রাণীশংকৈলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতাদের পুকুর দখলের পাঁয়তারা

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Thakurgaon. Parties reported: BNP, Civilians. Reported by 1 source.

Reported by:Ajker PatrikaJugantorCorroborated · 2 sources
14/04/26•Banglagarh Hat, Rator, Ranisankail

Killed

0

Injured

0

Summary

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ব্যক্তিমালিকানাধীন পুকুর দখলকে কেন্দ্র করে গত ১৬ এপ্রিল পুলিশের তদন্ত চলাকালে স্থানীয় বিএনপি নেতারা সাক্ষীদের মারধর ও হুমকি প্রদান করেন। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিন তারা ওই পুকুর থেকে মাছ ধরে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

74% · severity 3

Parties involved

BNPCivilians

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 17/04/26open original ↗

রাণীশংকৈলে ওয়ার্ড বিএনপি নেতাদের পুকুর দখলের পাঁয়তারা

‘পুকুর চুরি’ নয়, রীতিমতো পুকুর দখল করে নেওয়ার পাঁয়তারা চালাচ্ছেন ওয়ার্ড বিএনপির নেতারা। ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাগড় হাটে একটি পুকুর তাঁরা পয়লা বৈশাখের দিন দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই পুকুরটি ব‌্যক্তিমালিকানাধীন হলেও তাঁরা সরকারি পুকুর বলে দাবি করছেন। পুকুর দখলে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ওই ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি রবিউল ইসলাম রুবেল, সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সম্পাদক সুভানসহ বিএনপির ইব্রাহিম, লালু এবং আরও কয়েকজন নেতা-কর্মী ও সমর্থকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই পুকুরটির মালিক দাবিদার আব্দুল হক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ ও সরেজমিন জানা যায়, রাণীশংকৈল পার্শ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলার জসাইপাড়া এলাকার মৃত মজির উদ্দীনের ছেলে আব্দুল হক পৈতৃক সূত্রে উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের বাংলাগড় হাট এলাকার নরগাঁও মৌজার ১২০/৬৬০ নম্বর দাগের ২ একর ৮ শতক জলকরের মালিক। দীর্ঘদিন ধরেই পুকুরটি তাঁর দখলে। হঠাৎ বিএনপির নেতারা এটিকে সরকারি পুকুর বলে পয়লা বৈশাখের দিন তাঁদের লোকজন পুকুরে নামিয়ে মাছ ধরে নেন। বিষয়টি এলাকায় বেশ আলোচনার জন্ম দেয়। পুকুরের মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে ১৬ এপ্রিল ওই পুকুর এলাকায় সরেজমিন গেলে সেখানে পুকুরের মালিকের লোকজনের পাশাপাশি নেতারাও উপস্থিত হওয়া শুরু করেন। একপর্যায়ে সেখানে ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রতিবেদকের কাছে এসে পরিচয় জানতে চান এবং পুকুরটি খাস বলে পয়লা বৈশাখের দিন উৎসুক জনতা এখানে মাছ ধরেছে বলে জানান। তবে তিনি ক‌্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে পুকুর দখলের বিষয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে বিএনপির নেতা-কর্মীদের উচ্ছৃঙ্খলতার কারণে অনেকে মুখ খুলতে রাজি হননি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়দের মধ্যে অনেকে বলেন, বিএনপি নেতা রুবেল, জাহাঙ্গীর, সুভান অনেক দিন ধরেই পুকুরটি দখলের চেষ্টা করছেন। সেই ধারাবাহিকতায় পয়লা বৈশাখের দিন তাঁদের লোকজন নামিয়ে পুকুর থেকে প্রায় দুই লাখ টাকার মাছ ধরা হয়।অভিযোগের বিষয়ে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি রবিউল ইসলাম রুবেল বলেন, তাঁরা পুকুর দখল করেননি। তবে সাধারণ মানুষ সরকারি পুকুর হিসেবে পয়লা বৈশাখের দিন ছোট ছোট তেলাপিয়ার বাচ্চা ধরেছে। এখন পুকুরটি উন্মুক্ত আছে। এটি সরকারি কি না, তার খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।এদিকে থানায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ এপ্রিল বিকেলে এসআই মিরাজের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনা তদন্ত করতে গেলে সেখানেও খুব উত্তেজনা সৃষ্টি করেন বিএনপির অভিযুক্ত নেতারা। ঘটনার সাক্ষী এবং তাঁদের বিপক্ষের লোকজনকে মারধর করাসহ নানান হুমকি দেন তাঁরা। এসআই মিরাজ বলেন, ‘আমাদের সামনে তারা খুব উত্তেজিত হচ্ছিল। তবে সেটি আমরা রুখে দিয়েছি। ঘটনাটি ওসিকে জানানো হয়েছে।’রাতোর ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা জাহেরুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি পুকুর হলে ইজারা দেওয়া হতো। যেহেতু ইজারা দেওয়া হয়নি, তার মানে হলো পুকুরটি এখনো ব‌্যক্তিমালিকানাধীন। তাহলে সে বিষয়ে কোনো তথ‌্য আপাতত দেওয়া যাচ্ছে না। খোঁজখবর নিয়ে দিতে হবে।’উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলেসুর রহমান বকুল মজুমদার বলেন, ‘বিএনপি কোনো অন্যায় কর্মকাণ্ডের দায়দায়িত্ব নেবে না। জবর দখলের একেবারে বিরুদ্ধে আমরা। যদি ওয়ার্ড বিএনপির নেতারা এমন কোনো দখল-বাণিজ্যে জড়ায়, তাহলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Source 2: Jugantor · 11/06/26open original ↗

