ভিডিওতে দেখা যায় খুঁটির সঙ্গে বাঁধা যুবক, পরে মিলল লাশ

AI-classifiedconfidence 96%

Why this classification

The article reports a physical assault leading to death of Mo. Kabir by a local mob after a theft accusation, which is a concrete violent act occurring in Bangladesh within the 14‑day window.

Reported by:Prothom AloSamakalCorroborated · 2 sources
13/10/26•Debipur area, Nayerajpur Union

Killed

1

Injured

0

Summary

মো. কবির (৩৫) কে টাকাচুরি সন্দেহে পিটিয়ে খুঁটির সঙ্গে বাঁধা রাখা হয়, পরে তার দেহ লাঠির আঘাতসহ মৃত অবস্থায় নোয়াখালির দেবীপুরে পাওয়া যায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে এবং প্রাথমিকভাবে পিটিয়ে হত্যা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

96% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মো. কবিরমো. হোসেনমো. ইদ্রিস

Affected infrastructure

shop

Tags

LynchingVigilante JusticeThief Caught

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 13/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 14/10/26open original ↗

নোয়াখালীতে টাকা চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ২

নোয়াখালীতে টাকা চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, আটক ২ ছবি- ভিডিও থেকে নেওয়া নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ০১:৪৩ নোয়াখালীর সদর উপজেলায় টাকা চুরির অভিযোগে কবির হোসেন (৩৫) নামের এক মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে মারধর করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের দেবীপুর গ্রামের একটি দোকানের সামনে থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত কবির নোয়ান্নই ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ বাজার এলাকার মৃত আবু হানিফ ও কমলা বেগম দম্পতির বড় ছেলে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। নিহতের মা কমলা বেগমের অভিযোগ, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ইসলামগঞ্জ বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে মুন্সীর দোকানের সামনে কবিরকে ধরে নিয়ে যান কয়েকজন। পরে দোকানের পেছনের একটি ক্ষেতে নিয়ে তাকে মারধর করা হয়। ছেলেকে বাঁচাতে গেলে তাকেও দুই দফায় কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দফায় দফায় তার ছেলেকে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। কবিরকে মারধরের পর খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সোমবার নোয়াখালী শহরের সোনাপুর পেট্রলপাম্প-সংলগ্ন হাসিব ওয়ার্কশপ থেকে টাকাভর্তি একটি ব্যাগ চুরি হয়। ব্যাগে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল বলে দাবি করেন ওয়ার্কশপের মালিক মো. হোসেন। চুরির ঘটনায় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সহায়তা চান তিনি। এরপর মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে নোয়ান্নই ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ বাজার এলাকার এক ব্যক্তি হোসেনকে ফোন করে চুরির ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে কবিরকে শনাক্ত ও আটকের কথা জানান। খবর পেয়ে হোসেন তার লোকজন নিয়ে সেখানে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এ সময় কয়েকজন কবিরকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। কমলা বেগম বলেন, আমার ছেলে মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং প্রতিবন্ধী ভাতাও পেতেন। তিনি দাবি করেন, কবিরকে কয়েকটি ১০ টাকার নোট হাতে দিলে সেগুলোর মোট মূল্যও বলতে পারতেন না। এমন একজনের বিরুদ্ধে টাকা চুরির অভিযোগ তুলে তাকে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে। ছেলের হত্যার বিচার দাবি করেছেন কমলা বেগম। তার ভাষ্য, মারধরের পর আহত কবিরকে ইসলামগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে নেয়াজপুর ইউনিয়নের দেবীপুর এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই এলাকায় হোসেনের বাড়ি। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পুলিশ দেবীপুরের অজু মেম্বারের বাড়ির সামনের একটি দোকানের কাছ থেকে কবিরের মরদেহ উদ্ধার করে। সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিসুর রহমান বলেন, স্থানীয় লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যায় দেবীপুর এলাকা থেকে কবিরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার শরীরে লাঠির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। কারা এবং কী কারণে তাকে মারধর করেছে, তা তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নিহত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর বিস্তারিত জানানো যাবে। - বিষয় : - পিটিয়ে হত্যা

Source 2: Prothom Alo · 13/10/26open original ↗

ভিডিওতে দেখা যায় খুঁটির সঙ্গে বাঁধা যুবক, পরে মিলল লাশ

খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা মো. কবির। পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া নোয়াখালীতে টাকা চুরির অভিযোগে এক যুবককে মারধরের পর খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এর কয়েক ঘণ্টা পর একই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার নেয়াজপুর ইউনিয়নের দেবীপুর এলাকার একটি দোকানের সামনে থেকে মো. কবির (৩৫) নামের ওই ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৮ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, কবিরকে আহত অবস্থায় একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে। ভিডিওতে তাঁকে টাকা চুরির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদ করতেও দেখা যায়। ভিডিওটি মঙ্গলবার বিকেলে বিভিন্ন ফেসবুক আইডি থেকে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, গতকাল সোমবার নোয়াখালী শহরের সোনাপুর পেট্রলপাম্প-সংলগ্ন হাসিব ওয়ার্কশপ থেকে টাকাভর্তি একটি ব্যাগ চুরি হয়। ব্যাগে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিল বলে দাবি করেন ওয়ার্কশপের মালিক মো. হোসেন। চুরির ঘটনার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কেউ চিনলে তাঁকে জানানোর অনুরোধ করেন তিনি। এরপর আজ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে নোয়ান্নই ইউনিয়নের ইসলামগঞ্জ বাজার এলাকার এক ব্যক্তি হোসেনকে ফোন করে টাকা চুরির ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কবিরকে শনাক্ত ও আটকের কথা জানান। কবির ওই এলাকার বাসিন্দা। খবর পেয়ে হোসেন তাঁর লোকজন নিয়ে সেখানে যান। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, এ সময় কয়েকজন কবিরকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা আরও জানান, পরে হোসেন ও তাঁর লোকজন আহত কবিরকে ইসলামগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে প্রায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার দূরে নেয়াজপুর ইউনিয়নের দেবীপুর এলাকায় নিয়ে যান। হোসেনের বাড়ি ওই এলাকায়। সেখানে নেওয়ার পর কবিরের মৃত্যু হয় বলে তাঁদের ধারণা। পরে তাঁর লাশ দোকানের সামনে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ সন্ধ্যায় লাশটি উদ্ধার করে। সুধারাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিস প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় লোকজনের তথ্যের ভিত্তিতে সন্ধ্যায় দেবীপুর এলাকা থেকে কবিরের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর শরীরে লাঠির আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা, কী কারণে তাঁকে মারধর করেছে, তা তদন্তের আগে নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন নোয়াখালীঅপরাধখুনচট্টগ্রাম বিভাগহত্যা