভয়পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন শত শত যাত্রী। সড়ক অবরোধের কারণে দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। উভয়দিকে অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার বিকালে ভাটিয়ারী ইউনিয়ন পরিষদের সামনের থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে শহীদ মিনার চত্বরে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে আলমগীর মেম্বারের নেতৃত্ব কুমিরা এলাকার মহাসড়কে বিক্ষোভ মিছিল করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। ভাটিয়ারীতে প্রতিবাদ সভায় বক্তারা অবিলম্বে আপিল বিভাগের রায় বাতিল করে লায়ন মো. আসলাম চৌধুরীকে শপথ নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার আহবান জানান। মো. আলীর সভাপতিত্বে এবং শহীদুল ইসলাম শহিদের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- ফিরোজুল আলম, নাছির সওদাগর, সোলেমান, হানিফ মাঝি, মো. ইউনুছ, মো. ওয়াসিম, মো. শাওন, অনিক, মো. কফিল উদ্দিন, মহিলা দল নেত্রী লাকি আক্তার, মুন্নি আক্তারসহ নেতারা। বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ওসি এমএ হক যুগান্তরকে বলেন, মহাসড়কের উভয়পাশে পাশে যান চলাচল বন্ধ থাকার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে অবরোধকারীদের সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেছে। আদালতের রায়ের পর আইনজীবীরা জানান, এখন চট্টগ্রাম-৪ আসনে পুনর্নির্বাচন হবে, নাকি জামায়াতের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে, তা আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর জানা যাবে। এর আগে গত ১৫ জুন আপিল বিভাগ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেছিলেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি আনোয়ার সিদ্দিকীর করা আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে আসলাম চৌধুরীকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে একই সঙ্গে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম-৪ আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ না করার নির্দেশও দেওয়া হয়। পরে আসলাম চৌধুরী নির্বাচনে অংশ নিলেও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ওই আসনের ফলাফল এখন পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে।
