ইয়ার্কি ডটকমের সম্পাদকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

AI-classifiedconfidence 75%

Why this classification

This is a single, specific incident in Dhaka from early June 2026 in which a woman doctor died after she was allegedly locked in a room for three days, denied food, and abused by her in-laws and husband. The article reports a court filing with these allegations, which are unproven, so confidence is moderate.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
04/06/26•ধানমন্ডি, বসতী গ্রীন আবাসন

Killed

1

Injured

0

Summary

ধানমন্ডিতে ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ইয়ার্কি সম্পাদকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২ জুন থেকে তিন দিন তাঁকে তালাবদ্ধ রাখা হয়, খাবার ও সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি, এবং ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

75% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রা (নিহত)ডা. রহমত রশীদ (স্বামী, আসামি)ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ (শ্বশুর, আসামি)সিদ্দিকা সুলতানা (শাশুড়ি, আসামি)শিমু নাসের (ইয়ার্কি সম্পাদক, আসামি)

Tags

Domestic Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 23/01/26open original ↗

স্কুলে শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

স্কুলে শিশুকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা এক শিশু শিক্ষার্থীকে মারধর করছেন শিক্ষক ও শিক্ষিকা। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ২২:৪৬ | আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | ২২:৪৮ স্কুলের পোশাক পরা শিশুকে টেনেহিঁচড়ে অফিস কক্ষে নিয়ে যান এক নারী। তিনি শিশুটিকে চড় মারেন। এরপর অফিস কক্ষে থাকা এক পুরুষ কখনও শিশুটির গলা চেপে ধরেন, কখনও মুখ চেপে ধরেন। ভয়ে শিশুটি কাঁদছিল। ওই নারী হাত ধরে তাকে আটকে রাখছিলেন। একপর্যায়ে পুরুষটি একটি স্ট্যাপলার হাতে শিশুটির কাছে এগিয়ে গিয়ে তার মুখ স্ট্যাপল করার ভঙি করেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যায় এমন দৃশ্য। পরে জানা যায়, এটির ঘটনাস্থল রাজধানীর পল্টনের শারমিন একাডেমি নামের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ভিডিও ফুটেজে থাকা নারী অ্যাকাডেমির প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান এবং পুরুষটি হলেন স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার। বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার এ নিয়ে পল্টন থানায় একটি মামলা হয়েছে। পল্টন থানার ওসি মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল খান বলেন, শিশুটির মা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার শিশু অধিকার আইনে একটি মামলা করেছেন। মামলায় পবিত্র বড়ুয়া ও শারমিন জামানকে আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক। স্কুলটিও বন্ধ রয়েছে। জানা যায়, নির্যাতনের ঘটনাটি গত ১৮ জানুয়ারি দুপুর ১টার দিকের। ৪ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার দিয়ে অনেকেই এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অবিলম্বে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। সেইসঙ্গে অভিভাবকদেরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন অনেকে।   - বিষয় : - ভিডিও ভাইরাল

Source 2: Jugantor · 16/06/26open original ↗

ইয়ার্কি ডটকমের সম্পাদকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

চিকিৎসকের মৃত্যু ইয়ার্কি ডটকমের সম্পাদকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৬ জুন ২০২৬, ০২:০৬ পিএম ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রা। ছবি: সংগৃহীত রাজধানীর ধানমন্ডিতে ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়িসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে অবহেলাজনিত মৃত্যু, নির্যাতন এবং পোস্টমর্টেম ছাড়াই দাফনের মাধ্যমে আলামত গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে দণ্ডবিধির ৩০৪(ক), ১৯৩, ১৯৭, ২০১, ১০৯ ও ৩৪ ধারায় মামলার আবেদন করেন নিহতের স্বজন মো. মশিউর রহমান শাহ। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে আদেশের জন্য অপেক্ষমাণ রেখেছেন। মামলায় চারজনকে নামীয় আসামি এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। নামীয় আসামিরা হলেন নিহতের শাশুড়ি সিদ্দিকা সুলতানা, স্বামী ডা. রহমত রশীদ, শ্বশুর ডা. মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ (বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান) এবং ইয়ার্কি সম্পাদক শিমু নাসের। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন। মামলার আবেদনে বলা হয়, সহপাঠী ডা. রহমত রশীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের পর ডা. নাফিসা তাবাসসুম ধীপ্রা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে দুই বছর বয়সি একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকে পারিবারিকভাবে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এর ফলে তিনি তীব্র বিষণ্নতায় আক্রান্ত হন। সন্তান জন্মদানের পর পোস্ট-পার্টাম ডিপ্রেশন ছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে। আবেদনে আরও বলা হয়, চিকিৎসক হওয়া সত্ত্বেও আসামিরা তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যায় অবহেলা করেন। পাশাপাশি এফসিপিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিতেও বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়। মৃত্যুর আগে ‘Female Doctors in Bangladesh’ নামে একটি ফেসবুক গ্রুপে পারিবারিক নির্যাতনের বিষয়ে তিনি পোস্ট করেছিলেন বলেও মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২ জুন থেকে টানা তিন দিন ডা. ধীপ্রাকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় তাকে খাবার দেওয়া হয়নি এবং দুই বছর বয়সি সন্তানকেও দেখতে দেওয়া হয়নি। ৪ জুন খবর পেয়ে তার মা ধানমন্ডির বসতী গ্রীন আবাসনের একটি ফ্ল্যাটে যান। সেখানে মেয়েকে তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখে তালা খুলে দেওয়ার অনুরোধ করেন। পরে কক্ষ থেকে বের হয়ে ডা. ধীপ্রা তার মাকে জড়িয়ে ধরে বলেন, ‘মা, আমি ভাত খাব।’ এরপরই তিনি মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন বলে আবেদনে দাবি করা হয়েছে। মামলার আবেদনে আরও অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে দ্রুত নিকটবর্তী কোনো হাসপাতালে নেওয়া হয়নি। বরং বিলম্বের পর বারডেম হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রভাব খাটিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই একটি ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হয় এবং দ্রুত দাফন সম্পন্ন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীপক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন বলেন, আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় এবং নিহতের বাবা-মা ধর্মভীরু ও অসহায় হওয়ায় শুরুতে আইনি পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব হয়েছে। তিনি জানান, আদালতের কাছে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আবেদন করা হয়েছে।