এসএসসি পরিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a stabbing and killing of a student during a drug‑use conflict, which is a physical attack resulting in death and injuries, thus it meets the violence criteria and is recent.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
10/06/26•বেলাল মাস্টারের বাড়ি সামনে, নবীপুর ইউনিয়ন

Killed

1

Injured

3

Summary

২০২৬-০৬-১০ তারিখে নোয়াখালীর সেনবাগে মাদক সেবনে বাধা দেওয়ার ফলে এসএসসি শিক্ষার্থী আরাফাত হোসেন ফাহিম কুপিয়ে নিহত হন। ঘটনায় রকিবুল ইসলাম রিফাত ও শাকিবসহ দুইজন গুরুতর আহত হন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

আরাফাত হোসেন ফাহিমহারুন মিয়ামমিনজাহাঙ্গীররকিবুল ইসলাম রিফাতশাকিবদেলোয়ার হোসেন নোবেলআবদুর রহিম সরকার

Tags

Drug WarMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 11/06/26open original ↗

মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ

নোয়াখালী মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ নিহত আরাফাত হোসেন ফাহিম নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬ | ০৯:৪২ নোয়াখালীর সেনবাগে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৬) নামে এক স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে মাদকসেবীরা বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের দেবিসিংহপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নোয়াখালী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ-প্রশাসন) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নিহত আরাফাত বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপুর এলাকার মো. শাহজাহানের ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। এ ঘটনায় মো. হারুন (৩৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক হারুন একই গ্রামের জোড়া বাড়ির জয়নাল আবেদীনের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী দেলোয়ার হোসেন নোবেল জানান, দেবিসিংহপুর গ্রামের হাজেরা দিঘীর পেছনের একটি পুলের ওপর দীর্ঘদিন ধরে হারুন, জাহাঙ্গীর, আবুল খায়ের ও মমিনের নেতৃত্বে মাদক ব্যবসা ও সেবন চলত। কয়েকদিন আগে মান্না নামে এক মাদকসেবীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হারুনের সম্পৃক্ততার কথা জানায়। এরপর স্থানীয় কয়েকজন তরুণ মাদক বিক্রি ও সেবনের প্রতিবাদ করে এবং এলাকায় পাহারা বসায়। এতে কয়েকদিন মাদকের আড্ডা বন্ধ ছিল। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয় সোমবারিয়া বাজারের পাশে হারুন, মমিন ও জাহাঙ্গীর গাঁজা সেবন করছিল। এ সময় আরাফাত হোসেন ফাহিম, সায়েম, রিফাত ও সাকিবসহ কয়েকজন তরুণ তাদের বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। একপর্যায়ে মাদকসেবীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে ফাহিমের বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়। এছাড়া রিফাতের হাতের রগ কেটে দেওয়া হয় এবং সাকিবের ডান হাতে এলোপাতাড়ি কোপ দেওয়া হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরাফাত মারা যায়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্বজনরা জানান, ফাহিমের নানার বাড়ি দেবিসিংহপুর গ্রামের বেলাল মাস্টার বাড়ি। এছাড়া তার খালার বাড়িও একই এলাকায়। বুধবার সন্ধ্যায় সে নিজ বাড়ি থেকে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার বলেন, ‘মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার মূলহোতা হারুনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তাক্ত ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ - বিষয় : - ছুরিকাঘাতে হত্যা - স্কুলছাত্র

Source 2: Jugantor · 12/06/26open original ↗

এসএসসি পরিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা

মাদক সেবনে বাধা এসএসসি পরিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা Advertisement সেনবাগ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আরাফাত হোসেন ফাহিম। ছবি: সংগৃহীত মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় নোয়াখালীর সেনবাগে আরাফাত হোসেন ফাহিম নামের এক এসএসসি পরিক্ষার্থীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে হত্যার মূল আসামি হারুন মিয়াকে গ্রেফতার করে। বুধবার রাতে উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বেলাল মাস্টারের বাড়ির সামনে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার রাতে দেবীসিংহপুর গ্রামের হারুন মিয়া, মমিন ও জাহাঙ্গীর একসঙ্গে মাদক সেবন করছিল। একই গ্রামের আরাফাত হোসেন ফাহিম, রকিবুল ইসলাম রিফাত ও শাকিব বাধা দিতে গেলে তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ফাহিমকে কুপিয়ে আহত করে প্রতিপক্ষ। এ সময় ফাহিম, রিফাত ও শাকিব গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফাহিম মারা যায়। এ ঘটনায় ফাহিমের মা পারভিন আক্তার বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় ১১ জনকে আসামি মামলা করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী দেলোয়ার হোসেন নোবেল বলেন, দেবীসিংহপুর গ্রামের হাজেরা দিঘির একটি পোলের ওপর দীর্ঘদিন ধরে হারুন, জাহাঙ্গীর, আবুল খায়ের ও মমিনের নেতৃত্বে মাদকের ব্যবসা চলত। স্থানীয় তরুণরা মাদক বিক্রি ও সেবনের প্রতিবাদ জানিয়ে পাহারার ব্যবস্থা করেন। এতে কয়েকদিন ধরে সেখানে মাদকের আড্ডা বন্ধ ছিল। এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বুধবার রাতে হারুনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় ফাহিমের বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়, রিফাতের হাতের রগ কেটে দেওয়া হয় এবং সাকিবের ডান হাতে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করা হয়। ফাহিমের বাবা শাহজাহান বলেন, লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। আমার ছেলেকে আল্লাহর কাছে আমানত করে দিলাম। সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রহিম সরকার জানান, ঘটনার পরপরই মূল আসামি হারুনকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিচার দাবিতে লাশ নিয়ে চৌমুহনীতে মহাসড়ক অবরোধ : নোয়াখালী (উত্তর) প্রতিনিধি জানান, ফাহিম হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে চৌমুহনীতে মহাসড়ক অবরোধ করে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নোয়াখালী-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌমুহনী কাচারি বাড়ি মসজিদের সামনে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। এ সময় সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। চৌমুহনী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, পুলিশ গিয়ে যানজট নিরসনে কাজ করে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে।