জামায়াতের দুই নেতাকর্মীকে হাত পা বেঁধে নির্যাতন

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

ঘটনাটি সদ্য ঘটেছে এবং এতে রাজনৈতিক দলের (জামায়াত) সদস্যদের ওপর সাবেক যুবদল নেতার বাহিনী হামলা, হাত-পা বেঁধে নির্যাতন ও অর্থ ছিনতাইয়ের বর্ণনা রয়েছে, তাই এটি সহিংস ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত।

Reported by:JugantorSingle source
19/05/26•আবুগঞ্জ বাজার

Killed

0

Injured

2

Summary

ভোলার চরফ্যাশনে সাবেক যুবদল নেতা শাহিন দালালের বাহিনী জামায়াতকর্মী আবদুল জলিল ও মাওলানা মাহবুবুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করে। পরে আবদুল জলিলকে হাত-পা বেঁধে পাইপ দিয়ে নির্যাতন ও ৭ হাজার টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Jamaat

Other actors

শাহিন দালাল (সাবেক যুবদল নেতা)আবদুল জলিল (জামায়াতকর্মী)মাওলানা মাহবুবুর রহমান (জামায়াত নেতা)তারেক, মোতাহার, নুরু, জসিম, শাহাবুদ্দিন, ফয়সাল (শাহিনের বাহিনী)

Tags

Party ClashRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 21/05/26open original ↗

জামায়াতের দুই নেতাকর্মীকে হাত পা বেঁধে নির্যাতন

জামায়াতের দুই নেতাকর্মীকে হাত পা বেঁধে নির্যাতন অভিযোগ সাবেক যুবদল নেতা শাহিনের বিরুদ্ধে Advertisement চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভোলার চরফ্যাশনে জামায়াতকর্মী আবদুল জলিলকে আটকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। আসলামপুরের ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক শাহিন দালালের নেতৃত্বে তার বাহিনী এ কাজ করে। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার আবুগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় জামায়াতকর্মী আবদুল জলিলের সঙ্গে থাকা আসলামপুর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সভাপতি ও উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমানকেও পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। পুলিশের এসআই আবদুস সালাম জানান, এ সময় আবুগঞ্জ বাজারে বিএনপির অফিসের মধ্য পাওয়া বেশকিছু দেশীয় পাইপ তারা জব্দ করেন। চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আবদুল জলিল বলেন, আবুগঞ্জ বাজারে শাহিন আমাকে কথা আছে বলে তার দোকানের পেছনে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তার বাহিনীর তারেক, মোতাহার, নুরু, জসিম, শাহাবুদ্দিন, ফয়সাল আমাকে লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকে। আমাকে বাঁচাতে আমার সঙ্গে থাকা উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি মাহবুবুর রহমান এগিয়ে এলে তাকেও পিটিয়ে আহত করে। শাহিন ও তার বাহিনীর বেধড়ক মারধরে আমি ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে যাই। পরে তারা আমাকে টেনে আবুগঞ্জ বাজারে বিএনপির অফিসের নিয়ে এলে আমার জ্ঞান ফিরে আসে। সেখানে ফের আমাকে হাত-পা বেঁধে পাইপ দিয়ে পেটায়। আমার পকেট থেকে ৭ হাজার টাকা ও মোবাইল ফোন নিয়ে যায়। দ্বিতীয় দফা তাদের মারধরে আমি আবার অজ্ঞান হয়ে যাই। স্থানীয়রা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে আসলামপুরের ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক শাহিন দালাল ও তার বাহিনী জমি দখল, লুটপাট, চাঁদাবাজি এবং এলাকায় প্রতিনিয়ত ত্রাস সৃষ্টি করছে। নির্বাচনের আগে শাহিন বাহিনীর বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর হলে তিনি গা ঢাকা দেন। নির্বাচনের পর নতুন সরকার ক্ষমতায় এলে শাহিন এলাকায় নিজেকে যুবদলের কর্ণধার পরিচয় দিয়ে আবারও তার বাহিনী দিয়ে অপকর্ম শুরু করেন। শাহিন দালাল বলেন, আমি এলাকার সালিশ বিচার করি, কোনো অপকর্ম করি না। তার নেতৃত্বে গঠিত বাহিনীর বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সামনে ইউনিয়ন নির্বাচন করব, তাই কর্মীদের নিয়ে চলতে হয়। চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) খলিলুর রহমান বলেন, ঘটনা শুনে পুলিশের ইমারজেন্সি টিম গিয়ে মারধরের শিকার দুই জামায়াতকর্মীকে উদ্ধার করে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।