বিএনপি নেতার মোটরসাইকেল চুরি, গ্রেফতার আ.লীগ নেতা

বিএনপি নেতার মোটরসাইকেল চুরি, গ্রেফতার আ.লীগ নেতা Advertisement ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ১০:৪১ এএম ছবি: সংগৃহীত ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করে দেওয়ার নামে এক বিএনপি নেতার কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মো. আব্দুস সালাম (৫০) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১০ জুন) ঠাকুরগাঁও বিচারিক আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আব্দুস সালাম বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৫ নম্বর দুওসুও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও মহিষমারী গ্রামের মো. ইশার উদ্দীনের ছেলে। তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে। পুলিশ ও ভুক্তভোগীর এজাহার সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে মহিষমারী গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফরহাদ আলীর বাড়ির বারান্দা থেকে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি ১৫০ সিসির মোটরসাইকেল চুরি হয়। পরদিন সকালে চুরির বিষয়টি টের পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ফরহাদ আলী স্থানীয়ভাবে জানতে পারেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম টাকার বিনিময়ে চুরি হওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করে দিতে পারবেন। বিএনপি নেতা ফরহাদ আলী জানান, এ তথ্যের ভিত্তিতে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সালামের কাছে যান। সালাম মোটরসাইকেলটি কোথায় আছে তা জানেন বলে দাবি করেন এবং ফরহাদ আলীর মোবাইল ফোন থেকে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে নম্বরটি মুছে দেন। এরপর মোটরসাইকেলটি ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রথমে ২ হাজার টাকা দাবি করেন। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, মঙ্গলবার বিকালে মোটরসাইকেল এনে দেওয়ার কথা বলে আব্দুস সালাম ভুক্তভোগীকে ঠাকুরগাঁও সদর কোর্ট এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে মোটরসাইকেল বুঝিয়ে দেওয়ার নাম করে আরও ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন। টাকা নেওয়ার পরপরই ফরহাদ আলীকে বসিয়ে রেখে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেন এবং নিজের মোবাইল বন্ধ করে দেন আব্দুস সালাম। পরবর্তীতে ওইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে আব্দুস সালাম বালিয়াডাঙ্গী চৌরাস্তা এলাকায় এলে ভুক্তভোগী ও স্থানীয় জনতা তাকে ঘেরাও করে। এ সময় মোটরসাইকেল ফেরত দেওয়ার জন্য তিনি উলটো আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে হুমকি প্রদান করেন। পরে ক্ষুব্ধ জনতা তাকে আটকে রেখে বালিয়াডাঙ্গী থানা-পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেফতার করে। বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি মো. বুলবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মো. ফরহাদ আলী বাদী হয়ে থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন। আসামির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।