কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় সাংবাদিকের ছেলে জখম
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Noakhali. Parties reported: কিশোর গ্যাং (Kishore Gang), অর্পন ও তার পরিবার. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
1
Summary
নোয়াখালীর বসুরহাটে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় আশফাক উল্যা চৌধুরী অর্পন নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। লোহার রডের আঘাতে তার হাতের আঙুলের হাড় ভেঙে যায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
89% · severity 4
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
নোয়াখালীতে কিশোরদের হামলায় কৃষক দল নেতা নিহত
সারাদেশ নোয়াখালী নোয়াখালীতে কিশোরদের হামলায় কৃষক দল নেতা নিহত জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী ৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৩ অ+ অ- নোয়াখালীর সদর উপজেলায় কিশোরদের হামলায় মো. সেলিম (৫০) নামে এক কৃষক দলের নেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দাদপুর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিজ্ঞাপন নিহত মো. সেলিম ওই গ্রামের মৃত মো. শাহজানের ছেলে এবং স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি ছিলেন। তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জনক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেলিমের ছেলে অন্তরের সঙ্গে এলাকার কয়েকজন কিশোর- সজল, শাওন, ফাহাদ ও রিয়াজের মধ্যে বিরোধ চলছিল। শনিবার দুপুরে এ নিয়ে ফোনে অন্তর ও সজলের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। পরবর্তীতে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সজল তার সহযোগীদের নিয়ে সেলিমের বাড়ির সামনে আসে এবং অন্তরের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় অন্তরের বড় ভাই শাকিল এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজ্ঞাপন শোরগোল শুনে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে ছেলেদের রক্ষা করতে এগিয়ে যান সেলিম। তখন অভিযুক্তরা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের বড় ছেলে শাকিল অভিযোগ করেন, পূর্বের বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তাদের বাড়িতে হামলা চালানো হয় এবং তার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। বিজ্ঞাপন নিহতের ছোট ভাই মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার ভাই ছেলেদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিল। যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে তারা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। আমরা এ হত্যার বিচার চাই। দাদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি সেলিম বলেন, নিহত সেলিম একজন সাধারণ কৃষক ও চা দোকানি ছিলেন এবং দলের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি করেছি। হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রায় রাত ৯ টার দিকে আমাদের কাছে সেলিমকে আনা হয়। আমরা তাকে মৃত অবস্থায় পাই। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমরা জানতে পেরেছি সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এ সময় সেলিম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং আঘাত পেয়ে পড়ে যান। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসিব আল আমিন/আরকে
কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় সাংবাদিকের ছেলে জখম
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভায় কিশোর গ্যাংয়ের অতর্কিত হামলায় আশফাক উল্যা চৌধুরী অর্পন (২১) নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। অর্পন স্থানীয় সংবাদপত্রের এজেন্ট নিউজ কর্নারের মালিক ও দৈনিক ইত্তেফাকের স্থানীয় সংবাদদাতা জাফর উল্যা চৌধুরী পলাশের ছেলে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যায় বসুরহাট পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সিনেমা হল রোডে ছুফিয়ান মিয়ার কোল্ড কর্নারের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত অর্পনের বাবা সাংবাদিক জাফর উল্যা পলাশ বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ১৪-১৫ জনকে আসামি করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- বসুরহাট পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শুঁটকি ব্যাপারী বাড়ির সাবেক কাউন্সিলর আবুল খায়েরের ছেলে আজাদ, আব্দুর রেজ্জাকের ছেলে সাকিব, মিলনের ছেলে মিরাজ ও মো. হারুনের ছেলে শাহিন। তারা সবাই কিশোর গ্যাং, মাদক সেবন-ব্যবসাসহ চুরি ও অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত বলে এলাকাবাসী জানান। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় অর্পণ সিনেমা হল রোড এলাকায় ছুফিয়ান মিয়ার কোল্ড কর্নারে নাস্তা করে বের হবার সময় কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আজাদ, সাকিব, মিরাজ ও শাহীনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জন অতর্কিত হামলা করে চলে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেন। হামলাকারীদের হামলায় অর্পণের ডান হাতের তিনটি আঙুলের হাড় ভেঙে যায়। কিশোর গ্যাং সদস্যরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করার সময় তার প্যান্টের পকেটে থাকা লক্ষাধিক টাকা মূল্যের আইফোন লোহার রডের আঘাতে চুরমার হয়ে যায়। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিক জাফর উল্যা পলাশ বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এলাকায় বেপরোয়া কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে পরিচিত। কোনো কারণ ছাড়াই তারা আমার ছেলেকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করেছে। ঘটনাটি নিয়ে পরিবারসহ আমরা চরম আতঙ্কে আছি। কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি নুরুল হাকিম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
