শিক্ষার্থীকে শাসনের জেরে তিন শিক্ষিকাকে মারধরের অভিযোগ অভিভাবকের বিরুদ্ধে

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

প্রবন্ধে স্পষ্টভাবে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ওপর শারীরিক হামলা বর্ণনা করা হয়েছে, যা শারীরিক আক্রমণ (Attack) হিসেবে সংজ্ঞায়িত হিংসা এবং ১৪ দিনের সময়সীমার মধ্যে ঘটেছে, তাই এটি হিংসা ঘটনা হিসেবে স্বীকৃত।

Reported by:SamakalSingle source
25/06/26•সেলিম রেজা আদর্শ বিদ্যানিকেতন

Killed

0

Injured

3

Summary

ঈশ্বরদী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে শাসনের পর তার অভিভাবক ও স্বজন তিনজন শিক্ষিকাকে মারধর করেন। শিক্ষিকাদের গলা টেনে বের করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

শামিমা নাসরিন (প্রধান শিক্ষক)ঝর্ণা খাতুন সাথীসেলিনা বেগমসেলিম রেজা (বিদ্যালয় পরিচালক)অশাদুর রহমান (ওসি, ঈশ্বরদী থানা)

Affected infrastructure

সেলিম রেজা আদর্শ বিদ্যানিকেতন (স্কুল)

Tags

Vigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 3

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 27/06/26open original ↗

শিক্ষার্থীকে শাসনের জেরে তিন শিক্ষিকাকে মারধরের অভিযোগ অভিভাবকের বিরুদ্ধে

শিক্ষার্থীকে শাসনের জেরে তিন শিক্ষিকাকে মারধরের অভিযোগ অভিভাবকের বিরুদ্ধে ছবি: সমকাল ঈশ্বরদী প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬ | ১৮:৪৯ | আপডেট: ২৬ জুন ২০২৬ | ১৮:৪৯ পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীকে শাসন করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিন শিক্ষিকাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা ইউনিয়নের চরকুড়ুলিয়া এলাকার সেলিম রেজা আদর্শ বিদ্যানিকেতনে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিক্ষিকারা হলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা নাসরিন (২৮), শিক্ষক ঝর্ণা খাতুন সাথী (২৫) এবং সেলিনা বেগম (৫০)। তাদের মধ্যে ঝর্ণা খাতুন সাথীকে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, বৃহস্পতিবার সকালে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী পড়া না পারায় তাকে শাসন করেন বিদ্যালয়ের পরিচালক সেলিম রেজা। পরে ওই শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারকে জানালে তার মা বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়ান এবং একপর্যায়ে চলে যান। এরপর শিক্ষার্থীর কয়েকজন স্বজন বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষিকাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় শিক্ষিকা ঝর্ণা খাতুন সাথীর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে টেনে বিদ্যালয়ের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বিদ্যালয়ের পরিচালক সেলিম রেজা বলেন, শিক্ষার্থীকে শাসনের কিছুক্ষণ পর তিনি জরুরি কাজে বিদ্যালয়ের বাইরে চলে যান। পরে শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও স্বজনরা বিদ্যালয়ে এসে তিন শিক্ষিকাকে মারধর করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ে শিক্ষিকাদের মারধরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত অভিভাবক বা তাদের পরিবারের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।