পল্লবীতে ফার্মেসি ভাঙচুর কুপিয়ে জখম
Why this classification
A gang armed with a pistol and machetes attacked a pharmacy shopkeeper in Pallabi, Dhaka, after he refused to pay extortion money, seriously injuring him. The incident occurred on 30 September 2026, within the recent window, and police later arrested three attackers with a firearm.
Killed
0
Injured
1
Summary
ঢাকার পল্লবীতে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ২২ তলা গার্মেন্টের পেছনের একটি ফার্মেসিতে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতির জেরে ফোর স্টার গ্রুপের সদস্যরা হামলা চালিয়ে দোকানি আফজাল মোল্লাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। ঘটনার পর ডিবি পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Four Star Group
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
চাঁদা না পেয়ে কারখানায় কিশোর গ্যাংয়ের সশস্ত্র হামলা, গ্রেপ্তার ৫
চাঁদা না পেয়ে কারখানায় কিশোর গ্যাংয়ের সশস্ত্র হামলা, গ্রেপ্তার ৫ ছবি: সমকাল সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১:৩৬ রাজধানীর আদাবরে এমব্রয়ডারি কারখানায় চাঁদাবাজি ও হামলার ঘটনায় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান রোহান খান রাসেলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে আদাবরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার অপর চারজন হলো- মারুফ, হাসান, রায়হান ও রোমান। পুলিশ বলছে, রাসেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার নেতৃত্বে এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। এমব্রয়ডারি কারখানায় হামলার ঘটনায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এরকম একটা সংবাদ আমার কানেও এসেছে। আমি এটা খোঁজ নিতে বলেছি, তদন্ত করে রিপোর্ট সাবমিট করতে বলেছি। যদি সেরকম কিছু হয়, আমরা এ সমস্ত বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।’ রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্থানীয়রা জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে আদাবরের মনসুরাবাদ এলাকায় আবির এমব্রয়ডারি কারখানায় শ্রমিকদের বেতন দিচ্ছিল। এ সময় রাসেল ও তার ৩-৪ জন সহযোগী ওই কারখানায় গিয়ে শ্রমিকদের কাছে চাঁদা দাবি করে। তখন শ্রমিকদের সঙ্গে তাদের তর্কবিতর্ক হয়। রাসেলরা সংখ্যায় কম থাকায় শ্রমিকদের ধাওয়ায় তারা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর রাসেল ও তার গ্রুপের ১২-১৪ জন চাপাতিসহ ধারালো অস্ত্র নিয়ে ওই কারখানায় হামলা চালায়। শ্রমিকদের কাছে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে তারা। হামলায় দুইজন শ্রমিক আহত হন। তারা হামলা করে ফিরে গেল শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা রাত ১০টার দিকে হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আদাবর থানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ করে। রাতে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আদাবর থানায় মামলা হয়। পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান সমকালকে বলেন, শনিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান রাসেলসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাসেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। - বিষয় : - কিশোর গ্যাং - গ্রেপ্তার - রাজধানী
পল্লবীতে ফার্মেসি ভাঙচুর কুপিয়ে জখম
চাঁদা না দেওয়ায় ফোর স্টার গ্রুপের হামলা পল্লবীতে ফার্মেসি ভাঙচুর কুপিয়ে জখম Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর পল্লবীতে ২২ তলা গার্মেন্টের পেছনে মঙ্গলবার সন্ত্রাসীরা পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা চালায় -সংগৃহীত রাজধানীর পল্লবীতে একটি ফার্মেসিতে হামলা চালিয়ে দোকানদারকে কুপিয়ে গুরুতর জখমের ঘটনা ঘটেছে। ৩০ সেপ্টেম্বর পল্লবীর ২২ তলা গার্মেন্টের পেছনে একটি ফার্মেসিতে এ ঘটনা ঘটে। তবে মঙ্গলবার সেটি সামাজিক যোগাযোমাধ্যমে প্রকাশ পায়। পুলিশ বলছে, মিরপুরের দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে ওই ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা সবাই শীর্ষ সন্ত্রাসী ফোর স্টার গ্রুপের সদস্য মশিউর রহমান মশুর লোক। চাঁদা দিতে রাজি না হওয়ায় হামলা চালানো হয়েছে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় অভিযোগ করেনি কেউ। মহড়ার ছবি বিশ্লেষণ করে হামলাকারী দলের তিনজনকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতার তিনজন হলেন-জনি, পারভেজ ও হারুন। তাদের কাছ থেকে একটি নাইন এমএম বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও আট রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী দোকানি আফজাল মোল্লা শরিয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার মৃত ইউসুফ মোল্লার ছেলে। হামলা ও কোপানোর ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তাতে দেখা যায়, মুখে মাস্ক পরা তিন যুবক এক ব্যক্তির টি-শার্টের কলার ধরে মারধর করছেন। একজন রামদা দিয়ে কোপাচ্ছেন এবং আরেকজন আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। অপর যুবক দোকান থেকে ব্যাগে করে কিছু একটা নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আরেকটি ভিডিওতে একটি তরবারি দেখা যায়। তবে সেটি কার হাতে ছিল, দেখা যায়নি। পরে আরও এক যুবক দোকান থেকে কিছু একটা নিয়ে চলে যান। এ সময় হামলার শিকার ওই ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়-‘আমি কিছু করব না, আমি কিছু করব না বাবা।’ ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় হামলাকারীরা। পরে ওই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত হাত চেপে ধরে থাকতে দেখা যায়। প্রশাসনকে জানালে মেরে ফেলা হবে, এমন হুমকি, ভয়ে তিনি পুলিশের দ্বারস্থ হননি। তবে হুমকিদাতাদের তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তাদের মধ্যে রিয়াজ, ইব্রাহীম, হারুন, সুজন, সজিব, জুবায়ের, রাহুলসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা গেছে। জানতে চাইলে পল্লবী থানার ওসি মো. হাসান বাসির বলেন, ঘটনাটি ৩০ সেপ্টেম্বরের। আমরা মঙ্গলবার জানতে পেরেছি। ওই দোকানদারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। তবে তিনি আসেননি, অভিযোগও করেননি। ওসি আরও বলেন, মিরপুরের সন্ত্রাসী মশিউর গ্রুপের লোকজন ওই দোকানদারের ফার্মেসিতে হামলা চালিয়েছে, এমন তথ্য পেয়েছি। দোকানদার আশিক গ্রুপকে সহযোগিতা করে এবং তথ্য দেয়, এমন অভিযোগে হামলা করা হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। ডিবির মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রাকিব খান বলেন, পল্লবীর পলাশ নগর এলাকায় তিনটি মোটরসাইকেলে সাতজনের একটি দল অস্ত্র দেখিয়ে মহড়া দেয়। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার রাতে বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের তিনজনকে অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। রিমান্ডে মহড়া ও অস্ত্রের উৎসের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ডিবি সূত্রে জানা গেছে, পল্লবীর বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন-মশিউরের পরিচয় ব্যবহার করে একটি গ্রুপ জমি দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধ করে আসছে। মূলত শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন-মশিউর গ্রুপের নাম ব্যবহার করে কাশেম নামের এক ব্যক্তি এলাকায় আতঙ্ক তৈরি করছে। এ চক্রের কাছে আরও অস্ত্র রয়েছে বলে ডিবি তথ্য পেয়েছে।
