মহাখালীতে ‘প্রেমিকার’ ছুরিকাঘাতে রেলওয়ে কর্মকর্তা খুন, গ্রামে ৭ মাসের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা
Why this classification
এটি একটি নির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা—২০২৬ সালের ১১ জুলাই ঢাকার মহাখালীতে বিউটি আক্তার মামুন ভুঁইয়াকে ছুরিকাঘাত করেন এবং পরে তার মৃত্যু হয়। ঘটনাটি বৈধ ও সাম্প্রতিক হলেও এটি দলীয় রাজনৈতিক সহিংসতা নয়; এটি ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত অপরাধমূলক হত্যা।
Killed
1
Injured
0
Summary
১১ জুলাই শনিবার মহাখালী টিবি গেট এলাকার একটি বাসায় প্রেমিকা বিউটি আক্তারের ছুরিকাঘাতে আহত হন রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মামুন ভুঁইয়া; ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 9
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Individual
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Individual
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মহাখালীতে ‘প্রেমিকার’ ছুরিকাঘাতে রেলওয়ে কর্মকর্তা খুন, গ্রামে ৭ মাসের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা
মহাখালীতে ‘প্রেমিকার’ ছুরিকাঘাতে রেলওয়ে কর্মকর্তা খুন, গ্রামে ৭ মাসের স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা নিহত মো. মামুন ভুঁইয়া সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬ | ২২:৪৪ রাজধানীর মহাখালী এলাকায় ছুরিকাঘাতে আহত এক ব্যক্তি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। নিহত মো. মামুন ভুঁইয়া (৩০) বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী। আজ শনিবার সন্ধ্যায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিউটি আক্তার (৩০) নামে ওই নারীকে আটক করেছে পুলিশ। দু’জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং তারা উভয়েই বিবাহিত। ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে মহাখালী টিবি গেট এলাকার ‘ছ’ ব্লকের ৮ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলার একটি কক্ষে। ওই বাড়ির মালিক সুমন মাহমুদ জানান, তাদের বাড়ির পাশেই ক্যানসার হাসপাতাল। তাদের চারতলা বাড়ির দ্বিতীয় ও চতুর্থতলায় বাস করেন তারা। তৃতীয় ও নিচতলার কক্ষ গেস্টহাউজ হিসেবে দিন চুক্তিতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর স্বজন কিংবা চিকিৎসা নিতে আসা ব্যক্তিদের কাছে ভাড়া দেন। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে বিউটি আক্তার নামে এক নারী রোগীর স্বজন পরিচয়ে তিনতলার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। রাতে বাসায় ওঠার সময় বিউটি বলেছিলেন, শনিবার সকালে তার স্বামী আসবেন। আজ সকাল ১০টার দিকে মামুন আসেন ওই বাসায় আসেন। সুমন মাহমুদ বলেন, দুপুর একটার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় সিঁড়ি দিয়ে দৌড়ে নেমে দ্বিতীয় তলায় আমার শ্বাশুড়ির বাসায় ঢুকে বাঁচার আকুতি জানান। তার পেছনে বিউটিও ছুটে যান ওই বাসায়। এরপর বিউটিকে বাসায় আটকে রেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই বনানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিউটিকে আটক করে নিয়ে যায়। অন্যদিকে, আহত মামুনকে দুপুরে আমার শাশুড়ি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। পরে খবর পেয়ে আমিও হাসপাতালে যাই। সন্ধ্যা ৭টার দিকে মামুনের মৃত্যু হয়। পুলিশ জানায়, বিউটির স্বামী প্রবাসী। বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায়। একই জেলার ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মালিহাটি গ্রামে মামুনের বাড়ি। তারা পূর্ব পরিচিত। নিহত মামুনের চাচা মোকছেদ আলী ভুঁইয়া জানান, পুলিশের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি হাসপাতালে গিয়ে মামুনের লাশ দেখতে পান। তিনি আরও জানান, মামুনের স্ত্রী শাহিনা আক্তার ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গ্রামের বাড়ি থাকেন। গত ১ জুলাই মামুন উপ-সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে রেলওয়েতে চাকরিতে যোগ দেন। বনানী থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, মামুন ও বিউটির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার মামুন ওই বাসায় বিউটির সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় বিউটি তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন। কিন্তু বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় বিউটি তার পেটে ও পুরুষাঙ্গে ছুরিকাঘাত করেন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মামুনের মৃত্যু হয়।
বনানীতে ট্রেনে ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী আহত
বনানীতে ট্রেনে ছুরিকাঘাতে শিক্ষার্থী আহত Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর বনানীতে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে তোফায়েল ইসলাম নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। শনিবার বিকাল পৌনে ৩টার দিকে বনানী রেলস্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত তোফায়েল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার অনন্তপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আলহাজ শাহ আলম ডিগ্রি কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। আহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, শুক্রবার তোফায়েল ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকার হাজারীবাগে এক আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে আসেন। শনিবার বিকালে তিনি গ্রামে ফেরার উদ্দেশে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে চট্টগ্রামগামী ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ওঠেন। ট্রেন বনানী এলাকা পার হওয়ার সময় ৪-৫ জন ছিনতাইকারী যুবক ট্রেনের ভেতরে তোফায়েলকে ঘিরে ধরে। তারা জোরপূর্বক তার মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে ছিনতাইকারীরা তার পিঠে ছুরিকাঘাত করে। পরে ট্রেনটি ক্যান্টনমেন্ট ক্রসিং এলাকায় গতি কমালে ছিনতাইকারীরা কিছু না নিয়ে লাফিয়ে নেমে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে মাহবুব নামের এক পথচারী তোফায়েলকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই শিক্ষার্থীর ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট রেলওয়ে থানা পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।
