মানিকগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে হামলা, চালক-শিক্ষার্থীসহ আহত অন্তত ১০

AI-classifiedconfidence 98%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Manikganj. Parties reported: Jagannath University Students, Local Residents. Reported casualties: 0 killed and 10 injured. Reported by 3 sources.

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaSamakalCorroborated · 3 sources
11/08/26•Bondokshin Bazar, Singair

Killed

0

Injured

10

Summary

২০২৬ সালের ১১ আগস্ট মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অটোচালকের সাথে তর্কের জেরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বাসে হামলা চালিয়েছে স্থানীয়রা। এতে বাসচালক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

98% · severity 4

Parties involved

Jagannath University StudentsLocal Residents

Tags

Vigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 11/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 24/06/26open original ↗

সিংগাইরে স্কুলছাত্রীর লাশ / প্রধান আসামির বাড়িতে ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ৮

সারাদেশ সিংগাইরে স্কুলছাত্রীর লাশ প্রধান আসামির বাড়িতে ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ৮ × মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬ | ০৭:৩২ | প্রিন্ট সংস্করণ - অ + মানিকগঞ্জের সিংগাইরে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মারিয়া আক্তার (১৪) হত্যার ঘটনায় আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল সোমবার এ ঘটনায় তার মা কামরুন্নাহার বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতপরিচয় পাঁচজনকে আসামি করা হয়। এদিকে গতকাল দুপুরে মামলার প্রধান আসামির বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে উত্তেজিত জনতা। মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– প্রধান আসামি ও মারিয়ার কথিক প্রেমিক সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির এক ছাত্র, তার মা ও বোন; রাসেল, মাসুদ, সুজন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম ও আইসিটি শিক্ষক মো. ইয়াকুব মোল্লা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, গত ১৫ জুন সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে মারিয়ার একটি ঘটনায় তাদের অভিভাবকদের ডেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুজনকেই টিসি দেয়। সেদিনই নিখোঁজ হয় মারিয়া। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর রোববার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার চন্দননগর এলাকায় কবরস্থানের কাছে ঝোপে মারিয়ার অর্ধগলিত খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। দেহের ওপরের অংশ একটি গাছের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ছিল এবং কোমরের নিচের অংশ পাশে মাটিতে পড়ে ছিল। পরে সন্ধ্যায় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় রোববার রাতেই স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মারিয়ার প্রেমিককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন। সোমবার দুপুরে তার বাড়িতে হামলা হয়। পুলিশ এসে বিক্ষুব্ধ লোকজনকে শান্ত করে। হত্যা মামলায় বাদী কামরুন্নাহার উল্লেখ করেছেন, প্রধান আসামি তাঁর মেয়েকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি পরিবারকে জানালে মেয়ের ক্ষয়ক্ষতি করার হুমকি দেয়। মারিয়া গত ১৫ জুন সকাল ৯টায় স্কুলে যায়। সেদিন বিকেল ৩টার দিকে প্রধান শিক্ষক মোবাইল ফোনে বলেন, ‘স্কুলে আসেন। আপনার মেয়েকে একটি ছেলের সঙ্গে কথা বলতে দেখেছি। মেয়েকে স্কুলে রাখব না।’ তিনি বিদ্যালয়ে যাওয়ার পর ছেলেটিকে দেখলেও মেয়েকে পাননি। কামরুন্নাহারের ভাষ্য, মেয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘আপনার মেয়ে স্কুলের নিচতলায় আছে। আপনার মেয়েকে নিয়ে যান।’ কিন্তু তিনি মেয়েকে না পেয়ে বাড়ি চলে যান। সন্ধ্যায় দেখা হলে ছেলেটি জানায়, তাঁর মেয়েকে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মেয়ের সন্ধান পাননি। ওই ছেলের হুকুমেই আসামিরা পরিকল্পিতভাবে মারিয়াকে হত্যা করেছে। মারিয়ার নানা দেওয়ান হাফিজের অভিযোগ, তাঁর নাতনিকে যখন খুঁজছেন, তখন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বিএনপির স্থানীয় কয়েকজন নেতা মেয়ের মায়ের কাছ থেকে জোরপূর্বক স্ট্যাম্পে সই নেন। তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। তিনি বলেন, ১০ জুনের ঘটনা নিয়ে ১৫ জুন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ছেলেমেয়ের অভিভাবককে ডেকে আনে। এ সময় দুজনকেই টিসি দেওয়া হয়। মেয়েটিকে বহিষ্কার না করার জন্য তার মা বিদ্যালয়ে এসে স্বেচ্ছায় মুচলেকা দেন। সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম বলেন, মারিয়া হত্যার ঘটনায় তার মায়ের করা মামলায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেননি। আসামিদের গতকাল সোমবার বিকেলে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়। তবে বিচারক শুনানি না করে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। বিষয় : নিহত আরও পড়ুন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় মিয়ানমারের সেনাসদস্যসহ তিনজন আটক গাছ লাগিয়ে মামলায় জড়ালেন ‘বৃক্ষপ্রেমী’ লুৎফর নিখোঁজ শিশুর মরদেহ মিলল ঝালমুড়িওয়ালার ঘরে, গণপিটুনিতে নারী নিহত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নারীর মৃত্যু সর্বশেষ চীনের শীর্ষ সাহিত্য পুরস্কার জিতলেন ফুড রাইডার হামের উপসর্গে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু মিরপুরে আতশবাজির আগুনে দগ্ধ তিন যুবক বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় মিয়ানমারের সেনাসদস্যসহ তিনজন আটক ‎যাত্রাবাড়ীতে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ নড়াইলে ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা অভ্যুত্থানে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অবদানের স্বীকৃতি দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম ইরানে মার্কিন অভিযান আসলে দীর্ঘ সংঘাতের দিকে যাত্রা আরও পড়ুন ×

Source 2: Ajker Patrika · 12/08/26open original ↗

জবির শিক্ষার্থী বাসে হামলার ঘটনায় সিংগাইর থানায় হাজির উপাচার্য

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী ও স্টাফ পরিবহনকারী বাসে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় সিংগাইর থানায় গিয়ে ঘটনা ও সার্বিক পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ সম্পর্কে পুলিশের সঙ্গে কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন। আজ বুধবার সন্ধ্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল সিংগাইর থানায় যান। এ সময় তাঁরা পুলিশের সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে আলোচনা করেন এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। জবি উপাচার্য ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তারের দাবি জানাই। আমরা পুলিশের কাজে আস্থা রাখতে চাই। এ বিষয়ে যেন আমাকে আর সিংগাইর থানায় আসতে না হয়, সেটিই আশা করি। পুলিশ কর্মকর্তারা এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন এবং বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন।’ এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুন্নাহার, অধ্যাপক ড. নাসির উদ্দিন, ট্রেজারার ড. ছাবিনা শারমিন, প্রক্টর ড. আজম খান, সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ কমিশনার ফাহিম আসজাদ, সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম, ছাত্র সংসদের ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্যসচিব ছামছুল আরিফসহ প্রায় ২২০ থেকে ২৫০ জন শিক্ষার্থী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার হেমায়েতপুর এলাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য একটি বাসের সঙ্গে একটি অটোরিকশার ধাক্কা লাগে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অটোরিকশায় থাকা মো. কাউসারের সঙ্গে বাসের যাত্রীদের কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ দিকে, ওই দিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্টাফ পরিবহনে ব্যবহৃত ঢাকা মেট্রো-স ১৪-০১৯৪ নম্বরের বাসটি সিংগাইরের দিকে যাচ্ছিল। বাসটি উপজেলার ভূমদক্ষিণ এলাকায় পৌঁছালে কাউসারসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন-চারজন ব্যক্তি জিআই পাইপ নিয়ে বাসটির ওপর হামলা চালান। এ সময় বাসটির জানালার কাচ ভাঙচুর করা হয়। হামলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্ডোক্রিনোলজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রিম্বি আক্তার ও ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী পূর্ণিমা আক্তারসহ ১০ জন আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে সিংগাইর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। ঘটনার পর জবির বাসের চালক বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় মামলা করেছেন। মামলার পর অভিযুক্ত কাউসার পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। সিংগাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ কমিশনার ফাহিম আসজাদ বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।’

Source 3: Prothom Alo · 11/08/26open original ↗

মানিকগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে হামলা, চালক-শিক্ষার্থীসহ আহত অন্তত ১০

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ফাইল ছবি: প্রথম আলো স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে বিরোধের জেরে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের বহনকারী ‘কালীগঙ্গা’ নামের বাসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় চালক ও শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে মানিকগঞ্জ যাওয়ার পথে সিংগাইরের বনদক্ষিণ বাজার এলাকায় বাসটি হামলার শিকার হয়। জকসুর পরিবহন সম্পাদক মাহিদ হোসেন বাসে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘যতটুকু তথ্য পেয়েছি, ড্রাইভারসহ অনেকেই আহত হয়েছে। একটা স্টুডেন্টের মাথা ফেটে গেছে, আরও অনেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’ ঘটনার বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক তারেক বিন আতিক বলেন, ‘বনদক্ষিণ বাজারে আমাদের একটি গাড়ির ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে, গাড়িটা ওই এলাকার একটা অটোওয়ালার সাথে তর্কে জড়িয়েছিল। আমাদের স্টুডেন্টরা নেমে সম্ভবত অটোওয়ালাকে ধাক্কা মারছে। এরপর আর কী হয়েছে বিস্তারিত এখনো জানি না। তবে পরে গাড়িতে ওরা স্থানীয় লোকজনসহ হামলা চালিয়েছে।’ মানিকগঞ্জ থেকে শিক্ষার্থীদের আনা নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত কালীগঙ্গা নামের বাসটিতে এই হামলা হয়েছে জানিয়ে তারেক বিন আতিক বলেন, ‘ওখানে প্রায় ১০ জনের মতো আহত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের খুবই মারাত্মক ইনজুরি হয়েছে বলে এখন পর্যন্ত জানতে পেরেছি। আমি দেখতে যাচ্ছি, অলরেডি পথে আছি।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন হামলাজগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়মানিকগঞ্জজকসু